Examine
জেটি কাস্টমস চট্টগ্রাম এর জয়েন কমিশনার — এর ছত্রছায়ায় অসাধু কর্মকর্তাদের একটি চক্র পণ্য পরীক্ষণে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করছে। নাহলে অযথা বিলম্ব করে নানাভাবে হয়রানি করে। এজন্য পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। অহেতুক মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জেটি কাস্টমস চট্টগ্রাম এর জয়েন কমিশনার — এর ছত্রছায়ায় অসাধু কর্মকর্তাদের একটি চক্র পণ্য পরীক্ষণে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করছে। নাহলে অযথা বিলম্ব করে নানাভাবে হয়রানি করে। এজন্য পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। অহেতুক মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
পরবর্তীতে প্রতিপক্ষ সেই পরিমান কিংবা তার চেয়ে ও বেশি টাকা দিয়ে কাজ করে নিয়েছিল,এসি ল্যান্ড ছিলেন,—,মিডিয়া ছিলেন সংশ্লিষ্ট অফিসের ঝাড়ুদার —,সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভুমি সেবা অভিযোগে প্রতিকার চাইলে একপর্যায়ে আমাকে সংশ্লিষ্ট সাইটে ব্ল্যাক লিস্টেট করা হয়,পরে আমি ও জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার এবং দুর্নীতি দমন কমিশন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠি পাঠালেও আজ পর্যন্ত কোন প্রতিষ্ঠান থেকে আমাকে ডাকেনি বিষয়টার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য,রেজিস্টার্ড এডিযোগে চিঠি পাঠিয়েছিলাম,চিঠিগুলো বিলির কোন প্রমাণ আমাকে দেয়নি, পরে অবশ্যই অনেক কাহিনী করে জিপিও থেকে আমি সেসব প্রমাণ সংগ্রহ করে রেখেছিলাম ভবিষ্যৎ উদৃতির আশায়!
টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না। নামের করনিক ভুল সং শোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ১৫০০০ টাকা নিছে,শরিয়তপুর জেলা,ভেদরগঞ্জ থানা, ভুমি অফিসের সহকারী অফিসার —।
আমি পার্সপোট বানাতে আমার জেলার খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক পার্সপোট অফিসে যাই সেখানে অযথা নানান উল্টা পাল্টা কাগজের কথা বলে আমার আবেদন আটকে রাখা হয়। পরে আঞ্চলিক কর্মকর্তা মহোদয়ের কাছে গেলে দেখা যায় তিনি ও ঘুষ খোর ৫০০০ টাকা চান। পরে পার্সপোর্টটি প্রযোজন হওয়ায় আমি ৩০০০টাকা দিয়ে পার্সপোটটি গ্রহন করি। কিন্তু বিষয় যে, ঘুষ দেওয়ার পরে কোন কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। এবং দেখলাম ঘুষ দিলে একটি এনআইডি ফটোকপি ছাড়া আর কিছু লাগে না।
আমার সদ্য একটি সরকারি দপ্তরে চাকরি হয়। উক্ত চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, চট্টগ্রাম, ডিএসবি শাখা হতে এসআই (—) ফোন করেন। উনার সাথে সংশ্লিষ্ট কাজে উনার অফিসে দেখা করতে যাই। উনি আমার কাছ থেকে 5000 টাকা পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পাদনের জন্য দাবি করেন। পরিশোধে ব্যর্থ হলে আমার নামে বিরুপ প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন বলে হুমকি দেন। আমি বাধ্য হয়ে 3000 টাকা পরিশোধ করি। এক্ষেত্রে তার ব্যবহার দেখে মনে হয়েছে আমি তার কাছ থেকে টাকা ধার করেছি।
