Poribesh adhidaftar khulshi
License renewal er jonno ditey hoise 50k.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
License renewal er jonno ditey hoise 50k.
আমি অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করে টাকা জমা করে সব কিছু সম্পন্ন করে নিয়ে যাই, আর এটা দেখেই যে কাগজপত্র জমা নেয় উনি রেগে গিয়ে বলে এটা কে ফিলআপ করেছে বললাম আমি, তখন আমাকে জিজ্ঞেস করা হয় আপনি কি করেন আর আমি বললাম তারপর কোন ত্রুটি খোজে না পেয়ে আমা মায়ের নামের একটা স্পেস ভুল ধরে বলল আবেদন বাতিল করে ঠিক করে নিয়ে আসেন। তারপর পাসপোর্ট অফিসের সামনে দাললা আছে তারা আমাকে বলল কি সমস্যা আমি বললাম এই সমস্যা, পরে দালাল রা বলল এটা কোন সমস্যা না আপনি ৩০০০/- টাকা দেন আমি করে দিচ্ছি বললাম কিভাবে?? বলে আমাদের রেফারেন্স এ গেলেই করে দিবে আমি কোন উপায় না পেয়ে আমার ইমারজেন্সি দরকার তাই বললাম করে দেন, উনি জা্স্ট একটা Word এর উপর টিক দিয়ে দিল আর বলল এখন নিয়ে যান, আর টাকাটা দেন গেলাম আর সাথে সাথে নিয়ে নিল তারমানে এই চিহ্
আমার ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে আমি নিজেই এপ্লাই করেছিলাম। বারংবার বিভিন্ন ভুল ধরে আমাকে সংশোধন করতে ফেরত পাঠানো হয়। কয়েকদিন যাওয়ার পরে বিরক্ত হয়ে আনসারের সাথে কথা বললে, আনসার বলে, উপপরিচালক টাকা ছাড়া নিজে আবেদন করলে সেটা জমা নেয় না। দালালের মাধ্যমে হলে জমা নেয়া হয়। তখন উপপরিচালকের সাথে কথা হয় এবং ২০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। সাথে সাথেই উনি বলেন যে টাকা ছাড়া এটা যে হবে না এটা এখন বুঝলেন? এর পরে কাগজ জমা রাখে এবং ছবি তুলে।। আমি যে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে ২০০০ টাকা ক্যাশ আউট করেছি তার প্রমাণও আছে। এটা শুধু আমার সাথে না সেখানে দালাল মুক্ত যারা যাচ্ছে তারা সবাই এর শিকার।।
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,মাগুরা তে আমার নামের বানান ভূল সংশোধন এ যাই। ওখানকার লাল দাড়িওয়ালা এক মুরব্বি আমার দিকে এগিয়ে আসে এবং জিজ্ঞেস করে, কি সমস্যা। আমি তাকে জানানোর পর তিনি বলেন, এইটা তো কঠিণ বিষয়। যাইহোক তুমি ৭ হাজার টাকা দিয়ো, আমি স্যারকে বলে করায় দিবানে। এদিকে উপরে যাইতে গেলে আনসার সদস্যগণ বাধা দেন।পরে জানতে পারি লাল দাড়িওয়ালা ব্যক্তি ওখানকার অফিস সহায়ক। ওনাকে দিয়ে কাজটা জরুরিভাবে ঘুস দিয়ে করাতে বাধ্য হয়🥹
আমি কুষ্টিয়াতে একটি ক্যাডার প্রতিষ্ঠানে চাকুরিতে যোগদান করি। প্রথম বেতন চালু করতে টাকা দিতে হয় জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে। আর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আমার নিজ অফিসের একাউন্টস অফিসার। হিসাবরক্ষণ অফিস বা এজি অফিসে নিজে উপস্থিত হয়েও কাজ করাতে গেলে বলে (উক্ত প্রতিষ্ঠানের অডিটর) আপনার অফিসের অমুক (সহিকারী একাউন্টস অফিসার) আছে না, উনাকে দিয়ে কাগজ পত্র পাঠিয়ে দিয়েন; কাজ হয়ে যাবে। এজি অফিস এটাকে বলে মিষ্টির টাকা। সবার আড়াই থেকে তিন হাজার লেগেছে। আমার কম লাগার কারণ হলো বেতন চালুর পূর্বেই আমার অন্যত্র পোস্টিং হয়। তারা শুধু ১০০০ টাকার বিনিময়ে এলপিসিটা নতুন কর্মস্থলে ফরওয়ার্ড করেছে।
