বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালে ওয়ার্ড বয়
হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়।
ইউনিয়ন ভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা হসপিটাল গুলোতে দারুন টাকার বাণিজ্য চলে। ভিজিটর সরকারি ডিউটি সময় রুগীর থেকে জন প্রতি ২০০ /৩০০ টাকা নেয়, মাতৃ কালীন ফর্ম বাবদ ৫০০ টাকা , ভিজিটারের যে ল্যাব শেয়ার আছে ঐ ল্যাবে টেষ্ট করতে হবে, না হয় রিপোর্ট দেখবেন না। ব্লাড প্রেসার চেক করলে ১০০ টাকা। ১৩ নং দিঘলী ইউনিয়নের ঘটনা।
এক ব্যক্তি জমি বিক্রি করার পরেও সে আবার নিজের নামে জালিয়াতি করে নামজারি করে বিক্রি করার পাঁয়তারা করছে। তারপর আমি ভুক্তভোগী নামজারি বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়। আমার দলিলের নথিপত্র-যাচাই বাছাই করার পর ভুক্তভোগীর সঠিক হওয়ার পরও রায় দিচ্ছেনা টাকার জন্য। প্রথমে ৮০ হাজার টাকা চায় তারপর আমি দিতে রাজি না হওয়ার কারনে পরে ৪০হাজার টাকা দাবি করে
ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করার জন্য ইউনিয়ন সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি জানান,দুইজন উদ্যোক্তা আছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য, ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তাদের কাজ হচ্ছে,সেবা প্রার্থীদের সরকার নির্ধারিত ফির মাধ্যমে (সর্বোচ্চ ৫০ টাকা) সেবা গ্রহীতাদের অনলাইন আবেদন করে দেওয়া কিন্তু উদ্যোক্তারা সেটা না করে সরাসরি সেবা গ্রহিতাকে বলছেন ট্রেড লাইসেন্স করতে ২০০০টাকা লাগবে এবং আমি যেসব কাগজের কথা বলবো সেগুলো আমাকে দিতে হবে, তার মানে চুক্তি নিচ্ছেন, অথচ সাধারন একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে সরকারি খরচ ৭৫০-৯০০টাকা, বাকি ১০০০ টাকা উদ্যোক্তারা ঘুষ হিসেবে নিচ্ছেন।
নতুন চাকরীতে বেতন আইবাসে এন্ট্রি দিতে গেলে সব কিছু করে দেয়ার আশ্বাসে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা চায় যা আমার এক মাসের বেতনের সমান। পরে আমি তা প্রত্যাখ্যান করে চলি আসি পরে সামান্য টাকা ৩০০০ দিয়ে কাজ করাই। জেলা হিসাব রক্ষন অফিস, ঘুষ দাবির অফিসাসের পদবী অডিটর
ইমারজেন্সি পাসপোর্ট লাগবে তাই আবেদন করেছিলাম পেমেন্ট করেছি ১০ হাজার ৫০০ না হওয়ায় ৬০০০ হাজার টাকা দিয়ে একদিনে পাসপোর্ট বের করেছি
পুলিশ তদন্ত এর জন্য আস্তে চাই না।কোট থেকে তাকদের তদন্ত এর জন্য আদেশ দিলে ও পুলিশ আসে না তাদের সাথে যোগাযোগ করলে বলে টাকা দিলে আসবে তখন টাকা দিতে বাধ্য হয়
স্থানীয় দালাল ও দলিল লেখকের প্ররোচনায় জমির শ্রেনি বদল করে মৌজা দরে রেজিঃ করার জন্য চুক্তি করে ৩৫০০০ টাকা গ্রহন করে। জমির আসল দাম ১২৭০০০০ টাকা। মৌজা দরে ছিলো ২০০০০০ টাকা। দালাল দালালি বাবদ নগদ ৭০০০০ নিলো । জমি দলিলে দাম ২০০০০০ দেখাইয়া আমার টাকা ঝূঁকিপূর্ণ করে দিলো । পরে প্রিয়েমশন বা অগ্রক্রয় মামলা করে একতরফা রায় নিয়ে জরুরি ভাবে নামজারি করে ২৫০০০০০ টাকা মূল্য হিসাবে বিক্রি দলিল করে । দালাল, দলিল লেখক, সাব রেজিস্ট্রার এর লোকজন, উকিল, জরুরি ভিত্তিতে নামজারি করতে ডিসি অফিসের অনুমোদনে ডিসি অফিসের লোকজন ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, পেশকারের মাধ্যমে জজ, পেশকার , সমন জারি গোপন করতে নাজির, মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার জন্য তিনজন স্বাক্ষী, যোগসাজশী জবাব দিতে আরো লোক সকলে দশ লাখ খায় ।
