মোটরসাইকেল নিবন্ধন ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

আমি একটি ইলেক্ট্রনিক মোটরসাইকেল কেনার পর বিআরটিএ তে নিবন্ধন করার জন্য নিজে নিজে বিআরটিএ'র ওয়েবপোর্টাল 'বিএসপি' তে একাউন্ট করি এবং যথাযথভাবে ফর্ম পূরণ করে আবেদন করি। কিন্তু কয়েকবার আবেদন করার পর বারবার আবেদন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই (২-৩ মিনিটি) তা প্র্যতাখ্যান করা হচ্ছিলো নানা অজুহাতে। এরপর আমি শোরুম এবং বিআরটিএ কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানায় যে, আপনি নিজে নিজে আবেদন করলে এটা মঞ্জুর হবেনা বরং শোরুম অথবা দালালের মাধ্যমে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিআরটিএ'র দায়িত্বরত নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ফি এর চাইতে প্রায় ২ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় এবং শোরুম কর্তৃপক্ষ ১ হাজার টাকা প্রসেসিং ফি নেয়। অর্থাৎ, বিআরটিএ তে মোটরসাইকেল নিবন্ধন করার জন্য সরকার নির্ধারিত ফি'র চাইতে ঘুষ হিসেবে মো

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৩,০০০
যে কাজের জন্য মোটরসাইকেল নিবন্ধন
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য