Dhaka XEN
—, —, — সহ বেশির ভাগ সময় ওরা টাকা চায়, টাকা ছাড়া ওরা কিছু বুঝে না কেউ কিছু বলে না ঠিকাদাররা জিম্মি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
—, —, — সহ বেশির ভাগ সময় ওরা টাকা চায়, টাকা ছাড়া ওরা কিছু বুঝে না কেউ কিছু বলে না ঠিকাদাররা জিম্মি
Birth certificate correction around 2015, went there with my friend. We were asked to pay this amount. We paid 500 if I remember correctly.
অভিযোগ: পাসপোর্ট করতে হয়রানি ও অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি প্রথমবার নিজে অনলাইনে আবেদন করে শুধুমাত্র সরকারি নির্ধারিত ফি দিয়ে পাসপোর্ট করতে যাই। কিন্তু কোনো স্পষ্ট কারণ না জানিয়ে আমাকে ফেরত দেওয়া হয়। পরে বাধ্য হয়ে একজন দালালের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়। দালাল আমার কাছ থেকে ১৫,০০০ টাকা নেয় এবং এরপর আমার পাসপোর্টের কাজ সম্পন্ন হয়। আমার প্রশ্ন হলো—আমি যখন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করে সরকারি ফি পরিশোধ করেছিলাম, তখন আমাকে কেন কোনো কারণ ছাড়াই ফেরত দেওয়া হলো? এবং পরে দালালের মাধ্যমে একই কাজ করাতে কেন অতিরিক্ত ১৫,০০০ টাকা দিতে হলো? আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। সাধারণ মানুষ যেন পাসপোর্ট করতে গিয়ে হয়রানি বা দালালের
আমার একটা জমি খারিজ করতে দিয়েছি। ১ বছর ধরে ঘুরাইতেছে , ঘুষ দেই নাই দেখে করে দিচ্ছে না
আমাদের একটি নতুন ট্রেন লাইসেন্স বানাতে গিয়েছিলাম, 5800 টাকার ট্রেন লাইসেন্স আমার কাছে 11000 টাকা নিয়েছে। টাকা না দিলে লাইসেন্স হবেনা বা দিবেনা বলছে, বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হলো।
আমার বাবার মৃত্যুর সনদের জন্য উপজেলায় গিয়েছিলাম। তারা বলে তারা আমার বাড়িতে যাবে তদন্ত করার জন্য, উপজেলার একজন কর্মকর্তা একজন ডেকে এনে আমাকে বলে উনি যাবে তোমাদের বাড়িতে, পরে যাকে অ্যাপয়েন্ট করা হয়, উনি আমার থেকে ডিরেক্ট ঘুষ চায়(৳৫০০), পরে আমি দিতে বাধ্য হই। পরে যখন আবার সার্টিফিকেট আনতে যাই আবার ৳২০০ দাবি করে, পরে আবার দিতে হয়। মোট ৳৭০০ গুষ দিতে হয়েছিল।
একাউন্ট অফিসের অডিটর যে কোন বিলের ক্ষেত্রে ৫% টাকা দিতে হয়, যদি না দেওয়া হয় তাহলে বিল নিয়ে হয়রানি বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, শুধু আমার ক্ষেত্রেই ঘটেছে তা নয় বাংলাদেশের প্রত্যেকটা হিসাব রক্ষণ অফিসে এরকমভাবে কাজ করে, আর হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের সারা জীবন পরিশ্রম করে চাকরি জীবন শেষ করে, তারপর পেনশন পাওয়ার তার অধিকার অর্থাৎ তার জীবনের সাফল্যের অর্জিত টাকা পেনশন, কিন্তু এ পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী বা কর্মকর্তারা একতলা থেকে সাত তালায় যেতে হয় এক থেকে দুই বছর, এই বৃদ্ধ বয়সে সকলেই চায় তাদের জীবনটা সুন্দরভাবে কাটুক কিন্তু এই টাকা তুলতে গিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিসে ১% থেকে ৩% পর্যন্ত টাকা কেটে নেয় ওদের নিজস্ব তহবিলের যা সরকারের কোন নীতিমালায় লেখা নেই