লাইসেন্সের নবায়নের জন্য আবেদন করেছি, সে বলছে ভলিউম খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, ৩৩০০৳ দিলে নাকি আমার কাজ হবে। ৩হাজার বড় স্যার নেয়, আর ৩০০৳ সে খুঁজবে তার জন্য তার চায়ের খরচ
জিপিএ ফান্ডখোলা নিয়ে বলেছিল যে দেরি।হবে ওয়েট করতে হবে।তারা অনেক গড়িমসি করছিল। তাই আগে যারা জিপিএফ ফান্ড খুলেছিল তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা বলেছে টাকা দিলে আপনাদের কাজ করে দিবে। তাই বাধ্য হয়ে ৮০০ টাকা তাকে দিয়েছিলাম যাতে করে আমাদেরকে কষ্ট করে আর শিক্ষা অফিসে যেতে না হয়। কারণ আমাদের যাতায়াতে খরচ হয়ে যায় ১০০ টাকার বেশি সেখানে আমরা আটজন শিক্ষক ১০০ করে ৮০০ টাকা দিয়েছিলাম জিপিএফ ফান্ড খোলার জন্য। এছাড়া শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা পাবার জন্য আমরা ১০০ টাকা করে দিয়েছিলাম 63 জন শিক্ষক। এভাবে শিক্ষা অফিসে যেকোনো কাজ করতে যাক না কেন কম্পিউটার অপারেটর যারা আছে তারা বিভিন্নভাবে টাকা আদায় করে থাকে। এগুলো থেকে আমরা প্রতিকার চাই।
Mutation korte Taka chay. Taka cara kno kaj hoy na.
অনলাইন জুয়া সাইট। আমাদেরকে মোবাইল সার্চ করে কোন কিছু না পেয়ে তারপরও প্রত্যেকে ২ লক্ষ করে মোট সাতজনে ১৪ লক্ষ টাকা দাবি করে লালগোলা জেলা ডিবি অফিস
একটি দশ শতক জমি খারিজ করতে ১০০০০ টাকা দাবি করে
সবাই আনুরোধ করে পোস্টমটাম না করার জন্য পরে আফিসার টাকা দাবি করে
সর্বপ্রথম আব্বু আম্মু ডিজিটাল জরিপের জন্য গেলে তাদেরকে তাদের সামনের কম্পউটার দোকানে পাঠানো হয়। সেখানে সব কাগজ নিয়ে আসতে বলে। আমি নিয়ে গেলাম। সে নাম মিউটেশনের আবেদন করতে ৫০০ টাকা চাইল। ৩/৪ দিন পর মামলা নাম্বার এল। আমি গেলাম, দোকানে ৫০০ দিলাম আর সে আমার ফাইল আমার হাতে দিল। ফাইলে সবই ছিল জমির ভায়া দলিল, নিজের দলিল, পুরাণ মিউটেশন । তো যখন ভুমি অফিসে জমা দিতে গেলাম সেখানে আমার কাছে আসল দলিল চাওয়া হল , সেটা ছাড়া নাকি আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। কোন সমাধান দিল না তারা। দোকানদারকে গিয়ে ধরলাম সে বলল, এগুলো কিছুই লাগে টাকা দিলে।দোকানদারের শুরুর থেকে প্লান ছিল আমাদের সাথে ডিল করবে। আমি ভুমি অফিসের পিওনের কাছে বলার পর সে বলল খরচা পাতি দিলে কাজ হয়ে যাবে। কত? হিসাব করে ২৫০০০ বলল। আব্বুর জমির মালিক তিনি একাই।
Our three factories fire license renewal. Warehouse inspector demand 20000 tk. After negotiated we paid 110000 tk for three factories renewal fire license.
phone number baktir office Shohokari
আমি যখন অফিসে যাই এবং লাইসেন্স নবায়নের কথা বলি তখন ওখানে কর্মকর্তা তার বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলা আলমগাত থানা এটা করে দাবি করে
Even after submitting all legal documents, sp was keep saying some issues still there. Later had to settle with 5k
আমার শাশুড়ি পরিবার পরিকল্পনা তে চাকুরী করতো তিনি 2023 সালে স্বেচ্ছায় অবসর নেন। একাউন্ট অফিসের ভাষ্যমতে তাহার সার্ভিস বুকে নাকি একজন অফিসার এর স্বাক্ষর বাদ আছে তার স্বাক্ষর দেয়া লাগবে।সেই অফিসার হয়তো মৃত। স্বাক্ষর না আনতে পারলে 120000 দিতে হবে। না হয় পেনশনের টাকা পেতে লেট হবে।কবে পাবো তাও বলতে পারে না একাউন্ট অফিস।বাধ্য হয়ে 100000 দিছি।