সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৭,৭৪৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
শুধু দাবি করেছে অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১০.০ হাজার

এনআইডি কার্ডের সংশোধন

২০২৩ সাল থেকে নাম সংশোধন এর জন্য ঘুরতেছি এখন জানালো আরেক কর্মকর্তার মাধ্যমে ১০০০০ হাজার টাকা লাগবে। প্রমান রেখে দিছি ভাবছি ব্যবস্থা নিবো ইনশাআল্লাহ যদি কেউ সহযোগিতা করতে পারেন ভালো হতো। এখনো দেইনি দেখি কি করা যায়

কুমিল্লা, চান্দিনা, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

চাকুরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন

আমার সরকারি চাকুরির ভেরিফিকেশন এর জন্য চৌদ্দগ্রাম থানা থেকে কল দেয়।আমি চাহিত সকল ডকুমেন্টস দেয়ার পরেও এসআই — দাপ্তরিক খরচ বাবদ ২০০০ টাকা চায়। আমি অনেক অনুরোধ করে ১ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।টাকা না দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ দেয়ার রেকর্ড আছে চৌদ্দগ্রাম থানার।

Chouddagram, Cumilla, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫০০

স্মার্ট কার্ড ফিঙ্গারপ্রিন্ট

বাইকের ডিজিটাল নাম্বার প্লেট এবং স্মার্ট রেজিস্ট্রেশন কার্ডের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ০ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳১০০

নগরিক সনদ

ছোট ভাইয়ের জন্য নাগরিক সনদ নিতে ভাইকে সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে যওয়ার পর একটা ফর্ম দিয়ে বলে পূরণ করতে, পরে জমা দিতে গিয়ে গাড়িভাড়া বাবদ ২০০ টাকা চেয়ে বসে। যেহেতু হাতে সময় ছিল না জরুরি দরকার তাই কোন ঝামেলা না করে দিয়ে দেই। টাকা দেওয়ার পরে ফর্মের উপর একটা সাংকেতিক মার্ক করে। পরে বলে কালকের মধ্যে পেয়ে যাবেন ; জমা দেয়ার পরদিন বিকালে দিয়ে দেয় নাগরিক সনদ।

ঢাকা, ঢাকা ২৩ আগস্ট ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি পাসপোর্ট অফিস ৳১৫.০ হাজার

নতুন পাসপোর্ট করানো

নতুন পাসপোর্ট করানোর জন্য সকল কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও কোনো কাগজ জমা নিতে চায়নাই, এর পর এভাবে ২-৩ দিন ঘুরানোর পরে পাশেই থাকা ডিসি অফিসে আমি এবং আমার পরিবার জয়পুরহাটের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে বিষয় টি নিয়ে যাই এবং কথা বলি। উনি সকল কাগজ দেখে কল করে বলে দেন যে, পেপারস এ সমস্যা না থাকার পরেও কেন নেওয়ার হচ্ছে না? যিনি নিতে রাজী ছিলেন না, বলেন যে সে নিবেন পেপারস গুলি। পরবর্তি তে উনার কাছে গেলে গার্ডেকে দিয়ে আমাদের থেকে ১৫,০০০ টাকার ঘুষ নেন। পরে পেপারস নিয়ে বলেন, যেখানেই যান ৩ দিন আগে টাকাটা ছারলে ৩ দিন আগেই পাসপোর্ট পেতেন। ঘটনা টি ২০২০-২১ সালের দিকে।

Joypurhat, রাজশাহী ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৫০০

মিউটেশন

আমি মিউটেশনের জন্য আবেদন করি। আবেদন এরপর উপজেলা ভূমি অফিস হতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসে, তদন্তের জন্য। আমি সেখানে ফাইল জমা দিলে তারা তদন্তের জন্য আসে। তদন্ত করে যাওয়ার সময় গাড়ি ভাড়া দাবি করছে, আমি কতদিবো জানতে চাইলে হাতের ইশারায় ৫দেখায়। আমি ৫শ না ৫হাজার বুঝিনি। তখন হাতের ইশারা দেখে আমি বলছি, আমার অতো টাকা নেই, তখন সে বলছে এখানে গাড়ি ভাড়াও তো ৫০০টাকা লাগে। তখন আমি বলছি, এখানে আমরা রিজার্ভ আসি ১৫০টাকায়, আপনি ২০০নেন। কিন্তু ওরা ৩০০টাকা নিয়ে গেছে।

