name correction
govt officer under the table
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
govt officer under the table
ধরুন আপনি প্রত্যেকদিন বিজ্ঞ আদালতে কোন মামলার সহিমোহর নকল তুলবেন তখন আপনাকে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হবেই অন্যথায় আপনি সহিমোহর নকল তুলতে পারবেন না
ভুমি দর খাজনা প্রদান করতে গিয়েছিলাম। তিনটি জায়গার খাজনা। আমার কাছে 3000 চেয়েছে। আমি বলেছি, আগে খজনার অনুমতি দিন, আমি একহাজার দিব। তিনি ঠিক করে দিলেন। কিন্তু আমি টাকা দেই নি। তিনটি জায়গায়তে খাজনা এসেছে 6600 টাকা।
আমার বাবা হেবা আইনের মাধ্যমে আমাদের তিন ভাইকে মাটি লিখে দেয়। আমার বাবা আজীবন করদিয়া আসছে। এখন যখন জমি খারিজ করতে যাই নিজের নামে তখন ভূমি অফিস অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা চাই। উনাদের ভাষ্যমতে এই জমির মালিক হিন্দু ছিল এখন আমরা নির্যাতন করছি কিনা তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে। এই মাটিটা আমার বাবা যার কাছে কিনছে সেও ছিল মুসলমান এবং উনি যার কাছে কিনছে সেও ছিল মুসলমান। আমার বাবা আনুমানিক 1995 সালে এই মাটি কিনে এবং খাজনা দেয়। এখন ভূমি অফিস হিন্দুদের মাটি বলে ভয় দেখিয়ে খারিজ হতে দিবা না এই মর্মে দশ হাজার টাকা দাবি করে। আমার খারিজ একটু জরুরী ছিল বিধায় ১০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে নিরুপায় হয়ে। ভূমি অফিসে দৌরাত্ম অনেক বেশি।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বগুড়ার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ডাক পড়ল। বাবা পকেটে ৫০০ টাকার দুইটা নোট দিয়ে বলেছিল, “চাইলে দিস, একটায় না হলে দুইটা।” উনি কাগজপত্র দেখার সময় গল্প করতে গিয়ে জানলাম, উনি আমার চেয়ে ২-৩ বছরের সিনিয়র, EEE পড়েছেন। আমি বললাম, “আপনি তো আমার বড়ভাই!” ভাবলাম, বড়ভাই বলার পর অন্তত লজ্জায় টাকা চাইবেন না। কাজ শেষ। মনে মনে বললাম, যাক, বেঁচে গেলাম। ঠিক তখনই উনি হাত বাড়িয়ে বললেন, “৫০০ টাকা দেন।” উনার নির্লজ্জ মুখের দিকে তাকিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে চলে আসলাম। বাবা ঠিকই বলেছিল।
আমার ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করার জন্য ৬০০০০হাজার টাকা দাবি করেছিল । এর কম হলে লয়ার রাজি হচ্ছে না কারণ ঘুষ ছাড়া সাব রেজিস্ট্রি কাজ করে না।পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ৫০০০০হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে আমার ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করতে হয়েছিল । ভুমি, সাব রেজিস্ট্রি, সিটি কর্পোরেশন এইসব জায়গায় সব দুর্নীতিবাজ লোকজনের আড্ডাখানা ।
আমার বাবা পাবলিক হেলথে চাকুরী করতো।বাবা চাকুরী অবস্থায়ই মারা যায়।বাবা চাকুরী করতো সিলেট হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলায়। তো এই পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে সীমাহীন হয়রানির মুখোমুখি হইছি।সিলেট বিভাগের পাবলিক হেলথ অফিসে আমরা ছয়-সাত বার চার ভাইবোন ও আমার মা গিয়েছি। টাকা দেড় লাখ আগেই দিয়ে দিছি তাও কাগজ পত্র ওকে করে নাই।একটা মহিলা অফিসার ছিলো আল্লাহ ওনাকে হেদায়েত করুক।ওনার মত জঘন্য মানুষ আমি দেখি নাই। টাকা দেড় লাখ দিছি এবং কুমিল্লা থেকে ছয় সাত বার সিলেট গিয়েছি আমাদের পুরো পরিবার।এভাবেও আমরা ভালো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।যখনই সিলেট গিয়েছি ১৫থেকে ১৬হাজার টাকা খরচ হয়ে যেত।
