LPC
বদলি হওয়ার কারণে lpc নেয়ার জন্ন্য
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বদলি হওয়ার কারণে lpc নেয়ার জন্ন্য
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেছিলাম আমার এক বোন এর ঠিকানা ভুল উল্ট পালটা বুঝে ঘুরে দিয়েছে পরে দালাল চক্র দেখে দিয়েছে ।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেছি। জিজ্ঞেস করে বাড়ি কোথায়। বলেছি মাগুরা। বলে মাগুরা গিয়ে করেন এখানে হবে না। পাশে ফটোকপির দোকান হলো ১৫০০ টাকা দেন করে দিব।পরে না করে ফিরে আসছি।
ময়মনসিংহ জেলা জজ কোর্টরে পিপি এডভোকেট — প্রতি ফাইল 1000 টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করেন না। অন্যথায় আইনজীবীদের সঙ্গে দূর্ব্যবহার করেন।
নতুন BIN খোলা হয়েছে। প্রতি মাসে রিটার্ন সাবমিটের কথা থাকলেও, জানা না থকায় সাবমিট করা হয় নি। হালনাগাদ করার জন্য দাবী করেছেন।
Jomi mutation korar jonno 10000taka nise vumi officer
কোম্পানির বাৎসরিক রিটার্ন ফাইল ( প্রতি টেবিলে) দিতে হয়। টেবিল সংখ্যা ৩ টি।
Dalal der khub chap, tara amar kas theke taka cheyechilo je boro sir ke dite hobe.
আমি দেশের বাইরে থাকি। আমার বার্থ সার্টিফিকেট এর নাম সংশোধন এর দরকার ছিল। মিরপুর ১০ সিটী কর্পোরেশন অফিসে সরাসরি টাকা চেয়ে বসে এবং না দিলে তা দেরী হবার ভয় দেখায়। এবং যে লম্বা নিয়ম কানুনের কথা বলে তা করতে গেলে নাকি কয়েক মাস লেগে যাবে বলে। আমাড় জরুরি দরকার হবার কারনে আমি দ্রুত টাকা দিয়ে হলেও আমার আত্মীয় কে দিয়ে কাজ করিয়ে নেই। ঘুষ দিয়ে এই কাজ হয়ে যায় ২ দিনে। স্বাভাবিক ফি হয়ত বড়োজোর ১০০ টাকা। আহেতুক মানুষকে ঘুরানো হয় টাকা দিতে রাজী না হলে।
থানায় অভিযোগ করলে তদন্তে যাওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা দিতে হয়।
প্রকল্পে চাকরি করি বেতন তোলার সময় শিক্ষা অফিসার সরাসরি ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন।টাকা না দিলে বেতনের কাগজে সাইন করবে না সরাসরি তাই বলে।
আমি লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করি কিন্তু তারা বলে যদি পাস করতে চান তবে ৩৫০০ টাকা দিতে হবে। বাধ্য হয়ে সেই টাকাটা দিতে হয়েছে
Ami sei taka porisodh korechi ar amake bola hoyesilo sorkari fee pore bujhte parsi seta ghus silo.
নতুন লাইসেন্স করতে গেলে টাকা চায় তা ছাড়া পরীক্ষায় পাশ করায় না, কয়েকবার পরীক্ষা দিয়ে দেখেছি।
—। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এর কিডনি বিভাগের অধ্যাপক। ডায়ালাইসিস পন্যের দরপত্র মূল্যায়নে তার দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করলে ভালো পণ্যও খারাপ হয়ে যায়।
আদালতের আদেশে ভুমি অফিস থেকে সরজমিনে সাব রেজিস্ট্রার এর লোক আমাদের মামলা তদন্ত করতে এসেছিলো। মামলা রায় যেন আমাদের পক্ষে যায়, সে জন্য তারা বা তাদের দল আমাদের কাছে চা নাস্তার বিল বাবদ টাকা দাবি করে। মামলার রায় এমনিতেও আমাদের পক্ষে ছিল। আমরা জানতামই না। আমরা এক প্রকার ভয়ে সেই টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি রাউজানে একটা অফিসে সরকারি অফিসার৷ সরকারি ট্রেনিং এ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়৷ এই সব ট্রেনিং এ কিছু গাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতা দেওয়া হয়। এসব ভাতা অনলাইনে আইবাসে আবেদন করতে হয়, বিলটা পাশ হলে তারপর এই ভাতা পাওয়া যায়। কিন্তু হিসাবরক্ষণ অফিস ঘুষ না দিলে এই বিল পাশ করে না। প্রত্যেক বিলের জন্য কমপক্ষে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। বিলের টাকা হিসাব করে এই ঘুষের পরিমাণ নির্ধারণ করে তাড়া। না দিলে মাসের পর মাস এই বিল আটকিয়ে রাখবে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়। এদের সাথে আমাদের অফিসের একাউন্টস শাখার লোকও জড়িত। খবর নেওয়া দেখা গেছে, সম্পূর্ণ রাউজানে এভাবে করে হিসাবরক্ষন অফিস।
I am an Assistant Professor at a public university in Bangladesh. I received a fully funded PhD scholarship from Australia and therefore applied for study leave from my university. The university authorities approved my deputation leave after reviewing all the required documents. However, before I can travel abroad, the Ministry of Education must issue a Government Order (GO) based on the university's approval and supporting documents. The requirement for a GO is mainly an administrative procedure, as the university authorities are fully aware of the current circumstances of the respective teacher. I tried to collect it without money but failed.
অসুস্থতা জনিত ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি, বদলির আবেদন, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডে চিকিৎসা সহায়তা আবেদন গ্রহণ ও অগ্রায়নের জন্য এবং জি.পি.এফ ফান্ড চালু ও মাসিক জমার পরিমান পরিবর্তন করার জন্য চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের একটি সুপরিচিত সিন্ডিকেট শিক্ষকদের কাছ থেকে ৫০০ হতে ১৫০০ এবং ক্ষেত্র বিশেষে আরও বেশি টাকা দাবি করেন। না দিলে পরবর্তীতে নানান ধরণের হেনস্তা করেন।
আমার ৩০০ শতক জমির জন্য খাজনা দিতে গিয়েছিলাম। প্রথমে তারা ২০ হাজার টাকা দাবি করেন, পরে ৭ হাজার টাকা কমিয়ে রাজি হয়েছেন। কিন্তু এখনো আমি খাজনার টাকা পরিশোধ করতে পারিনি। বিষয়টি কীভাবে সমাধান করা যায়, দয়া করে জানাবেন।