পোস্ট অফিস
টাকা তুলতে গেছি টাকা তুলার পর খরচ বাবদ টাকা নিজেই কেটে নিয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা তুলতে গেছি টাকা তুলার পর খরচ বাবদ টাকা নিজেই কেটে নিয়েছে
Ghotona goto bochor er ami rajsahahi ttc te welding course e vorti hoisilam. surur dike valo kore koita class hoilew kichu din pore theke sir der khuje pawa jai na trade e eta sudhu oi trade ei na onno trade gular o same obosta. prothom koi din hat e dhore dhore koraito kaj kichu din pore theke sobai nijer iccha sadhin kaj kore sir ra khoj e nei na ke kaj korlo ba kar koto tuku hoilo ba kar kothai fault ache. dekhte dekhte assessment er date aslo oi din bole je 3000 kore dewa lagbe ak ak jon ke hoile pass sure korai dibe kintu eta r to kono kotha holo na course er time e sir ra kono koj nei nai abar exam time e aise taka chai. ttc te ei rokom akhon oo hoi ami eta just 1 tar kotha bollam.
ঘটনা 2022 সালের।আমি সিভিল বাট আমার ব্রাদার ইন ল এর আর্মী আইডি কার্ড ব্যবহার করে ক্যান্টনমেন্ট থেকে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি। হেল্প ডেস্ক থেকে বলা হয়েছিল আমি সিভিল হলেও পাসপোর্ট করতে পারবো কোনো সমস্যা হবে না। আমি আমার সকল কাগজ রেডি করে অফিসারের সাক্ষর আনতে যাই তখন তিনি সাক্ষর দিতে অস্বীকার করেন। পরের দিন একজন আনসার সদস্যর মাধ্যমে টাকা পেয়ে ঠিক এই সাক্ষর করে দেন।
প্রিপেইড মিটার স্থাপন করে জনৈক — নামে ব্যাক্তি বিল বেশি আসবে এমন ভয় দেখিয়ে বিকাশের মাধ্যমে ১৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে। তাকে দেওয়া ঘুষ বিকাসে দেওয়া হইছে,সেটার স্ক্রিনশর্ট আছে। — নিজেকে ডিপিডিসি বংশালের কর্মচারি বলেছে কিন্তু সে কন্টাকে মিটার স্থাপনের কাজে নিয়োজিত। আমার জানামতে প্রতি মিটার স্থাপনের জায়গায় সে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় ২,৫০,০০০/= টাকার উপরে ঘুষ নিয়েছে
Ami driving lisence ar notun gari registration korte chaichilam er jonno chaiche
আমার স্যারের আয়কর ফাইল অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়েছে,, তদন্তকারী কর্মকর্তা পক্ষে রিপোর্ট দেওয়ায় জন্য উক্ত অর্থ দাবি করে।।।
বেড ভাড়া চেয়েছিল ৩০০ টাকা
অরিজিনাল RAB 6 এর দুইজন পকেটে পোটলা ভরে দিয়ে অ্যারেস্টের ভয় দেখিয়ে 30 হাজার টাকা নিয়ে চলে গেল। পরে RAB 6 এর অফিসে অভিযোগ জানালে টাকা ফেরত দিয়েছে এবং জানিয়েছে তাদের মূল ইনকামটাই নাকি এভাবে হয়।
চ্যানেল ছাড়া কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিস নতুন এবং পুরাতন পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করে না। সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকলেও আগামীকালকে আসেন অথবা পাইলে সমস্যা আছে, খতিয়ান নিয়ে আসেন এরকম বলে ফাইল ব্যাক দেয়, চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা দিলে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে পাসপোর্ট ফাইল জমা নেয়।
হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, যেটা পিটিআই রোড, হবিগঞ্জে অবস্থিত,সেখানে পেনশনের জন্য গেলে কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও একজন আমার কাছ থেকে অফিসারের নাম করে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না চাইলে তিনি দুর্ব্যবহার করেন এবং জানান এখানে তিনি অযথা আমার কাজ করে দেওয়ার জন্য বসে নাই। অথচ অফিসার পদে যারা ছিলেন তারা কেউই টাকা চায়নি।
ঘুষ না দেওয়ায় কোন কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে ১১৭০ টাকার কাজ ১৫০০০ টাকার বেশি দিয়ে করাতে হয়েছে। ঘুষ দেওয়ার অল্প দিনের মধ্যেই কাজ হয়ে গেছে। কিন্তু এভাবে ঘুষ কি চলতেই থাকবে? কেউ কি থামাবার নেই? ঘুষখোরদের জন্য অভিশাপ ও লানত।
কর্মস্থল বদলীর আবেদন করে সেটা কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষর করাতে এবং অফিস আদেশ করাতে ৭০০০টাকা দাবী করা হয়। সেই টাকা পরিশোধ করে কর্মস্থল পরিবর্তনের অফিস আদেশ হাতে পাই।
