মেয়েদের যে সরকারি ভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়
সরকারি ভাবে,মেয়েদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, এবং সেখানে ভাতা প্রদান করা হয়, এই সব আফিসের পিওনেরা টাকা চায়, বলে নিজেরা আবেদন না করে আমাকে টাকা দিন বেশি আমি আপনাদের টিকাইয়া দিবো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি ভাবে,মেয়েদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, এবং সেখানে ভাতা প্রদান করা হয়, এই সব আফিসের পিওনেরা টাকা চায়, বলে নিজেরা আবেদন না করে আমাকে টাকা দিন বেশি আমি আপনাদের টিকাইয়া দিবো।
প্রথম কথা হচ্ছে। বাড়ি বানানোর জন্য রাজউকের অনুমতি নিতে গেলে মোটা অংকের ঘুষ দিতে হয়। ২০০৯ সালের পর থেকে অকপেসি সাটিফিকেট নিতে গিয়ে ২০১৭ সালে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা দালালের মাধ্যমে রাজউকের উধধতন অফিসারকে ঘুষ দিতে হয়েছে। আইন যত বেশি হবে, ঘুষ তত বাড়বে। এবার আসি সিটি করপোরেশনের ঘটনায়। আমার বাড়ির হোন্ডিং ট্যাক্স কমানোর জন্য প্রতি ফ্ল্যাটে ১০ হাজার করে। আবার আপিলের টাকা কমানোর জন্য ৭ হাজার করে ঘুষ দিতে হবে। এর আগে আরেকটা অফিসারকে ৪০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছিল। সরকার পরিবর্তন হওয়ায় তিনি বদলী হন। এখন টাকা তো ফেরত পাইনি আবার নতুন করে ঘুষ দিতে হচ্ছে।
আমার চাচাতো ভাই মারা যাওয়ার পর তার আপন ছোট ভাই ও সন্তানদের মধ্যে তাদের স্থাবর অস্থাবর সকল সম্পত্তি সম বন্টন করে দেই। জমিগুলো বন্টন হওয়ার পর বন্টকনামা দলিল করতে গেলে স্থানীয় দলিল লেখকের সাথে যোগাযোগ করি। ওনাকে সকল কাগজপত্র দেয়ার পর উনি উনার পার্টনার আরেকজন দলিল লেখকের সাথে সমন্বয় করে বন্টক নামা দালিল টি সম্পাদন করে দিবেন বলেন। সরকারি ওয়েব সাইটে যেটার মূল্য মাত্র 3410 টাকা মাত্র সেটাই করতে দালিল লেখক বললেন ২লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দিতে হবে। আমরা কারণ জিজ্ঞাসা করলাম বলল অফিস খরচ। আরেক জন দলিল লেখকের সাথে যোগাযোগ করলাম উনি ১৫০০০০টাকায় করে দিতে রাজি হলেন। এটা শুনে প্রথম দলিল লেখক ১৫০০০০ টাকায় ই করতে রাজি হলেন। এর পর আমরা অন্তত ১০ জন দলিল লেখকের সাথে যোগাযোগ করেছি কেহই এর নিচে রাজি হয় না। সিন্ডিকেট।
In June 2026, I applied for a new passport at the Rajshahi Passport Office. Although I completed every legal step and provided all required documentation, I was initially subjected to unnecessary delays and conflicting information. I had to visit the office repeatedly over several days. After much persistence, they finally accepted my application. While the initial process was frustrating, some staff members later demonstrated exemplary behavior."
নামজারি করার আগেই ভুমি অফিসের ন টাকা চেয়েছিল এবং নমজারি হওয়ার পর টাকা দেওয়া হয়
মোটর সাইকে কাগজ না থাকায় ৫০০টাকা ঘুস দিতে হয়।
আমার শশুর কে নিয়ে আগারগাঁও জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট হাসপাতালে যাই চোখের ছানি অপারেশন এর জন্য, সব কিছু সিরিয়াল ধরে করেছি আমার প্রায় ৪ দিন লেগে যায় ডাক্তার দেখাতে। দেখানোর পর ডাক্তার রুম থেকে বের হয়ে আসার পথে এক আনসার আমাকে ডাক দিয়ে বললো নিচে গিয়ে অপারেশন এর জন্য ৩৫০০ টাকা জমা দিবেন আগামী আড়াই থেকে তিন মাস পর অপারেশন এর ডেট দিবে, ৩ মাস পর যখন আসবেন আপনাকে আবার সব পরিক্ষা নীরিক্ষা করাবে ডাক্তাররা আর আপনি যদি আমার সাথে ডিল করেন ১৫ দিনের মধ্যে আপনার শশুরের অপারেশন হয়ে যাবে, এ জন্য আপনার মোট টাকা খরচ হবে ৪৫০০ / অপারেশন এর জন্য জমা ৩৫০০+ আমি,ডাক্তার সবাই মিলে ১০০০,,, যদি রাজি থাকেন এখন প্রেস্ক্রিপশন আর ৫০০ এডভান্স করে যান কাল সকালে এসে কাগজ নিয়ে যাবেন আমি সব কমপ্লিট করে রাখবো আর ৪০০০ কাল দিব