চটগ্রাম, বালুছড়া বি আর টি এ অফিসে ফিটনেস নবায়নের জন্য সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত ৪০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হই। অন্যথায় বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে ফিটনেস সনদ দেই না। তারা নির্দিষ্ট দালালের মাধ্যমেই ঘুষ নেই। অফিসাররা খুব চালাক নিজেরা সরাসরি ঘুষ নেই না।
আমার ফোনটি হারিয়ে যায় এবং আমি একটি ফ্রি করে এবং ফোনটি পাওয়া যায় তো ফোনটি ফেরত দেওয়ার জন্য পুলিশ আমার থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করে তো আমি ফোনটি আনিওনি আর তাকে টাকাও দেইনি এমনিতে আমি শুনেছি যে পুলিশ ফোনের জন্য চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে থাকে কোন উদ্ধার করার জন্য কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে মুখোমুখি হইলাম পুলিশের সংস্কার বলতে শুধু পোশাকি পরিবর্তন হইছে বাংলাদেশে কোটি কোটি পোলাপান বেকার চাকরি পাচ্ছে না কিন্তু এইসব পুলিশ দের রেখে বাংলাদেশ সরকার কি প্রমাণ করতে চাচ্ছে আমার বুঝে আসছে না আমার মন চায় এই দেশ থেকে চলে যেতে
যে ভূমির উপর ভবন নির্মাণ হবে তার উপজেলা ভূমি অফিস থেকে সার্ভে টিমের মাধ্যমে সার্ভেইং করাতে হয়।ঘটনাটি গত দু'মাস পূর্বে এই মর্মে উপজেলা এল জি ইডি অফিস থেকে উপজেলা প্ল্যানের এপ্রোবাল এর প্রয়োজনে সীতাকুণ্ড উপজেলা ভূমি অফিসে সার্ভে রিপোর্টের জন্য আবেদন করি, সার্ভেয়াররা আবেদনে প্রেক্ষিতে প্রায় এক সপ্তাহ পরে ভূমির স্থলে যায় এবং আরো এক সপ্তাহ পরে রিপোর্ট তৈরি করে প্রতিবেদন আকারে এসিল্যান্ড অফিসে পাঠায় যার জন্য ৫০০০/- টাকা নগদ আদায় করে। পরবর্তীতে এসিল্যান্ডের সহ কর্মকর্তা দালাল মারফতে ২৫০০০/- টাকা দাবি করে আমরা নিরুপায় হয়ে ২০০০০/- টাকায় এসিল্যান্ডের সাইন নিতে পেরেছি। এভাবে নিয়মিত ল্যান্ড ক্লিয়ারেন্স রিপোর্টের নামে এই রিপোর্ট পেতে ভূমি মালিকদের ঘাম ছুটে যাচ্ছে।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী অফিসার — সে সরাসরি মাটির ব্যবসার সাথে জড়িত সে সকল মাটি ব্যবসায়ীদের থেকে ফিফটি পার্সেন্ট ঘুষ দাবি করেন এছাড়াও পৌরসভার বিভিন্ন টেন্ডারবাজি কাজে লিপ্ত গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।
আমার বাবা শেরপুর উপজেলার একটি সমবায় সমিতির সভাপতি । বাবা অসুস্থ থাকায় সমিতির সম্পাদক এর সাথে আমাকে উপজেলায় পাঠায় যে, সমিতির ৩ বছর পরপর ভোট করতে হয় । ব্যবস্থাপনা কমিটির জন্য । আমি যাওয়ার পর ভোট করিয়ে দেওয়ার জন্য সমবায় অফিসার ৩০ হাজার টাকা দাবি করে । অন্যথায় ভোট না হইলো আমাদের এলকার সমিতি বাতিল হয়ে যাবে বলে হুমকি দেয় । কোন উপায় না পেয়ে আমরা অফিসের অন্য মহিলা স্টাফ নতুন জয়েনিং এর কাছে যায় , গিয়ে তারপর সব খুলে বলি , তিনি অফিসার এর কাছে গিয়ে কথা বলে পরে আমাদের জানায় ১৫ হাজার দিলে কাজ করে দিবে । পরে বিষয়টি বাবাকে জানালে , বাবা বলে একটু খরচ হয় সর্বোচ্চ তা ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা এত টাকা কেমনে ? পরে বিষয়টি আমরা এলাকায় জানানোর পরে মিটিং করে সিদ্ধান্ত হয় সভাপতি অসুস্থ আপাতত এটা করে নেওয়া যাক ।