আমি আমার সমস্ত লিগ্যাল কাগজপত্র জমা দেই এবং তারা দুইবার রিজেক্ট করে দেয় তৃতীয়বার ওই অফিসার একজন লোকের নাম বলে তার সাথে যোগাযোগ করার জন্য, আমি তার সাথে যোগাযোগ করি এবং সে ১০০০০ টাকা চায়, তিনি বলে টাকা না দিলে কাজ হবে না, পরবর্তীতে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই, তারপর আমার কাজটা হয়।
দলিল করার সময়, পর্চায় শুধু বাড়ী উল্লেখ থাকায়, তাও অনাবাসিক ছিলো, যে কারনে ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন নাহলে দলিল করবেন না বলেছিলো, এবং সাথে নামের একটা অক্ষর ভুল থাকায় ১৫ হাজার নিয়েছিলেন যদিও একই ব্যাক্তির ওই নামের জন্য চেয়ারম্যান কতৃক প্রত্যয়ন পত্র ছিলো। রাজৈর উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার অফিস যেনো, অনিয়মের কারখানা, সাথে আছেন দলিল করার মহরিরা। সবাই এক সাথে ঘুস খায়, লেনদেন করে দেন মহুরি গুলো। একজনের সাথে তো এমন হয়েছিলো, তার ৫ লক্ষ টাকার দলিলে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ চাচ্ছিলো, আর এভাবে বলতেছিলো যে, " আরে মিয়ে সেদিন ৩ লক্ষ টাকার দলিলে ৩০ হাজার দিছে আর আপনি ৫ লক্ষ টাকার দলিলে দিবেন না!"। যেনো এটা অধিকারে পরিনত হয়েছে
জন্ম নিবন্ধন এর ইংরেজি নাম এর বানান ঠিক করে আবেদন আগৈলঝাড়া ইউ এন ও অফিসে নিয়ে যাই।সেখানকার সিএ বা অফিস সহায়ক — আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে আমি ২০০ টাকায় দেই
২০১৯ সালে আমি পটিয়া সদর ভূমি অফিসে একখানা মিস মামলা করি, মিস মামলার মূল বিষয়বস্তু হলো বিএস রেকরডিয়াম মালিক —,তিনি মারা যাওয়াই তারও আর এর সূত্রে ৫ কন্যা ৩ পুত্র মালিক হন,পরবর্তীতে তারা তিন পুত্র দুই কন্যা মিলে মিথ্যা ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দেখিয়ে সম্পূর্ণ অংশ বিক্রি করে দেন — গং এর কাছে পরবর্তীতে তা আমার বাবা এবং চাচারা মিলে সম্পূর্ণ অংশ খরিদ করেন এবং নাম জারি করেন,পরবর্তীতে জানতে পারলো আরো তিন কন্যা রয়ে গেছে তারা বাহিরে বিক্রি করতে ইচ্ছুক তাই উক্ত অংশ আমার বাবা খরিদ করেন এবং নামজারের সংশোধন করার জন্য মিস মামলা করি. ভূমি অফিসের বিচারক মহোদয় প্রত্যেকটা নতি যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে বিভিন্ন দপ্তর হতে রিপোর্ট দিতে বলেন এমনকি পটিয়া পৌরসভা কর্তৃক নতুন ওয়ারিশান সার্টিফিকেট....
শ্রীপুর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের নাম বা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করে বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে নির্ধারিত ফি না থাকলেও প্রথমে ৫০০, পরে ১,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। আরও অভিযোগ, কিছু শিক্ষার্থীকে টেস্ট পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমোদনের জন্য প্রতিটি বিষয়ে ১,০০০ টাকা করে নেওয়া হয়। এছাড়া শোনা যাচ্ছে, বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও প্রায় ৫ লাখ টাকার কাজ হয়েছে এবং বাকি ২০ লাখ টাকার কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না।
শহরের এস বি অফিসে পুলিশ প্রতিবেদনের জন্য গেলে এস আই সাহেব সরাসরি খরচ দাবী করে। দরদেনা করে ৩০০০টাকা পরিশোধ করে পুলিশ রিপোর্ট হাতে পেয়েছিলাম। দুইবার আলাদা সময়ের ব্যবধানে গিয়েছিলাম,একই লোক এর কাছেই যাওয়া লেগেছিল। দুইবারই ৩০০০+৩০০০=মোট ৬০০০টাকা দিয়েছিলাম।
উনি UNO অফিসের নাজির। সব কাজে ঘুষ খায়।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটি অস্পষ্ট পদোন্নতি নীতিমালা তৈরি করেছে এবং দুর্নীতির সুযোগ করে দিতে প্রতি বছর তা পরিবর্তন করছে। মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান তার সংগ্রহকারীদের (দালাল/প্রতিনিধি) মাধ্যমে অফিসার থেকে সিনিয়র অফিসার পদে পদোন্নতির জন্য ৩ লক্ষ টাকা এবং একই কর্মস্থলে বহাল রাখার জন্য অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা দাবি করছেন। অথচ এই কর্মকর্তারা গত ৪-৫ বছর ধরে পদোন্নতির জন্য যোগ্য এবং ইতিমধ্যেই একই পদে ৮-৯ বছর ধরে কর্মরত আছেন।