ভূমি অফিসের কানুনগো ঘুষ ছাড়া কারো ফাইল অনুমোদন করতে দেয় না। প্রায় ৩ মাস ধরে আমাকে কষ্ট দিছে ঘুষের টাকা না দেওয়ায় আমাকে ঘুরাইছে।
টিন সার্টিফিকেটে আমার নাম ভুল আসায় তা অনলাইনে সংশোধনে দিই।কিন্তু অমুক (বাড়ি হাটাজারী) নামের ব্যক্তি বলেন তিনি ১৫০০ টাকা দিলে ২ দিনের মধ্যেই তা সংশোধন করে দিবেন না হলে এটি সংশোধন হবে না।বাধ্য হয়ে আমি টাকা দিতে বাধ্য হয়।
মিটার জন্য আবেদন করেছি কিন্তু ইলেক্টিশিয়ান এসে বলে ১৩০ ফুটের বাহিরে আমার ঘর পড়েছে তাই দিবে না,পরে আমাদের এলাকার এক দালাল আমার কাছে ৩৫০০ টাকা চায় টোটাল খরচ দিলে মিটার লাগিয়ে দিবে।
সেবাটি অফিসে সম্পন্ন করে ঘূষ প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে দিতে হয়েছিল। এখন আরো অতিরিক্ত ঘূষ চাওয়া হয়েছে, না দেওয়ায় এখনো কাজটি সম্পন্ন হয়নি।
দলিল করতে গিয়ে, সাব রেজিষ্ট্রেশন অফিসের কিছু লোক থাকে তাদের টাকা না দিলে।দলিল হবে না।
নতুন করে ফ্ল্যাটের টেক্স নির্ধারণের প্রক্রিয়া
ইএলপিসি ইসু্ ও পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্য না না অযুহাত ও পেনশন নীতিমালা তোয়াক্কা না করে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিলে পেনশন পাস করে টাকা না দিলে বাস করে না।
আমি একটি ইলেক্ট্রনিক মোটরসাইকেল কেনার পর বিআরটিএ তে নিবন্ধন করার জন্য নিজে নিজে বিআরটিএ'র ওয়েবপোর্টাল 'বিএসপি' তে একাউন্ট করি এবং যথাযথভাবে ফর্ম পূরণ করে আবেদন করি। কিন্তু কয়েকবার আবেদন করার পর বারবার আবেদন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই (২-৩ মিনিটি) তা প্র্যতাখ্যান করা হচ্ছিলো নানা অজুহাতে। এরপর আমি শোরুম এবং বিআরটিএ কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানায় যে, আপনি নিজে নিজে আবেদন করলে এটা মঞ্জুর হবেনা বরং শোরুম অথবা দালালের মাধ্যমে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিআরটিএ'র দায়িত্বরত নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ফি এর চাইতে প্রায় ২ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় এবং শোরুম কর্তৃপক্ষ ১ হাজার টাকা প্রসেসিং ফি নেয়। অর্থাৎ, বিআরটিএ তে মোটরসাইকেল নিবন্ধন করার জন্য সরকার নির্ধারিত ফি'র চাইতে ঘুষ হিসেবে মো
৪ বছর যাবত প্রতি মাসে বিকাশের মাধ্যমে প্রদান করতে হচ্ছে।
২০২২-২৩ এর দিকে আমরা আমাদের জমির নামজারি করাতে গেলে বলে এটা গিঞ্জি খতিয়ান হ্যান ত্যান এটা যদি আপনারা করেন ৮০ হাজার লাগবে পরে আমরা উপজেলায় গিয়ে আবেদন করে আসি এর পর কাগজ ওনাদের (গোলাকান্দাইল ভুমি অফিসের)কাছে গেলে বলে আমাদের লিখিত নেই হ্যান নেই ত্যান নেই।পরে বলে এটা আমরা পারমিশন দিতে পারবোনা আমরা অসহায় হয়ে তখন পরে টাকাটা পরিশোধ করতে হয়।
আমার পাসপোর্ট ভ্যারিফিকেশনের জন্য যখন আসি তখন দায়িত্বরত এসআই চট্টগ্রাম পুলিশ ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকার করলে ভয় ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে আমার চাচা কে দিয়ে যোগাযোগ করালে রাতের ১১টার পর অফিসে দেখা করতে বলে। রাতে দেখা করলে পরে ২০০০ টাকা নেয় কিন্তু ভ্যারিফিকেশন না করে পরে বাতিল করে দেয়।
এনআইডিতে জন্ম তারিখ সংশোধন এর জন্য অনলাইনে কয়েকবার আবেদন করি। সর্বশেষ আগারগাঁও এনআইডি অফিসে গেলে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করে। তখন অফিসের একজন স্টাফ কাগজগুলো দেখে বলে এই সংশোধন করতে আড়াই লাখ টাকা লাগবে। দুই দিনে এনআইডি পেয়ে যাবেন। ঘুষের এই টাকা রাজি না হওয়ায় ঐদিন ই আমার আবেদনটি বাতিল করে দেয়।
সরকারী চাকুরির স্বাস্থ্য সনদ নেয়ার জন্য যেসকল টেস্ট করা লাগে সব জায়গাতেই রিপোর্ট নিতে গেলে ২০০/১০০ হাতে না দিলে বলে এখনো হয়নি পরে আসেন। অযথা ঘুরায়