একজন শিক্ষক সারাজীবন কস্ট করে তার ফ্যামিলি চালায়। নিজের শেষ বয়সে চাকুরি শেষ হবার পর পেনশন চালু করতে প্রতিটি শিক্ষকের পোহাতে হয় এই বিড়ম্বনা। সরকার ঘোষিত দ্রুত সেবা বাস্তবায়নের কথা থাকলেও। নেই কোন মনিটরিং ব্যবস্থা। যে বা যিনি এই হিসাব টা করবেন কতজন ব্যাক্তি অবসরে যাচ্ছেন। তারা কখন থেকে পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। অর্থাৎ চাকুরি শেষ করে তখন আপনি দারে দারে ঘুরে বেড়াবেন তাও টাকা না দিলে মিলবে না সেবা মাসের পর মাস চলে গেলেও আপনাকে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াবে।
Without Exam Passed.100% sure
ফেনী কোর্টে একটা ব্যবসায়িক লেনদেনের ব্যাপারে মামলা করলে পিবিআই তে মামলাটা তদন্তের জন্য গেলে ওই পুলিশ অফিসার ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে এবং দি পরবর্তীতে বিবাদী থেকে 2 লক্ষ টাকা নিয়ে আমার 50 হাজার টাকা খেয়ে আমার বিপক্ষে বিবাদীর পক্ষে রিপোর্ট দায়ের করে আশ্চর্য বিষয় হলো ওই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোন আইনি পদক্ষেপ নেইনি প্রশাসন আমি পুরো নাম ঠিকানা তার ভিপি নম্বরসহ সবগুলা প্রকাশ করতে চাই যদি এই সাইটটা আমাকে সাহায্য করে ছবিও দেব
জন্মসনদ সংশোধন এর জন্য অনলাইন ফরম ফিলআপ করেছি নিজে এমনকি সব ডকুমেন্টস দিয়েছি ঠিকমত, পরে মেসেজ দিয়েছি Physically ডকুমেন্টস যেন জমা দিই। সেখানে বলল ৪০০ টাকা দেয়ার পর নাকি Verification করে ওরা ঠিক করে দিবে। যেখানে সরকারি ফি মাত্র ১০০ টাকার মত। পরে ৪০০ টাকা দেয়ার ১ সপ্তাহ পরে সংশোধন করে দিয়েছে। যেখানে আমার পাসপোর্ট, এনআইডি সব ঠিক ছিল তাও টাকা দিতে হয়েছে, এগুলোতে নাম ঠিক না থাকলে মনে কত টাকা চাইতো তারা ভালো জানে।
আমি একজন কর আইনজীবী। সাথে চট্টগ্রাম ট্যাক্স বারের মেমবারও। আগ্রাবাদ, CGO Building..ট্যাক্স অফিস সার্কেl ২৮. সেখান থেকে আমি আমার এক cliant এর ২০২২-২৩ সালে জমা করা মেনুয়াল ফাইলটা তুলতে চাই।যাহেতু সেটি দেখেই আমার পরবর্তী ফাইল এর সম্পদ ও দায় carry forward করে আনতে হবে। কিন্তু তারা এটা দিতে আমাকে ৫,০০০ টাকা দাবি করে। আমি দিতে না করি। সে বলে তাহলে ফাইল দেয়া যাবে না। ফাইল নাকি অনেক ভিতরে। এটা হলে আমার cliant এর ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট কিভাবে করব আমি? আইনে এটার ব্যপারে কিছু বলা নেই। এখানে আমি এটা লিখার কারণ হল আমি পরবর্তীতে DCT থেকে যদি কোন নোটিশ পাই তাহলে এই লিখা টা আমি দেখাব। আমি তার কাছ থেকে এত টাকা দিয়ে ফাইল নেইনি।
আমি ভাট অফিস এ একটি চিঠি কমিশনার বরাবর দেয়ার জন্য রিসেপশান এ জমা দেই কিন্তু রিসেপশান থেকে চিঠি কমিশনার বরাবর দেয়ার জন্য ২০০ টাকা দাবি করে, এবং এটাই নাকি নিয়ম, টাকা ছারা তারা চিঠি রিসিভ করতে রাজি হচছিলনা । পরবরতিতে টাকা দেয়াই লেগেছে।
আমি নামজারি করতে গিয়েছিলাম তখন একব্যক্তি আমার কাছে ১৫,০০০ টাকার ফির কথা জানান এবং পরিশোধ করতে বলেন।আমি সরকারি ফি ১১৭০ টাকার কথা জানালে ঐ কর্মকর্তা রাগ্বানিত হয়ে বলেন আপনার কোন বাপে করে দিবে তার কাছে যান। আরও অনেক কথা হয়েছে।
Asst. Commissioner of Tax Circle - 322, Companies, there is no such options or findings in our company files but she want some gift (in this case cash) to resolve the case. so we first denied and not want to pay but tax inspector of Tax Circle - 322 insist us and inform us if we don't pay Asst. Commissioner of tax and as well as the tax inspector of Tax Circle - 322, then they will impose lots of tax in our file so they actually try to threaten us to give them speed money. so have to pay them that amount. this indecent was occurred on 24th August 2026.
