কাজের বিল
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিল উত্তলন করতে গেলে, ইঞ্জিয়ার সাহেব গন ৫% হারে ঘুষ ছাড়া ফাইল স্বাক্ষর করে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিল উত্তলন করতে গেলে, ইঞ্জিয়ার সাহেব গন ৫% হারে ঘুষ ছাড়া ফাইল স্বাক্ষর করে না
পাসপোর্ট সেবা নিতে গিয়ে নামে ভুল ধরে কিন্তু আমার নামে কোনো ভুল ছিলো না
ঔষধ প্রশাসন এর top to bottom সবাই দুর্নীতি বাজ
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য। আমি আরো কম দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু সেই সাত হাজারের নিচে নিতে রাজি হয়নি। উল্লেখ্য : আমার সব ধরনের ডকুমেন্ট ঠিকঠাক ছিল। সিটি কর্পোরেশনে চাহিদা অনুযায়ী সাবমিট করেছি তারপরও ঘুষ দিতে হয়েছে। জানিনা আমাদের এই দেশ থেকে কবে এই প্রথা বন্ধ হবে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন। আমিন।
বাইকের কাগজ জমাদানের সময় আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে। এই টাকা নাকি বাইকের কাগজ করার জন্য খরচ হয়। কোনো সমস্যা ছাড়া কাগজ রেডি করতে চাইলে টাকা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
আমি এক জন রুগি কে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে যাই ডাক্তার দেখানোর পরে রোগীকে ভর্তি করে দেয় এখন কোন সিট পাইনি বলে কেবিন খালি আছে কেবিন নিতে হবে কিন্তু কেবিনে ভাড়া অনেক তারা অনেক গরিব মানুষ ছিল অনেক চেষ্টার পরে একটি বেড ম্যানেজ করে দিবে বলছেন কিন্তু টাকা দিতে হবে।
নতুন বয়লার রেজিষ্ট্রেশন জন্য টাকা দাবি
আমার আইডি কার্ড সংশোধন করা দরকার হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সরকারি ফি লাগে এটা আমি জানি। তবে ওনি এটা করতে পারবেন না।ওনাকে করাতে হলে দশ হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে ওনি করে দিবেন।ওনি উপজেলা নির্বাচন কমিশনের অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান করছি।
২১/৮/২০২১ সালে বাগমারা প্রায় বিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে চাকরিতে যোগদান করে অনেকে, সেই চাকরি নিতে বড় এমাউন্টের ঘুষ দিতে হয়।তার পরে বেতন করতে গিয়ে ও বড় এমাউন্টের টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমার ইফা-তে চাকরি হয়েছিল। কিন্তু আমাকে এপয়েন্টমেন্ট লেটার দেওয়া হচ্ছে না। অতঃপর বেতনের সময় বেতন পেয়ে হচ্ছে না। যার কারণে দুই দুইবার (একবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারের জন্য, দ্বিতীয়বার বেতন চালুর জন্য টাকা দিতে হয়েছে।
সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চরম দূর্নীতিগ্রস্থ একটা অফিস। সেখানের বর্তমান অফিস সহকারী টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। টাকা দিলে আপনার সাথে খুব ভালো ব্যবহার করবে। না দিলে আপনার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করবেনা। টাকা দিলে এক সপ্তাহের কাজ পারলে একদিনে করে দিবে। আর টাকা না দিলে একদিনের কাজ একমাস লাগাবে। এখানে আর একটা উচ্চমান সহকারী ছিলো, বর্তমানে ক্যাশিয়ার পদে প্রমোশন পেয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেছে। সেও ছিলো আরো তিন ধাপ এগিয়ে। মৌলভীবাজারের শিক্ষকরা অচিরেই তার আসল চেহারা দেখতে পারবেন। যেগুলো বেশি টাকার কাজ সেক্ষেত্রে তারা শিক্ষা অফিসারের দোহাই দিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে থাকে। কর্মকর্তাগণ কতটুকু জড়িত তদন্ত করলেই সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।
আমি আমার শাশুড়ি জমি নামজারি করার জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু নাগ ডেমরা ইউনিয়নের তোশিলদার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে নামজারি খারিজ করে দেয় পরবর্তীতে আমি আবার আবেদন করি আবেদন করে আমার খালা শাশুড়ির ছেলের মাধ্যমে ৪০০০ টাকা দেওয়া হলে ৪০০০ টাকা নেওয়া সময় সে বলছে এই টাকাটা আগে দিলেই নামজারী এটা খারিজ হতো না খুব মজার বিষয় হলো নামজারিটি পরবর্তীতে মনজুর হয়েছে এই টাকার বলে টাকার শক্তিতে তো এভাবেই চলছে ভূমি অফিস সাঁথিয়া উপজেলার শুধু নাকডাঙ্গা ইউনিয়ন নয় প্রত্যেক তোহশিলদার সহ সারা বাংলাদেশের তোশিলদারের একই অবস্থা টাকা ছাড়া কোন নামজারীর প্রস্তাব ছাড়তে চায় না।,,,,,,,,,,,দুঃখের বিষয় হল আমিও একজন ভূমি অফিসের কর্মচারী আমার যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ পাবলিকের কি অবস্থা
আজ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবা নিতে গেলে। মাস্ক ছাড়া এন্ট্রি নেই বলে মাস্ক বিক্রি করা শুরু করে দিল ৩ টা মাস্ক যেখানে ১০ টাকা, সেখানে ১টা মাস্ক ১০ টাকা করে নিতেছিল আমরা যারা ছিলাম ৫ টাকা করে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা রাজি হয়নি। আর যারা মাস্ক ছাড়া ডাক্তারের চেম্বারে গেল তাদেরকে অরুচিকর কথায় ডাক্তার গালাগালি শুরু করে দিল। তাই আমি মাস্ক কিনে ডাক্তার দেখানোর পর পাস করে আরেকটা লোককে দিয়ে আসলাম। এখানে অনেক মানুষ ছিল যারা টাকা গননা করে নিয়ে এসেছিল।
তাদের দাবী ছিলো মোট উত্তোলন যোগ্য পেনশনের ৩০% পরিশোধ করা। পরবর্তীতে তাদের সাথে অনেক কথাবার্তা বলে ৮১০০০ টাকায় ফাইল প্রসেস করতে রাজি করিয়েছিলাম। তারা বলছিলেন তারা নাকি সচরাচর ফাইলের মূল্যের উপর ৩০% চার্জ করেন।
বাংলাদেশ আনসার এ চাকরি বিষয়ে জন প্রতি ৪,০০,০০০ লাখ টাকা করে দিতে বলে।
Land documents verification. Waiting 1 months. Only got answer in serial. want unnecessary documents. Then ask for 500/ to sub land officer-. Then verification was sent to AC Land office and got the service.
I tried to heba registration for my wife, they asked for 65000 take but I was not able to do that, finally they did for 35000 taka.
টাকা না দিলে এলপিসি পাঠাতে ৩/৪ মাস সময় লাগায় বেতন আটকে যায়
ইউনিয়, চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জন্য ঘুষ দিতে হয়। চান্দিনা পৌরসভা।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য ফর্ম এর সাথে আসল জন্ম নিবন্ধন দেখাতে হয় কিন্তু আমি সেটি নিতে ভুলে গিয়েছিলাম তাই ঘুষ দিতে হয়েছে।