তেজগাঁও ৭ রাস্তায় ট্রাফিক আমার গাড়ি ধরে রোদের কারণে আমি পিছনে কালো গ্লাস করেছি ঢাকা শহর ৯০% গাড়িতেই কালো গ্লাস করা আমাকে বলে ট্রাফিক সার্জন ১৫০০০ টাকার মামলা হবে কি করবে আমি বললাম স্যার এটা তো পারিবারিক পর্দার জন্য করা হয়েছে সে কোনভাবেই মানতে নারাজ বলে মামলা নিবেন নাকি করবেন পরে আমার থেকে ১৫০০ টাকা দাবি করে আমি এক হাজার টাকা দিয়ে ফিরে আসি সবচেয়ে দুঃখের বিষয় আমাদের বিআরটিএ সাবজেক্ট ট্রাফিক সাবজেক্ট এই সমস্ত অফিসগুলোতে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না
কাজী ফিরোজ, ৫ নং ওয়ার্ড, লক্ষ্মীপুর বাহ্যিকভাবে ভদ্র আচরণ করলেও মূলত সাধারণ মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন। আমার ভাইয়ের অনলাইন ম্যারেজ সার্টিফিকেট তোলার প্রয়োজন হলে আমার ভাবি নেওয়ার জন্য, আমরা তাঁর কাছে যাই। সরকারি নিয়মানুযায়ী ও অনলাইন সাইটগুলোর তথ্য অনুযায়ী এই প্রক্রিয়ায় খরচ খুব সামান্য বা নামমাত্র হওয়ার কথা। কিন্তু কাজী সাহেবের নির্দিষ্ট সিন্ডিকেট ও রেফারেন্স ছাড়া এই কাজ করা সম্ভব নয় এবং তিনি কোনো নিয়ম না মেনে সরাসরি ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা দাবি করেন। আমার ভাইয়ের পক্ষে ২০,০০০ টাকা দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কিন্তু বিদেশে স্ত্রী নেওয়ার প্রয়োজনের তাগিদে বাধ্য হয়েই আমাদের এই অতিরিক্ত টাকার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
জমি রেকর্ড করতে গেলে তাদের হয়রানি
সার্টিফিকেট দেয় না। অনেক কিছু বলে। পড়ে টাকা নিয়ে সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছে। আমাকে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
— রেস্টুরেন্টে ভ্যট দাবি করে ১৫০০০
এলজিইডি কুমিল্লা অফিসে কাজের বিল করতে ২ পারসেন্ট হারে টাকা না দিলে বিল করে না প্রত্যেক ঠিকাদারি ২% ছাড়ে দিতে হয় সঠিকভাবে তদন্ত করলে অফিসের সকলে দুর্নীতির সাথে জড়িত এক টেবিল কি আরেক টেবিলে স্যারের জন্য গেলে টাকা লাগে এবং কি ল্যাব এর মধ্যে টাকা ছাড়া কোন রিপোর্ট দেয় না এতো ভালোই কাজ করো তাদেরকে টাকা দিতে হয়।
সেকেন্ড অফিসার — চোর ধরতে টাকা চায়
খামার ঝাড়বাড়ি নতুনপাড়া দিনাজপুর সদরে সরকারি আশ্রয়ন কিছু ঘর দেওয়া হয় । এলাকার কিছু পাতি নেতা ঘর নির্মাণের সময় ঘর মালিকের কাছে ১-১০ হাজার টাকা মানুষের কাছে দাবি করে । তাদের মধ্যে —, — অন্যতম । এরা অন্যায় ভাবে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষের কাছে কৌশলে চাদা দাবি করে এবং মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে
২০১৬ সালের ঘটনা, আমাদের বিল্ডিং এর হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট করে একটা অংক দাবি করা হয়। বলা হয় এইটা না দিলে এসেস্মেন্ট অনেক বেশি আসবে। পরে প্রাক্কলিত এমাউন্ট যেন কম দেখনো হয় সেটার জন্য আমি ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ঘুষ দেই। আমি এই হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট প্রক্রিয়ার একটি সচ্ছতা দাবি করছি। আর দাবি করছি, সরকার যেন হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট প্রক্রিয়া এবং হোল্ডিং ট্যাক্স সংগ্রহ পুরোটাই অনলাইনে করা হয় তাতে করে আন্ডার টেবল লেনদেন বা ঘুষ আদান প্রদান বন্ধ হবে।
