পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ
আমার বড় ভাই, পুলিশ কনস্টেবল পদে চুরান্ত মেডিকেল বাদ দেওয়া হয়। বলা হয় টাকা আনছেন। খাতায় দেখা হয় নাম আছে কিনা। টাকা অভাবে যুগ্যতা থাকার পরেও চাকরি পাইনি আমার বড় ভাই। অথচ ৪০ কেজি বডি নিয়ে ৫.৪" এসব ছেলে টাকা দিয়ে চাকরি করতেছে।।স
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বড় ভাই, পুলিশ কনস্টেবল পদে চুরান্ত মেডিকেল বাদ দেওয়া হয়। বলা হয় টাকা আনছেন। খাতায় দেখা হয় নাম আছে কিনা। টাকা অভাবে যুগ্যতা থাকার পরেও চাকরি পাইনি আমার বড় ভাই। অথচ ৪০ কেজি বডি নিয়ে ৫.৪" এসব ছেলে টাকা দিয়ে চাকরি করতেছে।।স
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,মাগুরা তে আমার নামের বানান ভূল সংশোধন এ যাই। ওখানকার লাল দাড়িওয়ালা এক মুরব্বি আমার দিকে এগিয়ে আসে এবং জিজ্ঞেস করে, কি সমস্যা। আমি তাকে জানানোর পর তিনি বলেন, এইটা তো কঠিণ বিষয়। যাইহোক তুমি ৭ হাজার টাকা দিয়ো, আমি স্যারকে বলে করায় দিবানে। এদিকে উপরে যাইতে গেলে আনসার সদস্যগণ বাধা দেন।পরে জানতে পারি লাল দাড়িওয়ালা ব্যক্তি ওখানকার অফিস সহায়ক। ওনাকে দিয়ে কাজটা জরুরিভাবে ঘুস দিয়ে করাতে বাধ্য হয়🥹
They are finds lots off error and i try to solve the issue again and again. But they didnt accept my document. But when i pay the ghush amount then automatic solve all the problem and errors. I did not meet with any gov person. They contact me via Muhuri —.
মূল ভলিউমে সাবরেজিস্ট্রারের সহি নেই অজুহাতে।দলিল সম্পাদন 1972 সাল
দেনমোহর পরিশোধের প্রথম কিস্তিতে বলা হয়েছে, ম্যাডামকে দিয়ে শুধু কাজ করান,সম্মানি দিবেন না। তারপর প্রতি কিস্তিতে ৫০০/- দিতে হয়েছিলো এবং ৪ কিস্তিকে ৬ মাস টানা হয়েছে, প্রতিপক্ষকে নূন্যতম নির্দেশনা দেয়া হয়নি।
I had a previous passport that had expired, Later, when I applied passport renewal at the bogra passport office, they were not taking my documents. they were making me stand in a long line and long time. Later i came out disappointed and some one offered me that if you give me 2000 taka, I will help you to deposit your passport file. I agred and give them 1500 taka.
আমি একটা জমি নামজারি করতে গিয়েছিলাম , সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার সত্বেও, সে ভূমি উন্নয়ন কর এবং নামজারি প্রস্তাব দেওয়ার জন্য, ঘুষ দাবি করে থাকে। এবং সকলে কাজের জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা নিয়ে যাচ্ছেন। ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা, সে দিলপাশার ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা, উপজেলা ভাঙ্গুড়া, জেলা পাবনা।
খারিজ ভূমি কমিশনার মহোদয় অনুমোদন দিলেও পলাশবাড়ী ভূমি অফিসের ক্যাশিয়ার ৫০০ টাকা না দেয়া পর্যন্ত খতিয়ান নম্বর দেননি।শেষে ৫/৭ দিন পর ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
একটি বাদ পড়া টাইম স্কেল বকেয়াসহ প্রদানের ব্যবস্থা করবেন, যা আমার সঠিক প্রাপ্য ছিল। অন্যথায় বর্তমান অবস্থায় পেনশন ও আনুতোষিক দিবেন। আর তাতে চার পাঁচ লাখ টাকা বঞ্চিত হতাম।
আমি জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে চাই সেখানে শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজ চাই কিন্তু সেটা আমার নাই আমরা কুমিল্লার কিছু তো এটা কোন শিক্ষাগত যোগ্য সার্টিফিকেট নাই তারপরে তারা বলছে একটা ডাক্তারের এমবিবিএস ডাক্তারের সার্টিফিকেট লাগবে এটার জন্য পনেরশো টাকা দিতে হবে
ধানমন্ডি গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে একটি সেলফিশন নেয়ার জন্য রিপোর্ট প্রয়োজন হয় সেই রিপোর্ট করাইতে গেলে আমার কাছে এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করা হয় এবং আমি তাহা পরিশোধ করতে বাধ্য হই অন্যথায় আমার কাজ কোনোভাবেই তারা করে দিবে না বলে অঙ্গীকার করে অবশেষে আমি সেই টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