নতুন বাইকের রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার করার জন্য, সরকারি ফি জমা দিয়ে কাগজপত্র নিয়ে বিআরটি অফিসে জমা দিলে, নানান অযুহাতে ঘুষ হিসেবে 3500 টাকা দাবি করা হয়, ফাইলে সমস্যা আছে বলে হয়রানি করা হচ্ছে।
ট্রেড লাইসেন্স করার সময় যাবতীয় সকল প্রকার কাগজ দেয়ার পরেও,আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত চা বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করা হয়। ট্রেড লাইসেন্সটা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিধায় আমি এই টাকা দিয়ে দেই।
প্রতি বছর গ্রাম পুলিশকে দিয়ে বাড়ির খাজনা দিয়ে থাকি। কিন্তু এইবার ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার পর শুনি আমাদের বাড়ির খাজনা পরিশোধ করা হয়নি। পরে গ্রাম পুলিশ আমাদের কাছে দুই হাজার টাকা দাবি করে বলে, নতুনভাবে বাড়ির ট্যাক্স টোকেন করে দিবে। পরে তাকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।
NID কার্ড এ বাবার নাম এ এক্টু বানান ভুল আসছে , সব ডকমেন্ট ঠিক থাকার পরেউ প্রায় ২ বছর টাকা না দেওয়ায় এখনো পেইন্ডিং এ রেখে দিয়েছে । বলা হয়েছিলো টাকা দিলে ২৪ ঘন্টায় হবে নাহলে রেগুলার প্রসেসে করা হবে
পল্লীবিদ্যুত অফিসে নতুন বাড়ির পাশে বিদ্যুৎ এর খুটির জন্য আবেদন করি গত ডিসেম্বর, ২০২৫ এ। প্রথমে প্রাথমিক অনুসন্ধানে একজন আসে, সব ঠিক পেয়ে বলে কাজটা আপনে করবেন না আমি করাই দিবো? করালে ৫০,০০০ টাকা দিতে হবে, আমি নাকি পারবো এসব বলে। আমি মানা করি। বলি নিজেই করবো। উনি চলে যান। পরে অনেকদিন পর জানতে পারি উনি কোনো ইন্সপেকশন রিপোর্ট জমা দেননি এবং আমার আবেদনের কপি অফিসে নেই। উনার বাসায়। উনাকে কল করেছি পরে দিয়ে গেছে অফিসে৷ এভাবে একই প্রাথমিক ইন্সপেকশন হয় ৪ বার। প্রতিবার একই ঘটনা। চতুর্থবার একজন এজিএম কে অনুরোধ করলে উনি বলে দেয়ায়, রিপোর্টটা দেয়। এভাবে প্রতি ধাপ এগিয়েছি৷ আজ প্রায় ৮ মাস৷ বাড়ি করে রেখে দিয়েছি। বিদ্যুৎ এর কানেকশন আর নিতে পারলাম না।
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে লাইনে দাঁড়িয়ে বহিঃবিভাগ এর ১০ টাকায় টিকিট কাটার পরে ডাক্তার চেম্বারের বাইরে হাসপাতালের কিছু কর্মচারী ও স্টাফ থাকে যারা রোগী চেম্বারে প্রবেশে সাহায্য করে। ডাক্তার দেখিয়ে বের হবার সময় তারা ডাক্তারের দেয়া টেস্ট গুলো ওই হাসপাতালে কম খরচে করার বদলে বাইরের নিম্নমানের ক্লিনিকে করতে বলে এবং ওই স্টাফ গুলো ওইসব ক্লিনিকের অনেক দালালের হাতে ওই স্লিপ ধপ্রিয়ে দেয়। বলে নাকি দ্রুত হবে। এভাবে অনেকের থেকে কমিশন বানিজ্য করে আসছে। প্রত্যাখ্যান করলে এসব স্বল্পশিক্ষিত স্টাফগন অসৌজন্যমূলক আচরণ করে নিয়মিত।
কক্সবাজার ভ্যাট অফিস প্রতি মাসে হোটেল রেস্টুরেন্ট দোকান থেকে সরকারি চালান কতৃক ভ্যাট ব্যাতিত অফিসার দের নির্ধারিত ঘুষের টাকা প্রদান করতে হয় প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে এ প্রতিষ্ঠানের মালিক এর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে হয়রানি আরম্ভ করে এবং একজন উদ্যোক্তা কে মানসিকভাবে খুব বেশি প্রেশার দিয়ে থাকে তাদের জন্য ব্যবসা পরিচালনা করা খুবই কষ্ট।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে সরকারী চাকরিতে যোগদানের কাগজ দেওয়ার সময় মেডিকেল সনদ নিতে গেলে সেখানকার কর্মচারী ঘুষ দাবি করে এবং সবাই সেই টাকা দিতে বাধ্য হয়।