চকরিয়া, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৫০০

এলপিসি

আমি স্বাস্থ্য ক্যাডারে কর্মরত। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্সে ছিলাম। ২০২৪ সালে ঢাকা থেকে ডেপুটেশন শেষ করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে জয়েন করি। এরপর ঢাকা সেগুনবাগিচায় এলপিসি নেওয়ার জন্য কাগজপত্র জমা দেই। কিন্তু জানতামনা এর সাথে টাকাও দিতে হয়। সেখানকার অডিট সাহেব তার অনেক কাজ তাই আমার কাজে হাত দিতে পারছেনা অযুহাত দিচ্ছিলো। এদিকে আমার বেতন ১ মাসের বেশি সময় ধরে আটকা। পরে বুঝতে পেরে আমার শালার হাতে ৫০০ টাকা দিয়েছিলাম এবং পরের দিনই কাজ হয়। এর আগে ২০২২ সালে নওগাঁ জেলার একটা উপজেলা থেকে যখন ডেপুটেশনে যাই তখনও এলপিসি নেওয়ার জন্য একাউন্ট অফিসে ৫০০টাকা দিতে হয়। এখন পর্যন্ত যত জায়গায় জয়েন করেছি তখন এবং সেখান থেকে বদলি হয়ে যাওয়ার সময় এলপিসি নিয়েছি উভয় ক্ষেত্রে একাউন্ট অফিসে ৫০০ করে টাকা দিতে হয়েছে।

ঢাকা, ঢাকা ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳১০০

ইমারজেন্সিতে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলাম। চিকিৎসকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ঘুষ নিয়েছে।

জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে বিকাল ৩ঃ৫০ এর দিকে ইমারজেন্সিতে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। ডাক্তার দেখানো শেষে আমাকে বাইরে বসতে বলা হয় এবং প্রেসক্রিপশন আমার হাতে বুঝিয়ে দেওয়ার আগে ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট বলে খুশি হয়ে যা দেওয়ার দেন, ৫০ টাকা দিলে প্রেসক্রিপশন দিতে আর অস্বীকার করে এবং সর্বনিম্ন ১০০ টাকা দাবি করেন।

Dhaka, ঢাকা ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৫০.০ হাজার

ভূমি অফিসের নিজস্ব দালাল ছাড়া খারিজ হয় না।

ভুমি অফিসের নিজস্ব দালাল আছে, তাদের ছাড়া খারিজ হয় না বিভিন্ন বাহানা দিয়ে কাগজ আটকে রাখে, দালাল দিয়ে করলে টাকা এক লক্ষ্য, পঞ্চাশ হাজারের নিচে কোনো কাজ হয় না। সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে আছে নায়েবের ঘুষ দুর্নীতির কারণে। অফিসে গেলে মনে হবে তারা সবাই মসজিদের ইমাম সাহেব ঘুষ দুর্নীতি কিছুই করে না।

নরসিংদী, রায়পুরা, হাসনাবাদ, ঢাকা ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳১.৫ হাজার

নতুন পাসপোর্ট

আমি নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি, যখন আমি আমার পাসপোর্ট এর ফাইল সাবমিট করি, ওই কর্মকর্তা আমার ফাইলটি দেখার পরে বললেন আমার পেশা পাইভেট সার্ভিস দেয়া হয়েছে ওইটি সংশোধন করে দিতে, তখন আমি তাকে অনেকভাবে বুঝানোর চেষ্টা করি তিনি আমাকে আমার ফাইল রাখলেন না, তখন আমি পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে যাই তখন এক ব্যক্তি আমাকে বললেন কি সমস্যা তখন আমি আমার সমস্যা বললাম তিনি বললেন কোন সমস্যা নাই তখন তিনি দাম বললেন ২০০০ টাকা লাগবে তখন আমি ওনার সাথে দামাদামি করে ১৫০০ টাকা করি, তখন আমি আগেরই ফাইল আবার নিয়ে যাই সবকিছু ঠিকঠাক রেখে কোন সংশোধনী করি নাই তখন অফিসার আমার ফাইলটি গ্রহণ করেন আমাকে আর কোন কিছু প্রশ্ন করেন নাই।

সিলেট, সিলেট ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳১০.০ হাজার

Passport

অনলাইনে আমি নিজেই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি। আমার আবেদন ফরমে আমার কোন তথ্যে ভুল ছিল না। আবেদন ফরমের সঙ্গে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ যখন আমি কাউন্টারের জমা করি, তখন তারা বিভিন্ন ধরনের অপ্রাসঙ্গিক নথিপত্র চেয়ে বসে। প্রেসার প্রমাণ পত্র, বিবাহিত হলে কাবিননামা ইত্যাদি ইত্যাদি। ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়ার পর আবার শুরু হয় নানা ধরনের তালবাহানা। হতাশাগ্রস্ত হয়ে বাইরে এসে দাঁড়ালাম, পাশে এসে এক লোক দাঁড়ালো এবং দশ হাজার টাকা দাবি করল। এবং নতুন করে আবেদন ফরম তৈরি করে দিল। এখন আর অতিরিক্ত কোন ডকুমেন্ট লাগেনি শুধুমাত্র আবেদন ফরম নিয়ে কাউন্টারে জমা দিলাম। তখন সাথে সাথেই আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নিল। অতিরিক্ত কোন কথা না বলেই আমাকে ছবি তোলার জন্য অন্য রুমে পাঠিয়ে দিল।