ইপাসপোর্ট আবেদনের পর অফিসে গিয়ে জমা দিতে হয় লম্বা একটি লাইনের ঝামেলা ফেস করে। সেটার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখলাম লাইনের সামনে দিয়ে লাইন অমান্য করে পেছন থেকে লোকদের এনে টাকার বিনিময়ে ভিতরে প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে এতে লাইনে থাকা লোকদের ভোগান্তির শেষ নাই। সেখানে পুলিশের একজন সাব ইন্সপেক্টর থাকার পরেও ভিতরের অফিসারদের সাথে লিয়াজু করে একটি দালাল চক্র টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট জমা ও পাইয়ে দেওয়ার কাজ করছে যা জনসাধারণের ভোগান্তির অন্যতম কারণ।
UP (Utilization Permission) অনুমোদনের জন্য নির্ধারিত সরকারি/অফিসিয়াল ফি ছাড়াও প্রতিটি স্বাক্ষরের জন্য টাকা দিতে হয়। ১টি UP-তে ৪টি স্বাক্ষর লাগে। প্রতিটি টেবিল/স্বাক্ষরের জন্য আলাদা টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখ, স্বাক্ষর না করার এই অর্থপ্রদান নিয়মিতভাবে হচ্ছ টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য নিয়মিত অনলাইনে ইউটিলাইজেশন পারমিশন (UP) সাবমিট করতে হয়। কিন্তু ঘুষ না দিলে ফাইল সাইন করে না। ১ UP-এর জন্য ৪টি সাইন লাগে। প্রতিটি টেবিলে প্রতিটি সাইনের জন্য টাকা দিতে হয়। সবাই নিয়মিত দিচ্ছে। কেউ প্রতিবাদ করে না। ১টি অডিট কমপ্লিট করার জন্য ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা নেয়।
নামজারি করার জন্য আমার থেকে অতিরিক্ত ৬৮০০ টাকা নেয়া হয় সরকারি ফ্রি হল ১১৭০ টাকা আমি টোটাল দিইআট হাজার টাকা
বদলির জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরে গিয়েছিলাম ওখানে অনেক দালাল আবেদন করলে কোন জবাব পাওয়া যায় না, কোন খবর থাকে না এবং কিছু অফিসেরই লোকজন আছে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করিয়ে দেয় এবং বদলি হয়ে যায়। এক অফিস সহায়ক আমাকে এক লোকের সাথে দেখা করে দিয়েছে ১২০০০০ টাকা চাইছে বদলিতে করিয়ে দেওয়ার জন্য আমি দেইনি যার কারণে আমার বদলি হয়নি। কিন্তু আমার পরিচিত অনেকেই টাকা দিয়েই বদলি করেছে।
আমি তাদের কাছে গিয়ে ছিলাম ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কে জানতে এবং কত টাকা খরচ হয় এ বিষয়ে ধারণা নিতে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর তারা আমার কাছ থেকে সরকারি খরচের থেকেও 10 হাজার টাকা খরচ বেশি চাই।আমি দিতে অস্বীকার করাতে তারা আমাকে ওখান থেকে বের করে দেয়। এই সকল পিছনে হেল্প টেক্সট একজন থাকে সে পরিচালনা করে। তার নাম —
আমি ও আমার আত্নীয় স্বজনের বিএস কিংবা নামজারি খতিয়ানে থাকা জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে গেলে অনলাইনে আবেদন অনুমোদন না দিয়ে আটকিয়ে রাখে। অথচ নিয়ম ৪৮ ঘন্টার মধ্যে অনুমোদন কিংবা কারণসহ জানিয়ে বাতিল। কিন্তু আবেদন মাসের পর মাস অপেক্ষমাণ রেখে আটকিয়ে রাখা হচ্ছে। পরে ফেসবুকে একটি জমি সংক্রান্ত গ্রুপে এই ব্যাপারে সাহায্য চাইলে তহশীল অফিসে যোগাযোগ করতে বলে। ঐখানে গেলে ৫০০-১০০০ টাকার বিনিময়ে প্রতিবার আবেদন অনুমোদন করে। টাকা দিলে অফিসে বসে আবেদন করে অফিসেই অনুমোদন দিয়ে দেই। এভাবে আমার থেকে প্রায় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে। এছাড়াও নামজারি করার সময় প্রত্যেকটি ধাপে কানুনগো,তহশীলদার, এসি ল্যান্ড অফিসে টাকা দেয়া লাগছিল অথচ সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা। তাদের টাকা না দিলে আবেদন ফেলে রাখে।
অডিট রিপোর্ট ঝামেলামুক্ত থাকার পরেও এই টাকা "ARO, RO, DC..." পর্যন্ত এই টাকা দিতে হইসে. এর পরের ধাপ এখনো নেয়নি. বলে রাখা ভালো, প্রত্যেক কাজে টাকা লাগেই. টাকা ছাড়া কাজ হয়না বললেই চলে.
তারা বাইরে — মাধ্যমে এই প্রথম গুলো করে থাকে, আড়াইহাজার এর সাব রেজিস্টার অফিসারের ঘুষ খাওয়ার পাবনতা খুবই বেশি
জমির নামজারি করতে গিয়ে হয়রানি। কম টাকায় নামজারি করতে আগ্রহী নয়.....।