স্যার, চট্ট মেট্রো পাবলিক গাড়ি গুলো আটক করে ৪৭৫০ থেকে শুরু করে ১০৭৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় ।কিন্তু তারা মানি রিচিপট দেয় শুধু ৭৫০ টাকা বাকি টাকা তারা সবাই মিলে আত্মসাৎ করে ।এই টাকাটা সবাই ভাগাভাগি করে খায় ।কোন গাড়িকে মামলা দেয় না।শুধু আটক দেখানো হয় ।যাতে করে টাকাটা নিয়ে ভাগাভাগি করা যায়। আমার আকুল আবেদন আপনারা বিষয়টি যাচাই করে ব্যবস্তা নিবেন ।চট্ট মেটো ২ টা ডাম্পিং আছে ১। সদর ঘাট ২।খুলশী ।উত্তর এবং দক্ষিণ ।
প্রায় ৪৫ বছর আগে জমি কেনা হয়েছে,, ভোলা সদর রাজাপুর এ,, আশে পাসে কারো জমির দলিল নেই,,, সবাই কিনে,,,, বসতি করে,,,, প্রতি বছর একদল চাদা৷,, নিতো বলতো মামলা চালাচ্ছে,,,, এখন বিএনপি,,,, এসে কিছু,,,, আমাদের ৭ করা জমির জন্য চাদা চায়,, ৭০ হাজার,,, বাপ চাচাদের মিলে,,, ২০ করা জমি আছে,,,, চায় ২ লক্ষ,,
আমার নানি নামে এক হানি জমি ছিল,, নানি ওয়ারিশ হচ্ছে এক ছেলে দুই মেয়ে, এক ছেলে হচ্ছে আমার মামা, মামা পুরাই এক খানি জমিন তার নামে বি এস জরিপ করে ফেলেছিল, ওয়ারিশ সূত্রে আমার মামাতো ভাইয়েরা তাদের নামে জায়গাটা আবার জরিপ করে ফেলেছে, আমি সেই জরিপ কেটে আমার মায়ের অংশটুকু আনার জন্য আমাকে ৯০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল, আমার মায়ের ৫ ঘন্টা জমির দাম ছিল তিন লাখ টাকা,আর আমাকে ঘুষ দিতে হয়েছিল ৯০ হাজার টাকা, আর আমার সময় ব্যয় হয়েছিল চার বছর, চার বছর আমি ৫০ বার উপরে ভূমি অফিসে যেতে হয়েছিল, তার মাঝেও ভুমি অফিসের ভিতরে কতজনকে ৫০০ টাকা ১০০০ টাকা কত বার যে দিয়েছি তা আমার হিসাব নাই ? আমার মায়ের পাঁচগান্ডা জায়গার মূল্য ছিল তিন লক্ষ টাকা
জমির দলিলের সব লেখা ঠিক আছে কিনা তা দেখার জন্য সাব রেজিস্ট্রি অফিসের এক কর্মকর্তা যাচাই করেন, এমন এক পর্যায়ে সেই কর্মকর্তা বাংলা সনের কোন একটি কাগজ নবায়ন করা হয়নি বলে ভুল ধরেন এবং সেটি যে দলিল লেখক তাকে বলেন। সেই দলিল লেখক বিষয়টির জন্য তাকে ৫০০ টাকা দেয় এবং সেই কর্মকর্তা উক্ত দলিলটিই (কোন প্রকার পরিবর্তন না করেই) সাব রেজিস্টার এর কাছে জমা দেয় এবং আমার দলিলটি পাস হয়।
এটি ২০২৫ সালের শুরুর দিকের ঘটনা। আমার কাছে কাবিননামা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি সনাতনী হওয়ায় কাবিননামা নেই—এ কথা জানাই। তখন তারা বলেছিল, কাবিননামা না থাকলে ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন দেখাতে হবে। কিন্তু সেটিও আমার কাছে ছিল না। এরপর আমি AD-এর কাছে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের জন্য অনুরোধ করি। তিনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। পরের দিন উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামনে একজন দালালের মাধ্যমে ১,৭০০ টাকা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজটি করাই এবং AD সাইন করে দেন। এরপর আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।
আয়কর এ সব কাগজ ৪ বার দেবার পর ও বলছে কোন কাগজ দেয় নি এবং পি এস দের দিয়ে বা উকিল এর কাছে টাকা চায়। না দেয়াতে এখনো হেরেস করছে। —র সাথে এখনো দেখা হয়নি কিন্তু তার পেশকার অল্রেডি টাকা চেয়েছে। কিছু দিয়েন বলে। দেইনি।