ডেমরা রাজস্ব সার্কেলের এসি ল্যান্ড অফিসে বাতিলকৃত খ-তফসিলের নামজারীর রেট করে ঘুষ খায়। অফিসের সার্ভেয়ার ও কানুনগো বাইরের ভাড়াটে দালাল রাখে যাতে করে তাদের বিরুদ্ধে কোন সেবা প্রার্থী বা সাধারণ জনগন অভিযোগ দিতে না পারে। আমার একটি ১/১ খতিয়ানের অর্থাৎ বাতিলকৃত খ-তফসিলের জমি নামজারী করতে গেলে তাদের নিয়োজিত দালাল প্রতি শতাংশ জমির জন্য ১ লাখ টাকা করে মোট ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করে। আমি সেটি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার নামজারীটি বাতিল করে দেয়। কারণ হিসেবে নামজারীর জন্য সার্ভারে আপলোডকৃত জমির কাগজপত্র পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে দেখানো হয়। অথচ আমি যথাযথভাবে সকল কাগজপত্র আপলোড করে নামজারীর জন্য আবেদন করেছিলাম এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিস (তহসিল অফিস) হতে আমার জন্য খসড়া খতিয়ান প্রস্তুতও করা হয়েছিলো।
প্রাথমিকের পাঠদান অনুমতির ফাইল জমা দিতেই ২০,০০০ ঘুষ দিতে হবে। অনলাইনে ফাইল জমা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বলা হয়েছে অফিসে সরাসরি ফাইল জমা দিতে। অফিসে ফাইল জমা দিতে গেলে ঘুষ দিতে হয়।
Regarding of Machine & Spare parts import, Importing Of Machine & spare parts under select SRO mentioned HS Code does not matching, Weight variation, Every now & then they are creating an issue and demanding One lac taka for each Documents. In that case, despite submitting every documents by the shipper, we did not get any solution. The company is being threatened with a lawsuit for irregularities.But the issue has not been resolved yet because foreign companies are reluctant to pay unwanted bribes in this regards.
সরকারী হাম ক্যাম্পেইনের টাকা মেরে দিছে। যার ফলে টিকা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
টেলিটকের টাওয়ারে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরে, জোনাল অফিস থেকে একটা ডকুমেন্ন্ট করাতে হয়। এ ডকুমেন্টস বাবদ সামান্য কিছু টাকা বরাদ্দ থাকলেও। তারা প্রতি সাইটের জন্য ৮ থেকে ১০ গুন টাকা দাবি করেন, অন্যথায় তারা কাজের বিভিন্ন ভুল ধরেন, প্রোডাক্ট এর বিভিন্ন ভুল ধরেন, আর এভাবেই তারা ঠিকাদার কোম্পানিগুলোকে হয়রানির মুখে ফেলেন।
সব অনুমতি থাকার পর ও, কিছু জিনিস থানা থেকে নিয়ে আসার জন্য। নাস্তা খরচ দিতে হয়েছে। 😀
আমি পাসপোর্ট করতে খুলনা পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। আমার কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরেও 2000 টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার পরে আমার কাগজপত্র জমা নিয়েছে। এমন দেশ আমরা চাই না। পরিবর্তন চাই