খাস জমি লীজ
খাস জমি লীজ নিতে গেলে উপজেলা ভূমি অফিস এ সব ম্যানেজ করে দিবে বলে ৫ লক্ষ টাকা দবী করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খাস জমি লীজ নিতে গেলে উপজেলা ভূমি অফিস এ সব ম্যানেজ করে দিবে বলে ৫ লক্ষ টাকা দবী করে।
Uttara High School and College e admission neyar somoy amake 5000 taka bribe dite hoye chilo. It is so pathethic experience for me .
জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করা সাথে আমার ইংলিশ নাম একটা ভুল ছিলো সেটা চেঞ্জ করতে যাবার পরে সে বিভিন্ন উপায়ে আমার কাছ থেকে টাকা নেয়.
ইউনিয়ন পরিষদ অফিস থেকে একটি প্রত্যয়ন পত্র ও দুইটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে ১২০০ টাকা দেওয়া লাগছে এখানকার গ্রাম পুলিশ বলে এটা নাকি ফি
আমার একটি নামজারির জন্য নালিতাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ ৭ দিন ঘুরানোর পরে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর এর মাঝেই হয়ে যাবে বলেছে।টাকা না দিলে যার কাছেই যাই কাজ হবে না বলে জানিয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
Transfer er jonno taka chaise, porichito lok dekhe naki discount diyeche.
সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমাকে ৬ মাস ঘুরিয়েছে মেলান্দহ একাউন্টস অফিস। শেষে কেরানিকে দিয়ে একাউন্টস অফিসার ১০% ঘুষ দাবি করে। যেহেতু ৬ মাস যাবৎ আমি কোন প্রকার বিল পাইনি তাই বাধ্য হয়ে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার এক ফুফু মানসিক সমস্যা হয়েছিল জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে, তখন তার জ্বর থাকায় তাকে নতুন ভবনের ৮ তলায় মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছিল তার অবস্থা ছিলো ইমারজেন্সি কিন্তু তারা অবহেলা করলো ২ দিন পর মরে গেলো, যাক আল্লাহ নিয়ে গেছে। কিন্তু ওখানে ওয়ার্ড ইনচার্জ লোকটা মর্গে লাস টা রেজিস্ট্রার করতে ৫০০ টাকা নিছে, ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার তাকে নিষেধ করেছিলো তাও সে তার কাছে ফটোকপিতে সিল নিয়ে তারপর ৫০০ টাকা দিয়ে লাসটা ছাড়পত্র দেয়, তাও তার বিনিময় তাদের এম্বুলেন্সে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে লাস বাড়িতে নিছি, আমি তখন বুঝতে পারছি বাংলাদেশের জমিনে আমরা মরলেও মুক্তি নেই।
দুই বন্ধু বাইকে করে যাওয়ার সময় রাস্তা থেকে কোনো এক দরকারে আরেক প্রাইমারিতে পড়া পিচ্চি ছোটভাই কে গাড়িতে তুলি। অল্প একটু রাস্তা গিয়ে ড্রপ করে দিবো বলে। তার আগেই পুলিশের লোকজন আটক করে। কাগজপত্র হেলমেট সবকিছু ঠিক থাকলেও তিনজনের অপরাধে তিন হাজার টাকা মামলা দিয়ে দিছে। বাচ্চা ছোট মানুষকে তৃতীয় আইন অমান্যকারী যাত্রী হিসেবে ধরেছে। টাকা মেশিনে না নিয়ে ক্যাশ নিয়েছে সার্জেন্ট সাহেব নিজে।
আমি আমার ছোট ভাইয়ের জন্য নিজে পাসপোর্ট এর আবেদন করি এবং সকল ডকুমেন্টস সঠিক ভাবে জমা দেই। যখন ফিঙ্গার ও ছবি তুলার জন্য ডাকে তখন ও সব ডকুমেন্টস নিয়ে যায় যেমন nid, Barth registration, application from, payment রসিদ ইত্যাদি। ওকে প্রথম দিন ফিঙ্গার ও ছবি নিতে দেইনি এটা বলে চ্যয়ারম্যান সনদ লাগবে। তারপর দ্বিতীয় দিন বাদ দিলো এটা বলে যে তুমি আবেদন ফরম এ nid ও barth registration নম্বর দিয়েছো যেকোনো একটা দেয়া লাগতো। তখন মনে মনে সরকার কে প্রচুর গালি দিয়েছি এবং খুবই হতাস হই। তারপর একজন আমাকে একটি দালালের নম্বর দিলো তার সাথে যোগাযোগ করার পর সে বললো ১৫০০ টাকা লাগবে সে করে দিবে। আমি দিয়ে দিলাম। আমাকে বললো আপনার ছোট ভাইকে কাল সুদু আবেদন ফরম ও পেমেন্ট এর রসিদ টা নিতে যেতে বলেন। এর পর দিন কি চমৎকার কোনো ভুল নেই
passport er jonno apply er shomoy tk sara nei na abr verifiction tk sara hoi na.
I am writing to formally report a serious demand for a bribe in connection with the registration of land in Dhaka. I was asked to pay ৳50 crore (50 koti taka) in order to proceed with/complete the land registration process. This demand is entirely unofficial and has caused significant concern. I wish to report this matter and request that it be properly investigated, including identifying the individuals involved and taking appropriate action in accordance with the law.
ami badho hoye, harrassment eriye cholte ,badho hoye otirikto taka ghus diye passport korechi
আমি আমার দাদীর জমির খাজনা দিতে গিয়ে তারা অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দাবি করে
For the execution of a registered Mortgage Process
Took 2000 taka from our car as bribe due to engine number mismatch
নামজারি, পিয়নের সাথে কথা বলার জন্য বলেছেন এবং টাকা কত লাগবে জিগ্গেস করে ফাইলটি জমা দিতে বলা হয়েছে।
আমি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের একজন নতুন ঠিকাদার। আমার জীবনের প্রথম কাজ করি সিটি করপোরেশনের যা,DPM এ।যা ৪টা ফাইল হয়।কিন্তু বিল তুলতে গেলে হিসাব শাখা থেকে বলা হয়,অফিসের খরচ দিতে হবে ও উপরে যারা আসে তার এভাবে বিল দেয়, টাকা লাগে বিলের জন্য। সরাসরি বলে তারা আমাকে এবং টাকা না দিলে আমার ৪ টা ফাইলের মাঝে ১ টি হারিয়ে যাবে এটাও বলে।আমি বলি কত টাকা তারা বলে ১ লাখ টাকা। আমি কোন উপায় না পেয়ে বলি বিল করে দেন চেক হলে পরে টাকা দিমু কিন্তু তারা আমার ৪ টা বিলের মাঝে ৩ টির বিলের চেক করে দেয় এবং আমি বিল তুলে তাদেরকে ১ লাখ টাকা দেয় নাই তাই তার আমার বাকী ১ টা ফাইলের বিল করে দেয় নাই আর কত কত বাহানা ধরে ১ বছরের বেশি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে এক পযার্য়ে আমার ঐ বাকী ১ টা ফাইল মিসিং হয়ে গেসে।এটা ঘটে ডক্টর ইউনুসের আমলে....
অফিস প্রধান ঘুষ ছাড়া কোনো কিছু বুঝে না
ডাক্তার দেখাতে গিয়ে 500 টাকা ঘুষ