Driving Licence
Licence ar jnno deoha hy. Tarpr o num ar banan vul ase
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Licence ar jnno deoha hy. Tarpr o num ar banan vul ase
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার কাচপুর রাজস্ব অঞ্চলের সাদিপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা, নামজারি আবেদন নং-১৬১০২০৬৬ তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য ৫০০০ টাকা চাইলে বিকাশে ৩০০০ টাকা দিলে একদিন পর টাকা ফেরত দেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সর্বোচ্চ ২৮ দিন নির্ধারণ করে দিলেও কাচপুর রাজস্ব অঞ্চলের কানুনগোর শোনানীর তারিখ ছিল ১৭/০৮/২০২৬ আবেদনকারী যোগাযোগ না করায় আজ ২৫/০৮/২৬ তারিখ হলেও ফাইল্টিতে হাত দেয়নি, চাইলে অনলাইনে দেখতে পারেন,কানুনগোর শোনানী সিস্টেমটাই ঘুষ খাওয়ার একটি রাস্তা কারণ অনলাইনে কাগজপত্র দেওয়ার পর আবার আবেদনকারীকে ডাকা হয়, আমার মনে হয় কেবলমাত্র টাকা আদাইয়ের জন্য
আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মৃত্যু সনদ নিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফার্মগেট অফিসে গেলে ওয়ার্ড সচিব আমাকে ডিসি অফিস থেকে সই করিয়ে আনতে বলেন। এটি তাঁদের দায়িত্ব উল্লেখ করায় তিনি সনদ প্রদানের বিনিময়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এতে অসম্মতি জানালে তিনি নিজেই ডিসি অফিসে গিয়ে সই নেওয়ার কথা বলে আমাকে হয়রানির হুমকি দেন। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েই বাবার মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করতে হয়।
বগুড়া জেলার ১টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা বাবদ ৩৭৮০০০/- অনলাইনে জমা দিতে হবে দাবি করে বসে, পরবর্তীতে বলে আচ্ছা আপনি ১৫০০০০/- আমাকে দিয়ে যাবেন যা করার করে দিব, আপনি এসে জমা রিসিভ নিয়ে যাবেন। মানে ১৫০০০০/- টাকা থেকে সরকারি কোষাগারে সর্বোচ্চ ১৮/২০ হাজার টাকা জমা দিবে বাকি টাকা উনার পকেটে। এর আগে যেগুলো খাজনা জমা দিয়েছি প্রতিটি খাজনার মূল রশিদ আমার কাছে আছে কিন্তু উনাদের রেজিস্টারে একটাও উঠায় নাই সব টাকা পকেটে ঢুকাইছে, জেলা প্রশাসক বরাবর ২বার লিখিত অভিযোগ দেয়ার ২বছর পর অবশেষে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপে সমাধান পেয়েছি, মজার বিষয় উনার নামে এতো অভিযোগ থাকার পরও কিছুদিন আগে কানুনগো পদে পদোন্নতি পেয়েছে। শহরে উনার গৃহিনী স্ত্রীর নামে ৫ তলা বাড়ী, উনার নামে ২ টি ফ্লাট, বিভিন্ন যায়গায় জমি।
মিথ্যা মামলা দিয়ে টাকা নিয়েছে। হয়রানি করার ভয় দেখিয়েছে। হত্যা মামলার নাম দিয়ে মামলা বানিজ্য করে পুলিশ।
গত শেষ 8 2016 তারিখে আনুমানিক আড়াইটার দিকে বাইক এক্সিডেন্ট করি ভাই কি আমার ছেলে — আহত হয় পুরে ঢাকা মেডিকেল জরুরী বিভাগে নিয়ে যায় সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার একজন ওয়ার্ড বয় কে ডেকে দেয়। ওয়ার্ড ভাই আমাদের কাছ থেকে ৮০০ টাকা দাবি করলো যদি টাকা দেই তাহলে তাকে চিকিৎসা করবে সেলাই ও ব্যান্ডেজ করে দিবে পরে নিরুপায় হয়ে আমরা টাকা দিতে বাধ্য হই। কিন্তু দুঃখজনক আমি উনার নামটা বলতে পারছিনা
হাসপাতালে রোগীর জন্য সিট নিতে হলে 250 টাকা দিতে হবে না হলে সিট খালি নাই
লম্বা সিরিয়ালে দাড়াতে হয় , একবার জমা - একবার যাচাই - তারপর বায়োমেট্রিক ............ ২০০০ টাকা দিলে কোনো সিরিয়াল লাগবে না। না দিলে অধিকাংশই প্রত্যাখ্যাত............... উত্তরার বাসিন্দা হওয়ায় আর স্টুডেন্ট হওয়ায় দুইবার হয়রানি করতে চেয়েও পারেনি তবে আশে পাশের সবাই (৭০% আবেদনকারী) হয়রানির শিকার হয়েছে। সামান্য কিছু কারণ দেখিয়ে হয়রানি করা হয়, যাতে দালালের মাধ্যমে কাজ করানো যায়। রেট পার পার্সন ২০০০ টাকা, এর বেশি কেও দেবেন না, দালাল ছাড়া যেহেতু কাজ হয়ই না সেহেতু ১০০০ বা ১৫০০ তে দামাদামি করাই ভালো ।
