MPO
I was recommended 17 th NTRCA. For MPO enlisted and for arrest our headmaster claim money.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
I was recommended 17 th NTRCA. For MPO enlisted and for arrest our headmaster claim money.
মোট দলিল ৬ টা, প্রতি দলিল এর নকল উঠাতে ৫০০০ করে নিয়েছে আর খারিজ করতে ২৫০০০ করে নিয়েছে।সব মিলিয়ে ৩০০০০+১৫০০০০=১৮০০০০/- নিয়েছে।
ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা আনতে গেলে এই ঘুষ দাবি করে
বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাচন অফিস হতে আমার স্মার্ট এনআইডি কার্ড নিতে । দায়িত্বতর কর্মকর্তা ২০০০ টাকা দাবি করে ।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আমাদের এলাকার ২০১৮ সাল থেকে সিটি কর্পোরেশন হয়েছে। হঠাৎ করে ২০২৩ সাল থেকে হোলিং ট্যাক্স এর নামক আধুনিক ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনায় করছে সিটি কর্পোরেশনের লোক। কোন ধরনের নাগরিক সেবা পাচ্ছিনা সিটি কর্পোরেশন থেকে।আমরা আগেই ভালো ছিলাম সিটি কর্পোরেশনের হওয়ার পর থেকে সেবা না পেয়ে। তাদেরকে ঘুষ প্রদান করতে হবে ঘুষ না দিলে নানা ধরনের হুমকি বিদ্যুৎ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পানি কোন ধরনের নাগরিক সেবা দিবে না এমন টাইপের হুমকি প্রদান করে সিটি কর্পোরেশন লোকরা।
ঢাবি অধিভুক্ত ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বরাবরই প্রতি সেমিস্টারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত অর্থের থেকে বেশি অর্থ আদায় করে। কলেজটিতে কোনো পরিবহন না থাকা স্বত্বেও শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে পরিবহন ভাড়া নেওয়া হয়। হলের ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও ৪০০ নেয়। কলেজে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচনের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও, অর্থের বিনিময়ে হুমায়ূন কবির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মেধাতালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের সাথে একই ক্লাসে পড়ানো হয়। কলেজটির গভার্নিং বডি এবং শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত সিস্টেমেটিকভাবে ঘুষ নেয়। (সংযুক্ত অর্থের সংখ্যাটি প্রতি ৬ মাসের অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থে পরিমাণ নির্দেশ করে)
দপ্তরে থানা যুক্ত করার অনুরোধ করছি। আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা অনেক পুরাতন। আমার মা হজ্ব এ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে দিছিলো আর সেই পাসপোর্ট ভেরিফিকাশন আসে গাবতলী থানায়। থানা থেকে ফোন দেয় সেখানে যাওয়ার জন্য। যাওয়ার পর টাকা দাবি করে তাছাড়া পাসপোর্ট হবে না বলে দেয়। হজ্ব এর কথা বলার পর ও পুলিশ ঘুষ খাইলো।
স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করার পরে পুলিশ ভেরিফিশনের জন্য DSB কর্তৃক নির্ধারিত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, NID কার্ড প্রদান করা হলো তখন তিনি সরাসরি টাকা না চাইলেও কৌশলে এটার জন্য কিছু খরচ আছে এটা বলে ৪-৫ হাজার টাকার কথা বললেন! তাকে প্রথমে টাকা না দিলেও পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই ৪ হাজার টাকা দিতে হলো! মেধায় চাকরি (লিখিত,ভাইভা) পেয়েও পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হলো! যারা সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি পান সবারই এমন অভিজ্ঞতা আছে!