বগুড়া র ওসির প্রাইভেট কার এ আমার মটর সাইকেল লাগার কারনে আমাকে আক্কেলপুর থানার ওসির হাতে তুলে দেয় আমার মটরসাইকেল সহ আর বগুড়া থানার ওসি বলে আক্কেলপুর এর ওসি আমার ক্লাসমেট এই বলে আমার থেকে ১০০০০ হাজার টাকা ঘুস চায় আর ভয় দেখায় জে তোর নামে মামলা দিবো তোকে জেলে চালান দিবো এর কারণে বাদ্য হয়ে ঘুস দেওয়ার সাথে সাথে আমাকে ছেড়ে দেয় এবং আদর করে মোটরসাইকেল ফেরত দেয়। আক্কেলপুর থানার ওসি ও, এ এস আই, ও বগুড়া থানার ওসি তিন জন আমার উপড় অনেক জুলুম করে আল্লাহ তাদের মান হানি করবে ইন সা আল্লাহ তাদের লাস জেনো শিয়াল কুকুর খায়, (ধন্যবাদ) তারিখ ২৬/০৮/২০২৬
২০২২ সালে ছোট বোনকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিলনা,ফতুল্লা থানায় জিডি করেছি,সেখানে কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় সাইনবোর্ড পিবি আই এর সরনাপন্ন হই,সেখান থেকে এস আই — ১৫০০০ অফিসিয়াল চার্জ এবং আরও ৫০০০ গাড়ি ভাড়া বাবদ দাবি করে।একনপর্যায় তা পরিশোধের প্রেক্ষিতে তিনি তদন্তে নামেন।এবং নিখোঁজ বোনকে উদ্ধার করেন।উদ্ধার পরবর্তীতে নারী পুলিশ সহকর্মীর নাস্তা বাবদ আরো ১৫০০ টাকা দাবি করেন।এবং এক পর্যায়ে তা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
সরকারি হেবা দলিল এর নির্ধারিত ফি 1800 থেকে 2500 টাকা। কিন্তু রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে ভিন্ন চিত্র। কেউ বলে 15, কেউ 14,12 হাজার টাকা। যখন আমি জিজ্ঞেস করি সরকারি ফি এতো বেশি না, তখন বলে যে প্রত্যেক পদে পদে অফিসারেরা টাকা খায় তাই বেশি। এমনকী সকল কাজ করতে যাওয়ার পরও একটা শীল নাকি কি দেয় ঐখানে বসেও চা খাওয়ার টাকা দিতে হয়। জনগণ কখন জাগবে? সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন এইসব খাতে এতো অনিয়ম কেনো? জমির সকল ধরনের কাজে পদে পদে ঘুষ এবং বাড়তি টাকা কেনো দিতে হয়???
আসলো একজন মানুষ সবচেয়ে বড় অসহায় চিকিৎসা সেবা নিতে যায় যখন আমি তার একজন সামান্য উদাধারন।আমার বাবাকে নিয়ে শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রাত ১১ টাই ভর্তি হই।শুরু হলো ট্রলি ম্যানদের ধান্দা ভর্তি করার পর রসি এ সব লেখা আসে উপর বেডে রেখে আসবে ট্রলি। তারপর ও সেই ট্রলি ম্যান ৫০০ টাকা দাবি করে বলে নাকি এটা সবাই দেয় বকসিস। তারপর থেকে বিভিন্ন পরিক্ষার করার জন্য নিচে নিয়ে যাওয়া আসার বকসিস ২০০/-৩০০/- নিয়ে থাকে। রোগীর চিকিৎসা দিকে তেমন কোন ফোকাস নাহ থাকলেও ২০০/- টাকা কোথায় ধান্দা হবে সেই দিকে সবার ফোকাস। যানি এখানে এই গুলো লিখে মনকে শান্তনা দেওয়া সারা কিছুই হবে বলে আমার মনে হয় নাহ। যাই হোক যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। হাসপাতালে পরিবেশ ফেরাতে গেলেঅবশ্যই মেড প্রশাসনকে এই বিষয়গুলো তদরকি হব