Garments Factory License renew
কলকারখানা অধিদপ্তর এ Garments Factory License renew এর জন্য দেয়া হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কলকারখানা অধিদপ্তর এ Garments Factory License renew এর জন্য দেয়া হয়েছে।
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বালি ভরাট কাজটি পাওয়ার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা রাজশাহীতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছি
amar Birth certificate e English name and address chilo oi gulo new Certificate e bengali soho ase oi ta onara vul kore bengali kore dey nai. ekhon jokhon info update korte gechi 2k taka nilo na dile bivinno kagoj potro chailo ja amar kache nai. already birth site e ami registered tao amar kache theke taka nia ei birth certificate ta korlo tao 2 week ghuranor pore. jodi birth certificate online e hoy tahole onader kache keno jaoya lagbe 1 bar to verifiy kore sob info dia koriyechi and website eo ache akhon keno taka dia ai gulo korte hobe. ai ghush banijjo bondo hoya dorkar.
আমার মামাতো ভাই পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। অনেক হয়রানী করছে। ডিডি — শালা একটা বেশ্যার দালাল। টাকা না খেয়ে দিলোই না।
একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য টাকা চেয়েছে ১,৮০,০০০। তার মধ্যে সরকারি ফি প্রায় ৩০,০০০ বাকি ১,৫০,০০০ টাকা ঘুষ
আদালতে ডকুমেন্ট উপস্থাপন করতে না পারার কারণে আমি ৫ লক্ষাধিক টাকা জরিমানার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমার কাছে কল রেকর্ড এবং ডকুমেন্ট প্রমাণ রয়েছে।
NOC দেয়ার পরও আমার ফাইল জমা নিচ্ছিলো না। পরে দালালের মাধ্যমে ১৫০০টাকা দিয়ে একই মানুষের কাছে ফাইল জমা দিয়েছি পরের দিন।
আমি পঞ্চম শ্রেণির সার্টিফিকেট সংশোধন করতে গিয়ে কাগজ জমা দেওয়ার সময় আমাকে বলে খরচের টাকা দিতে অন্যথায় কাজ হবে না। আজকে ৮ মাস চলতছে আমার সার্টিফিকেট সংশোধন করে দেয়নি।
মৎস্য ও মৎস্যপন্য রপ্তানিতে নন-প্যাকার লাইসেন্স করতে হয়। ২০২৫ সাল পর্যন্ত ঘুষ দেওয়া লাগত প্রতিটি লাইসেন্স এর জন্য ২০০০টাকা। ২০২৬ এ এসে নতুন ঘুষ এর চার্ট অনুযায়ী প্রতি লাইসেন্স এ ঘুষ দেয়া লাগে ৫০০০০ টাকা। অফিসার — ও —র জন্য ছোট উদ্যোক্তারা এক্সপোর্ট করতে পারছে না ফলে দেশ রেমিটেন্স বঞ্চিত হচ্ছে।
১৫০০ টাকা দিতে হয়।তারা টার্গেট করে বিশেষ করে যারা একটু অশিক্ষিত তাদেরকে বা যারা কম বোঝে।এমনি একটা ভুল ধরে বলে যে এইটা ঠিক করতে হবে।এইটা নিয়ে আসলে আরেকটা ভুল ধরে।মানে ১৫০০ টাকা নিবেই।এবং দুপুর দুইটর পরে তারা এই কাজ গুলো করে থাকে যখন সবাই চলে যায়।এবং পাসপোর্ট অফিসের দিজি নিজেই জড়িত এইটার সাথে। উনি উপরে বসে থেকে এগুলো করায় এবং একটা মহিলা এগুলো সাহায্য করে।
ডেমরা অর্থাৎ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৮ নং ওয়ার্ডের কর অঞ্চল ৮ এর উপর এরা পুরো অফিস সংঘবদ্ধভাবে জুলুম চালাচ্ছে। ২০২০ সালে এরা প্রথমে উচ্চ হারে হোল্ডিং ট্যাক্সের দাবি জানিয়ে যায়। কিন্তু অনুন্নত এলাকা বলে এখানে বাড়ির আয় ঢাকার অন্যান্য এলাকা হতে নেহাতই কম। এরা নিজেরাই প্রস্তাব দেয় প্রতি বাড়ি থেকে গড়ে ১০,০০০ টাকা খরচ দিলে এরা এই হোল্ডিংয়ের বিপরীতে দুইটি মামলা চালাবে। গ্রাহকরা নিজেরাও খরচ কমানোর মামলা ব্যক্তিগতভাবে করতে পারে এমনটাও দাবী করেছিল। সকল গ্রাহক এই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিল। প্রতি বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স কমিয়ে লেখার জন্য কম করেও ১-১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সংগ্রহ করেছে এরা। ৪০% কম করের বদলে যদিও তারা ২৫% কম কর ধরে। কর দিতে গেলে বিভিন্ন গোঁজামিল দিয়ে প্রচুর টাকা পকেটস্থ করে