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ভিতরে একটি ৬ তলা বাড়ি নির্মানের জন্য পৌরসভার অনুমোদন নিতে যাই। দায়িত্ব প্রাপ্ত একজন দ্রুত পাশ করে দিবেন বলে ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং পৌরসভার বাহিরে দেখা করতে বলেন। অভিযোগ আছে তাদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দিলে বছরের পর বছর অনুমোদন আটকা থাকে। বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে তাদের মিটিংয়ে সেইসব ফাইল উত্থাপন করা হয়না আর উত্থাপন করলেও কোন না কোন বাহানা দাঁড় করান। আর যেগুলাতে ঘুষ দেয়া হয় সেগুলা এক মিটিংয়েই পাশ হয়ে আসে।
একজন আমার ওপরে ভুয়া মামলা করেছিল, পরবর্তীতে বাদী আপোষ করতে চাই এবং আমরা অপেক্ষা করি। কিন্তু নারী ও শিশু কোর্টের পিপি ঘুষ ছাড়া কাজ করতে চায়না বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে চায়নি এজন্য বাধ্য হয়ে আমাদের এই টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। আর উকিলরা ও অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছে, তাই বুঝি কোর্টের উকিলদের নির্ধারিত ফি ধারণ করা যাতে সাধারণ মানুষ জালিয়াতি শিকার না হয়।
ঢাকার মালিবাগ গুলবাগ জামে মসজিদের আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত সরকারি টিকাকেন্দ্রে (ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র) শিশুদের নিয়মিত টিকা দিতে গেলে সেবাগ্রহীতাদের সাথে চরম অনিয়ম ও হয়রানি করা হচ্ছে। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী শিশুদের সব ধরনের টিকাদান এবং নতুন টিকা কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও, এখানকার প্রায় প্রতিটি টেবিলে কর্মরত ব্যক্তিরা জোরপূর্বক টাকা আদায় করছেন। নতুন একটি টিকা কার্ড তৈরি করতে গেলে ২০০ টাকা এবং প্রতিটি টিকা বা ইনজেকশন পুশ করার জন্য ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। টাকা না দিলে টিকা দিতে অস্বীক জানানো হয় বা নানা টালবাহানা করা হয়। শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ও স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে এই অনৈতিক অর্থ প্রদান করেন।
বিসিএস ননক্যাডার টেকনিক্যাল নবম গ্রেডে যোগদানের সময় দুইটি অগ্রিম বেতন বৃদ্ধির জন্য ২০০০০( বিশ হাজার) টাকা চায়। টাকা পরিশোধের পর দুইটি ইনক্রিমেন্ট পায়।
I need a icu sit in DMC , But i cant manage it .....then a 4th grade officer manage the sit and his demand is 20000 taka... when i pay the 20000 icu sit manage after 20 minute.... shame
৩ নং মংগলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, সচিব —, মানুষের সাথে খুব খারাপ ব্যবাহার করে মানুষকে ঘন্টার পরে ঘন্টা সামান্য কাজের জন্য ইচ্ছা করে অপেক্ষা করিয়ে রাখে! যাতে তার দালাল দের কাছে মানুষ যায় এবং ঘুস দিয়ে কাজ করায়! সাধারণ মানুষ এর সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করে! মানুষ আসলে এটা লাগবে ওটা লাগবে মানুষ জিজ্ঞাসা করলে বলে আমি জানি না কোথায় পাবেন!! তারা কথা বলার ভাংগি খুব খারাপ। সে সরাসরি ঘুস চায় না, তার দালাল এর মাধ্যমে কাজ করতে হয়। ৫ হাজার, ১০ হাজার ২০ হাজার!!
কয়েক দাগ মিলিয়ে ১৩৩ শতাংশ জমির নাম জারীর আবেদন করলে প্রথম ধাপে ১৫০০০/- দেয়া হয়ে। এরপর কয়েক টেবিল পার করে সার্ভেয়ারের টেবিলে ফাইল জমা পড়ে আছে। এখন রিপোর্ট দেয়ার নাম করে ২৫০০০/- টাকা দাবী করে। দেখার কেউ নাই।
ভূমি নামজারীর জন্য আবেদন করি। ভূমি অফিসের তশীলধার রিপোর্ট দেওয়ার জন্য দশ হাজার টাকা দাবি করেন। না দিলে বলে যে কাগজে ঝামেলা আছে নামজারি হবে না। এইসব বলে প্রায় ২০ দিন ঘুরাইসে আমাকে। কিন্তু আমার কাগজে বিন্দু পরিমাণ ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও টাকা দশ হাজার দেওয়ার পরে উনি রিপোর্ট দিছে। এর আগে রিপোর্ট দেন নায়। বরিশাল ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ধামইরহাট, নওগাঁয় আমরা ১৫ জনের মতো ক্যাডার অফিসার জয়েন করি। পে ফিক্সেশন নিজেরাই করি। কিন্তু প্রথম বেতন প্রাপ্তির আগে একাউন্ট অফিসে সবার কাছে থেকে ১০০০টাকা করে নিয়েছে। সেটা ছিল চাকরিজীবনের প্রথম ঘুষ প্রদান।
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের (ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা) ঘন ঘন বদলির ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রাপ্ত একাধিক অফিস আদেশ পর্যালোচনা করে জানা গেছে, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ধারাবাহিকভাবে অন্তত ৮টি বদলি আদেশ জারি করা হয়েছে। এসব আদেশে একই কর্মকর্তাকে একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন ইউনিয়নে বদলি করার নজিরও রয়েছে। ফলে কোনো কোনো কর্মকর্তা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রশাসনিক প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে বদলি করা হলেও অল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার কর্মস্থল পরিবর্তন হলে দাপ্তরিক কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে সম
নামজারি খতিয়ান সংশোধন করতে দিয়েছিলাম। আবেদন টি সাভেয়ারের কাছে গিয়েছে রিপোর্ট এর জন্য কিন্তু তার বিনিময়ে সেই ১০০০০ টাকা চাই দ্রুত রিপোর্ট এর জন্য। টাকা না দেওয়ার কারণে সেই প্রায় তিন সপ্তাহ দেরি করেছিল।
পাসপোর্ট এর প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র জমা দেবার পরেও বলছিল আমার স্থায়ী ঠিকানা হতে পাসপোর্ট আবেদন করতে, যদিও আমি গাজীপুর এর বাসিন্দা এবং ভোটার। পরে ঘুষ দিলে বিনা বাক্যে পাসপোর্ট আবেদন জমা দিতে সক্ষম হই।