মিরপুর বিআরটিএ পুরোটা একটা সিন্ডিকেট এর উপরে ভর করে আছে । আপনি যদি মিরপুর বিআরটিএর গেট থেকে ১৩ নাম্বার পর্যন্ত যান, অসংখ্য দালাল রাস্তায় দাড়িয়ে থাকে । ফিটনেস করে দিবে বলে, বিনিময়ে ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা এক্সট্রা দিতে হয় । সরাসরি করতে গেলে অফিসার অনেক ইস্যু দেখায় । বেশিরবাগ বিআরটিএ কর্মকর্তার রাস্তায় দালাল সেট করা থাকে । দালাল চুক্তি করে রেফারেন্স দিয়ে তার কাছে পাঠালে কাজ হয়ে যায় । এমনকি বিআরটিএ এর আনসার রাও এর সাথে জড়িত ।
ইউনিয়ন ভুমি অফিস এর নায়েব, কালিবাড়ি, রেলিগেট, দৌলতপুর, খুলনা, এই কালিবাড়ি ইউনিয়ন ভুমি অফিসের নায়েব আমার জমি সরজমিনে যায় দেখতে, বিষয়টি ছিলো জমির নামজারি এর জন্য, নায়েব যখন কাগজ পত্র সব মিলিয়ে দেখে সবই ঠিকাছে তখন বলেন যে এই প্রতিবেদন এর জন্য ৩৫০০০ হাজার টাকা লাগবে, নইলে প্রতিবেদন এ তিনি নেগেটিভ লিখবেন, অনেক কাকুতি মিনতি করে তাকে ১০০০০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ টা করিয়ে নেই
টাকা না দিলে নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। এবং কি একভারে না পাওয়ার ভয়। টাকা দিলে সব কিছু কোন জামেলা ছারাই হয়ে জাবে। দ্বাইত্য তাদের😀
পেনশন জনিত কারণে পেনশনের প্রসেসিং এ বান্দরবান বন বিভাগের অফিসে ২০১৯-২১ এর দিকে অফিস সহায়ক আমাদের কাছ হতে নগদ টাকা এবং ৮ মাসের বেতন নিয়ে ফেলে।
আমি গত ৪ আগষ্ট আমার বড় ভাইয়ের কাবিননামা সত্যয়নের জন্য mygov.bd তে আবেদন করি।সাধারনত এই কায় ৫-৭ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা।এটা ফণী রেজিস্ট্রার অফিসে পড়ে আছে।পরে একজনের পরামর্শে কাজীর সাথে যোগাযোগ করলে উনি বলেন এমনিতেত কাজ হবেনা।কিছু অফিস খরচ আছে ও আমার সম্মানি ও যাতায়তায় ভাড়া দিলে আমি অফিসে গিয়ে কাজ ওকে করে দিবো।
Bike registration er jonne ghush cara hoy na onek vhul dhore
স্বাভাবিক ভাবে দালাল ছাড়া পরিক্ষা দিয়েছি সব কিছু তে পাশ য় করেছি ,কিন্তু রাতে মেসেজ আসছে আমি ফেল ।অইখানকার কর্মকর্তা রাও আমাকে বলছে দালাল না ধরলে আপনে পাশ করলেও রেজাল্ট আসবে ফেল এবং আমি সেখানে গিয়ে দেখলাম সেখানকার বড় বড় কর্মকর্তা এটার সাথে জরিতো।আমি ভাই সঠিক পথে গিয়া মনেহয় ভুল করছিলাম ।পরের বার ১ মাস পর আমি আবারও পরিক্ষা দেওয়ার সুজোগ পাই এবং — দালাল এর সাথে যোগাযোগ করি — বড় কোনো কর্মকর্তা র ড্রাইভার ।যাইহক তখন আমি সুধু রিটেন পরিক্ষা দিয়ে — কে টাকা দিয়ে বাসায় আইসা পরি বাকি পরিক্ষা দেই য় নাই ।রাতে আমার মেসেজ আসছে পাশ এবং আমি আমার লাইসেন্স পেয়ে যাই ঠিকঠাক
আমি প্রবাসী বাংলাদেশি। দেশে ৪ মাসের ছুটিতে গিয়ে পাসপোর্ট রিনিউ করতে দিছিলাম. নরমাল ডেলিভারি ১ মাসের মধ্যেই দেয়ার কথা থাকলেও ৩ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও পাসপোর্ট পাই নাই। পরে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে ১ সপ্তাহের মধ্যেই পাসপোর্ট পাই
ট্রেড লাইসেন্স ২ দিনের মধ্যে নবায়ন করতে ১০০০ টাকা বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে।