Driving licence
লাইসেন্স করার জন্য গেলাম দুই বার পরীক্ষা দিয়েছি পাস করি নাই পরের বার ঘুষ দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি তো পাস করেছি 🙂
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
লাইসেন্স করার জন্য গেলাম দুই বার পরীক্ষা দিয়েছি পাস করি নাই পরের বার ঘুষ দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি তো পাস করেছি 🙂
আমার পিতা কর্তৃক আমাদের সব বোনদের নামে জমি হেবা দলিল করে দেওয়া হয়।সেটা নামজারি করার জন্য গেলে সরকারি নামজারি ফি ১০৭০/- হওয়া সত্ত্বেও চট্টগ্রামে সরকারহাট ভূমি অফিসে ১৫০০০০/- নেওয়া হয়।
ফেনীর লেমুয়া হাইওয়েতে বাংলাদেশী ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না, বিদেশে লাইসেন্সে চলবে না বলার পরে রিকোয়েস্ট করেছি ছেড়ে দেন এইবার লাইসেন্স করিয়ে নিবো, বলে হবে না টাকা দেন ২ হাজার, আমি বলেছি মামলা দেন। পরে ধমক টমক দিয়ে ২ হাজার টাকা নিয়ে গেল। তারা ডিবির লোক ছিল, ডিবির জ্যাকেট গায়ে এবং ডিবি লেখা গাড়ী ছিল।
আমি নতুন পাসপোর্টের জন্য উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। ওয়েবসাইটে উল্লেখিত সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমি সঙ্গে নিয়ে জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু ফর্ম জমা দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে টোকেন চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আমার কাছে বিবাহের কাবিননামা দেখতে চান। আমি তাদের জানাই যে, ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকায় কাবিননামার কোনো উল্লেখ নেই। তা সত্ত্বেও তারা আমার আবেদন গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং সরাসরি আমার ফর্মটি প্রত্যাখ্যান করেন। এ সময় সেখানকার একজন কর্মী আমাকে বলেন যে, তিনি বিষয়টি “সামলে নিতে” পারবেন এবং এর জন্য ২,০০০ টাকা লাগবে। পরবর্তীতে ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর আমার আবেদনপত্রটি গ্রহণ করা হয় এবং বৈধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাবা মারা যাওয়ার পরে বাবার নামের জমি আমার নামে নামজারি করার সময় আমাকে অনেক দিন ঘুরায় আর আমার নামজারি করতেই হবে তাই ৪০০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করতে হয়
পাসপোর্ট এর ডকুমেন্টস এ উল্টাপাল্টা ভুল ধরতেছিল, যেখানে সব কাগজ ঠিক ছিলো। তারপর এই টাকা দিলেই নাকি একদিনের মধ্যে ছবি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সব দেয়া যাবে।
রাত বারোটার পর গাইনি ইমার্জেন্সি ২১২ তে পেসেন্ট ডুকছে। ডাক্তারদের পাশে ৩-৪ জন দালাল বসা যেখানে মহিলাদের অতিব গোপনীয় চিকিৎসা করা হয়। রোগী ঢোকার সাথে সাথে ডিউটি ডক্টর ও ইন্টারনেট ডক্টররা একটা স্লিপে অনেকগুলি টেস্ট লিখে তারপর বলে এদেরকে দিয়ে পেমেন্ট করে।। অস্বাভাবিক এমন দাবি করা হয় পেমেন্ট করলে সেবা শুরু হয় পেমেন্ট না করলে রোগী কান্নাকাটি করতে থেকে কেউ দেখতে আসে না। আমার কাছে সাত হাজার টাকা দাবি করল আমি অনেক বলাবলি করে তাদেরকে ৪৮০০ টাকা দিলাম বলল এক ঘন্টার মধ্যে রিপোর্ট দিবে কোন রিপোর্টই আমাকে দিল না। রাত তিনটার সময় আরেকজন ডক্টর এসে আরেক দালালকে নিয়ে বলতেছে তাকে ৩৭০০ টাকা আমি সেটা আর দেইনি। তবে সেরাটা আমার কাছে ভয়ঙ্কর মনে হয়েছে অসংখ্য গরীব মানুষকে প্রচুর নির্যাতন করা হচ্ছিল।
সরকারি কর্মকর্তাদের চাকুরীতে যোগদানের সময় ২০০০/--৫০০০/- এবং প্রতি বদলিতে এলপিসি নেওয়ার জন্য ২০০০/- ও পুনরায় যোগদান করানোর জন্য ২০০০/-। এভাবে যতবার একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারী বদলি হবে ততবার তাদেরকে একটা নির্দিষ্ট এমাউন্ট দিতে হয়।অন্যথায় বেতন কার্যক্রম আইবাস সিস্টেম চালু হয় না।এছাড়াও সরকারি দায়িত্বের অংশ হিসেবে যতগুলো ভ্রমণ থাকে, ততগুলো ভ্রমণের টিএ/ডিএ বিল করলে তা অনুমোদন করানোর জন্য প্রতি বিলের ৫% হিসাবরক্ষণ অফিসকে দিতে হয়।না দিলে বিল অনুমোদন হয় না।