Lakshmipur, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১৫.০ হাজার

নামজারী করার জন্য

নামজারী আবেদন করার পর প্রস্তাবের জন্য তহশীলদারকে দিতে হয় ৪০০০, সার্কেল অফিসে প্রেরণের জন্য দিতে হয় ৫০০-১০০০, সার্কেল অফিসে ফাইল আসলে সার্ভেয়ার ও কানুনগো বাবদ দিতে হয় (১৫০০+১৫০০)=৩০০০, এর পর জারীকারককে নোটিশ বাবদ দিতে হয় ১০০০, ওরা ফাইলটিতে প্রতিবেদন দিয়ে পাঠিয়ে দেয় অফিস সহকারীকে, অনুমোদন বাবদ সহকারী নেয় আরো ৫০০০, অনুমোদন হওয়ার পর ফাইল যায় তামিল শাখায়, খতিয়ান তামিল বাবদ নেয় ১০০০ মোট খরচ ১৫০০০ সর্বশেষে আরো ১১৫০ নিজের পকেটের টাকা দিয়ে ডিসিয়ার কাটলাম এবং খতিয়ান প্রিন্ট নিলাম এই হলো নামজারীর অবস্থা

চান্দগাঁও সার্কেল, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সরকারি হাসপাতাল ৳৫.০ হাজার

সরকারি ভাবে অপারেশন

সাধারণত সরকারিভাবে অপারেশন করানো হলে কোনো টাকা নেওয়া হয়না। শুধু মাত্র যদি কোনোপ্রকার সরঞ্জাম( রড, পিন, এলিজার্ব) কিন্তু এরা কয়েকজন অপারেশনের পরে ৪০০০-৫০০০ টাকা দাবি করে বসে। টা নাহলে রুগীর ফাইল দিতে অস্বীকার করে। ডক্টর রা জেনেও এইসবে বাদা দেয়না। আর দিনে ৫-৬ টা অপারেশন হয়। তারও বেশি। প্রতিজন থেকে ৩০০০-৪০০০.

খাগড়াছড়ির সদর হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২.৫ হাজার

খাজনা

গত বছর ৩৫০০টকা নিয়ে খাজনার রশিদ দিয়ে ছিল ৫২০ টাকা এবং সাথে একটি জমির অর্ধেক খাজনাতে তুলে ছিলনা এবং বলছিল এটা ভুলে হয়ে গেছে পরের বছর ঠিক করে দিবে কিন্তু এই বছর ঠিক করে দিল তবে ২৫৩০ দিতে হবে নাহলে কাজ করে দিবে না আমার ও খাজনা দেওয়া জরুরী ছিলো তাই উপায় না পেয়ে দিতে হয়েছে এবং সে রিসিভ দিল ৫১০৳

বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার নারহট্ট ইউনিয়ন ভুমিঅফিস, রাজশাহী ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার

পুলিশ ভেরিফিকেশন

অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদনের পর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় বর্তমান ঠিকানার থানা থেকে ফোন আসে আমার কাগজপত্র নিয়ে যেতে। সেখানে এক হাজার টাকা রাখে। তারপর আমার স্থায়ী ঠিকানা থেকে একজন ফোন দেয় এবং এবং বিকাশে খরচ পাতি চায়। আমি যেই টাকা অফার করি সেটা শুনে ঘ্যানঘ্যান করে ফোন রেখে দেয়। পরে সেটার দ্বিগুন টাকা করলে আমার ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয়।

ঢাকা, ঢাকা ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৫০০

জন্ম নিবন্ধন- সংশোধন

ইউনিয়ন পরিষদে যাই, আমার জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটটি সংশোধন করতে। সেখানে দেখা যায়, সচিব সরাসরি অর্থের বিনিময় ইউনিয়ন পরিষদ সেবা প্রদান করছে। যে টাকা দিতে পারছে না, তাকে নানা কাজের জটিলতা বুঝাচ্ছে। থানায় জিডি, উপজেলায় আবেদন, নির্বাচন অফিসে যাওয়া ইত্যাদি৷ টাকা দিলেই সেই জটিল কাজের দাইত্ব নিয়ে নিচ্ছে সচিব।

হাটিকুমরুল ইউনিয়ন পরিষদ, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী ২৩ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য