কাহিনীটা হচ্ছে আমার একটা মিটার নষ্ট ওইটা ঠিক করানোর জন্য ওই লোকটাকে বারবার বলা হয়েছে লোকটা বলছে যে সরকারি লোক আসলে আমি এটা ঠিক করে দিব এরকম করে উনি আট থেকে নয় মাসে নষ্ট রাখছে উনি ওই মিটার টার একটা এভারেজ রিডিং লেখা নিয়ে গেছে পরে যখন ছয় সাত মাস পরে ওইটা ঠিক করার জন্য তারে চাপ দেওয়া হয়েছে তখন সে আসছে। তখন আইসা বলতাছে যে এখনই মিটার মধ্যে রিডিং অনেক বেশি হয়ে গেছে ৬০-৭০ হাজার টাকা লাগবো আমি মিটার চেঞ্জ করার জন্য আমি বলছি আমাকে এডিটিং এর প্রমাণ দেখান তো উনি কোন কারনে প্রমাণ দেখাতে পারেনি উনি গা চুরি করে চলে গেছে ঠিক এর কিছুদিন পরে উনি একটা অফিসার নিয়ে আসছেন আমার ছবি টবি টুইটলা নষ্ট মিটার নষ্ট বইলা আমাকে অনেকে নষ্ট করছে
ভূমি অফিসে গিয়ে প্রথমে দলিল তোলার চেষ্টা করেছিলাম। কোন ব্যক্তি সাহায্য বা সঠিক তথ্য দেয়নি। এরপর নামজারি করার প্রক্রিয়া জানতে গিয়ে বুঝলাম, এখানে টাকা ছাড়া কেউ কথা বলে না। পরে, এক অফিস সহকারীকে ঘুষ দিয়ে কাজ করিয়েছি। পরে জানতে পারি, সে কোন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ছাড়াই এই কাজ করেছে, যেখানে সাধারণ মানুষ একই কাজ করতে গেলে ও ডকুমেন্টগুলো ছাড়াও আরো অনেক কিছু দিতে বলে। যেটা কেবলই হয়রানি করার জন্যে।
আমার একটা জমির নামজারির জন্য আমি গিয়েছিলাম হচ্ছে আমাদের এলাকার একজন দলিল লেখক এর কাছে তিনি আমাদের সবার মানে আমাদের এলাকার সব জমির যাবতীয় কাজ সেই দেখে আমি এটা দিয়েছি ডিসেম্বর ৩ ২০২৫ তারিখে আমি তার কাছে কাজটা করতে দেই প্রায় এক বছর হয়ে গেল আমার কাজটা করে দিতেছেনা আর বলতেছেন যে ২৫ হাজার টাকা লাগবে না হইলে ঝামেলা হবে তখন আমি কোন কিছু বুঝতে না পেরে টাকা পরিশোধ করে দেই
গতকাল আমি চাঁদপুর কারাগারে যাই আমার কাছের ছোট ভাই কে সেফ কাষ্টাডি তে রাখা হয়েছে তার সাথে দেখা করার জন্য... যখন দেখা করতে যাই টোকেন দেয়ার জন্য টাকা চায় বলে এটা টোকেন ফি.. যেটা আমি জানতাম নাহ যে টোকেনের কোনো টাকা নেই.. পরে মোবাইল জমা রাখে আবার মোবাইল ফেরত নেয়ার সময় বলে মোবাইল রাখার টাকা দিন পরে আবার ৫০ টাকা নেয়... পরে বাহিরে এসে জানতে পারি আসামির সাথে দেখা করার জন্য কোনো প্রকার টাকা নেয়া হয়না..., চাঁদপুর বাবুরহাট কারাগার এর গেট এর কারারক্ষী।
দুর্নীতির মামলায় হয়রানিমূলক ভাবে জড়িয়ে, পরে টাকার বিনিময়ে আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। মামলা চলাকালীন সময়ে আমার বেতন স্থগিত আছে । এইভাবে চলতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে আমার পক্ষে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের মাঠ পরীক্ষা দিতে ছিলাম। বাইক চালানোর সময় একবারের শেষের দিকে বাইক থেকে মাটিতে পড়ে। পরে একজন জানায় উনাকে ৪০০০টাকা দিলে পাস করে দিতে পারবে। এখন আমার একাডেমিক পরীক্ষা থাকার জন্য আগেও একবার ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দিতে পারিনি। পরে আবার কিছুদিন পরেই আমার পরীক্ষা ছিল। তাই লাইসেন্সটা নেওয়ার জন্যই তাকে ৪ হাজার টাকা দিয়েছিলাম যেন পাস করে দেয়।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের, সেবাটি ছিল হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের বিষয়ে, আমি যখন বাৎসরিক হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করতে যাই তখন আমাকে জানায় আমার হোল্ডিং ট্যাক্স প্রায় চার গুণ বেড়ে গেছে এবং তাদেরকে যদি ঘুষ দেওয়া হয় তাহলে তা আগের মত অথবা কিছুটা বেশি করবে, এমত অবস্থায় আমার কাছে ৩ লক্ষ টাকা দাবি করে পরে তা দুই লক্ষ টাকায় দফারফা করে,
Ghotonati younus sorkarer somoy passport korte gesi tara nana rokom documents chay r vul dekhay r bahire computer er dokan ache okhane gele tara choto kore akta number likhe abr akta nirdishto jaygay tik mark dey er por niye gele tara kono kagoj pati dekhe na oidin e finger niye documents submit kore. Dekhe kharap lagsilo 70+ boyosh er ek uncle re tara saradin ghuriyese but taka deyni dekhe finger ney ni sathe aro bolese kisu documents niye ashen. Ami dhaka theke nije kore niye gesilam jantam na bishoy ta amr documents jokhn ferot dilo tokhn ak vai amy deke bolese computer er dokane jan r bistarito bollo
বয়স কমিয়ে দেওয়া, ডেটও মিলে না, তাই বয়স আসলটা দিতে (বৃদ্ধি) করতে চেয়ে আইনের মার প্যাচে প্রায় ২০০০০ টাকার মতো খরচ করে শেষে একটা ডকুমেন্ট যা দেওয়া অসম্ভব তা দিতে না পারায় কাজও হয় নি । ঘুষের ১৩০০০ আর অন্যান্য কাগজ পত্র করতে ঘুষসহ আরও খরচ করেছি বাকিটা