আমি জমি নামজারি করার জন্য অনলাইন সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমা দিতে গিয়েছিলাম তখন কাগজপত্র দেখে বললো সার্ভিস সার্জ দিন আমি দেখলাম টাকা না দিলে আমার কাজটা করতে চাইবে না বা আমাকে ঘুরাবে তাই দিয়ে দিলাম ১০০০ দিয়েছি আরো দাবি ছিল বাকিটা দেইনি
আমি বাংলাদেশ রেল ওয়ে তে চাকরি করে, বর্তমানে অবসর কালীন ছুটি তে আছি। আমার উচ্চতর গ্রেড লাগানোর জন্য আমার কাছে থেকে ত্রিশ হাজার টাকা নিয়েছে। যেটা আমার প্রাপ্য তাও সেটা আমার টাকা দিয়ে নেওয়া লাগছে ।
আমি নতুন সৌদি আরবে আসবো, আত্মীয়দের মাধ্যমে একটা ভিসা পাইছিলাম,, আত্মীয় বলল পাসপোর্ট করার জন্য, আমি পাসপোর্ট অফিসে গেলাম আমার কিছু ডকুমেন্ট চাইলো,কিন্তু ডকুমেন্ট বাইরের মানুষের মাধ্যমে নেয়া হলো,, অন্য এক দালাল বানায় দেবে, তারপর ডকুমেন্ট গ্রহণ করা হবে,, আমার ডকুমেন্টটা একসেপ্ট হলো না,, তারপর দালালের কাছে গেলাম,, দালাল বলল ৫০০০ টাকা লাগবে,, আমার হাতে সময় ছিল না,, আমি বাধ্য হয়ে দালালকে 5000 টাকা দিলাম,,, তারপর পুলিশ ভেরিফিকেশন হলো,,, পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময়,, পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে বলল আপনি কি পাসপোর্ট করতে দিছেন,,, আমি বললাম জি স্যার আমি পাসপোর্ট করতে দিছি,, তারপর উনি আমার সাথে দেখা করার কথা বলব, আমি দেখা করলাম, আমার কাছে ২০০০ টাকা চাইলো,,, আমি অন্য এক অনুরোধ -করে,৮০০ টাকায় মিটালাম,,
টাকা পরিষদ না করলে নাম জারি ফাইলে সই করে নাশেব আরো কিছু কর্মকর্তা আছে যারা ফাইল তাদের কাছে আটকে রাখ এক্সিলেন্ট এর কাছে দিয়ে সই করায় না যতক্ষণ পর্যন্ত ঘুষের টাকা হাতে না পাই
jomi kharech korte gesilam onk din ghuraise,,,,,,,,,,pore onk kotha totha bolar por ghusher ingit dei 39000 tk cai oi mot 40 e pore gese ...........
I was in kushtiya govt sadar hospital, i got injured by an old metal iron. Doctor prescribed an injection and some other things. i bought them and returned to the hospital for taking that injection, i saw a board "Do Not Gave Money For Injection Pushing". After giving me that injuction a person demand 200 taka, i asked why ?? he didn't answered clearly and demanding money. at once he demanded 50. i pointed him to that board and left the place.
চেক গ্রহনের আগে টাকা দিতে হয়েছিল।
আদালতে সাক্ষ্য প্রদানে আদালতের কর্মচারী দাবি করেন
আমরা ৩ টা ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে আবেদন করি নানা বাহানায় সেটা হচ্ছিল না , পরে দালাল মারফত ২০ হাজার টাকা সরকারী ফি সহ টোটাল ৫৭ হাজার টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করেছি ।।
আমি একটা জমি ক্রয় করেছিলাম ২০০৪ সালে, কিন্তু অসাবধানতার জন্য জমিটি তখন খারিজ করানো হয়েছিল না । দলিল টা অনেক আগের হওয়ায়, এখন জমি খারিজ করে দিতে চাচ্ছিল না সহকারী কমিশনার (ভূমি), ঝালকাঠি সদর, ঝালকাঠি । পরে আমি এক দালালের মাধ্যমে সেই আবেদন সহ 3 হাজার টাকা দিয়ে পাঠালে, সে তাৎক্ষণিক আবেদন আপ্রুভ করে দেয় ।
ধুরং ভুমি অফিসে নামজারি ও খাজনা টাকা দ্বিগুন গুনতে হয়, এবং তহসিলদার গুনে গুনে টাকা নেয়।
In shot : property been listed as enemy property by mistake/ intentionally since the 1970s by government officials. Release in 1974 by Court. Then released in 1999. Then it was leased to a third party knowingly for a hefty bribe by local authorities in 2006. Than it was released by High Court 2012. Then few lower authorities. Since 2015 it’s been in the hands of deputy commissioners ( DC Sylhet) hands. As usual No sign of any activity to remove from the vasted property list. Very many times we tried to get this moving, Of course not without a bribes as absolutely nothing moves unless you pay which is pretty much normal in entire Bangladesh. In totality cost out weighs the benefit.