এন আই ডি র পিতার নাম সংশোধন করতে ৩০,০০০/- টাকা দিতে হয়েছে।
জমি খারিজ করার জন্য ময়মনসিংহ সদর দাপুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নায়েব আমার কাছে 9000 টাকা চেয়েছিল জমি খারিজ করার জন্য এক শতাংশ জমি,
He was SB staff to varify my information and asked taka through bkash. I referred higher official name than he argue many things and delayed my application
দালাল ছাড়া পাশ করা সম্ভব নয়। তারপরও ২বছর লেগেছে লাইসেন্স হাতে আসতে। হয়রানির তো শেষ নেই
জিডির তদন্ত করার জন্য
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির জন্য উপজেলা পর্যায়ে যে কমিটি হয়েছে, সেই কমিটির সভাপতি ২ লক্ষ টাকার কমে কোন বদলির অনুমোদন করেন না।
সরকারি চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য , পুলিশ বাড়িতে এসে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর, পরের দিন বিকালে মাহিগঞ্জ বাজারে ২০০০০ টাকা নিয়ে দেখা করতে বলে। অফিসে স্যারদের পিছনে খরচ রয়েছে জানান না হলে ভেরিফিকেশন নো হবে।
আমাকে আউটসোর্সিং এ চাকরি দিবে কথা বলে ২০২৩ সালে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল ওই অফিসের কেয়ারটেকার। চাকরি তো হই নাই, টাকার জন্য এখানো ঘুরাঘুরি করি। টাকা ফেরত দেবার তারিখ বিহীন চেক দিছিল, কিন্তু ওই একাউন্ট আজ পর্যন্ত টাকা রাখেনি। একপ্রকার চেক দিয়ে প্রতারণা করেছিল। আমার কাছে প্রমাণ সহ আছে। এমন অনেকেই এখনো ভুক্তভোগী হয়ে ঘুরাফেরা করছে।
আসসালামু আলাইকুম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার এসআই — আমার থেকে ২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। আমার মত ভুক্তভোগী এবং বাদী পক্ষের থেকে নাস্তা খাওয়ায় কথা বলে ঘুষ নেওয়াটা আমি অযৌক্তিক মনে করছি। শুধু আমার না এভাবে প্রত্যেক অভিযোগ এবং মামলায় তিনি অনেক অনিয়ম এবং ঘুষ নিয়ে থাকেন। তিনি একজন ঘুষ খোড় এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি। আপনার তদন্ত করলেই জানতে পারবেন । বিস্তারিত লিখতে পারলাম না । তদন্ত করলেই সব পরিষ্কার হতে পারবেন।
ঘুষ না দিলে খারিজ আবেদনের প্রস্তাব প্রেরণ করা হয় না। ফাইল গায়েব হয়ে যায়। শুধু শুধু গ্রাহক হয়রানি করা হয়। বিনা কারণে নেতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়া হয়। শেষ বেলা খারিজ নামঞ্জুর করা হয়। তবে জমির অবস্থান, পরিমাণ, জমির মূল্য ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে খারিজের জন্য ঘুষের টাকা কম-বেশি হয়। বানিজ্যিক জমির ক্ষেত্রে ঘুষের পরিমাণ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
স্থানীয় সরকার শাখায় ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী পদে গণ বদলীর মাধ্যমে জিম্মি করে সাবেক ddlg মহোদয় উৎকোচ গ্রহণ করেছে। বদলী বানিজ্য এতটাই প্রকট যে গত বছরের এপ্রিল/২৫ হতে জুলাই/২৬ পর্যন্ত মোট ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণের মোট ৮টি এবং হিসাব সহকারীদের ৩টি বদলীর অর্ডার হয়েছে। যার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে। আমি নিজে ভুক্তভোগী।
তেজগাঁও BRTC ট্রেনিং ইনস্টিটিউট য়ে SICIP এর চার মাস মেয়াদে মোটরযান ড্রাইভিং ও মেইনটেনেন্স প্রশিক্ষণ শেষে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দেওয়ার সময় যে ব্যবহারিক পরীক্ষাটা নেওয়া হয় সেটা একটি নামমাত্র পরীক্ষা। এখানে টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় পাশ করানো হয়। এই প্রক্রিয়ার সাথে বিআরটিসি এবং বিআরটিএ উভয়েই জড়িত।