পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকেছিলো,সেখানে আমার বিস্তারিত জানার পরও কর্তব্যরত ডিএসবি অফিসার শেষ মুহূর্তে ঘুষ চেয়ে বসে । কিন্ত আমি দিতে রাজি হইনি ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকেছিলো,সেখানে আমার বিস্তারিত জানার পরও কর্তব্যরত ডিএসবি অফিসার শেষ মুহূর্তে ঘুষ চেয়ে বসে । কিন্ত আমি দিতে রাজি হইনি ।
আমি নির্বাচন কমিশনার অফিসে গিয়েছিলাম, আমার এন আইডিতে দেয়া তথ্য সংশোধনের জন্য।অফিসে প্রদর্শিত তথ্য দেখে ওরা আমাকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বলে, অফিস থেকে আসার পরে আমার পরিচিত এক বন্ধুর কাছে জানতে পারি নির্বাচন কমিশনের কর্মরত এক ব্যক্তির নাম, যিনি ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি সম্পন্ন করে দিতে পারবেন। অথচ আমি যখন সংশোধনের জন্য সরাসরি যাই, তারা সেটা প্রত্যাখ্যান করে।
আসালামুলাইকুম, আমি একজন প্রবাসী,—, আমি আমার মাকে ইতালি আনতে আবেদনের মাধ্যমে যথাযথ বাংলাদেশে ইতালি embassy জমা করি অতঃপর embassy আমার মায়ের visa আবেদন reset করে দেয়। কারন আমার দুই বোন আছে তাদের স্বামীর বাড়ি থেকে জীবন যাপন করে আসছে আমর মাকে italy আনতে হলে আমার বোনের লিখিত ডকুমেন্ট এবং আমার মা একজন অসুস্থ certificate ministri করে italy আদালতের মাধ্যমে আমর মায়ের visa rissue হবে। আমি পল্টন এক সরকারি কর্মকর্তার কাছে সকল doc. পাঠানো হলে আমাকে বলে officer সাথে কথা বলে জানাবে 7/8দিন ঘুরিয়ে 10 হাজার দাবি করে। আমি আদালতে date এসে যাওয়ায় আমি আমার বোনদের docকরতে রাজি হওয়ায় আমার এক বোনের doc হয় তার পর আমার কাছে 5 হাজার দাবি করেন আমি না দিলে ministri ডকুমেন্টস online থেকে সরিয়ে দেয়।
পাসপোর্ট আবেদর ফরমে আমার নাম এর আগে মোঃ দেই কারণ এটা আমার সার্টিফিকেটে ছিলো। কিন্তু জন্মনিবন্ধনে ছিলো না এই কারনে আমার পাসপোর্ট রিজেক্ট করে দেয়। বলেছিলো নতুন করে আবেদন করে নিয়ে আসেন। কিন্তু আমি ৬৩০০+ টাকা দিয়ে আর্জেন্ট ডেলিভারিতে পাসপোর্ট আবেদন করেছিলাম, আমি যদি আবার আবেদন করতাম আমার আরো ৬৩০০+ টাকা লাগতো। আমি অনেক রিকুয়েষ্ট করলেও তারা আমার আবেদন গ্রহণ করে নি পরে আমি এক আনসার এর সাথে কথা বলি, সে বলে করে দিতে পারবে। তারপর তাকে ১৫০০ টাকা দিই, আমাকে আবার অন্য একজন কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যায় এবং সে আমার আবেদনটি গ্রহণ করে তখনও আমাকে বলে আমার নামের আগে মোহাম্মদ নেই, আমি বললাম ভুল করে আমি ফর্মে লিখেছি আপনি একটু এডিট করে দেন তারপর তারা আমার আবেদনটি গ্রহণ করে।
চিফ অ্যাকাউন্ট্যান্ট এর অফিসে থেকে যে কোনো ধরনের বিল পাস করতেই ঘুষ দিতে হয় তা না হলে নানা বাহানায় মাসের পর মাস ফেলে রাখে। শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রত্যয়ন আনা যেহেতু জরুরি বিষয় তাই বাধ্য হয়ে তাদের চা নাস্তার দাবি কৃত অর্থ (৫০০টাকা) দিতে হয়েছে।
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য বেশি টাকা দাবি করেছিল
আমার বাবার মৃত্যুর পরে তার একাউন্টে কিছু টাকা ছিল। ওই টাকাগুলো আমার একাউন্টে আনার জন্য আমি ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে জনতা ব্যাংক পি এল সি ফরিদগঞ্জ শাখা চাঁদপুরে যাই , টাকা আমার একাউন্টে আমার জন্য অনেকগুলো কাগজের কথা বলা হয়। সকল কাগজ গুছিয়ে আমি তিনবার ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ট্রান্সফারের জন্য বরিশাল টু ফরিদগঞ্জ যাওয়া আসা করি। তৃতীয়বার তারা টাকা দিতে রাজি হয় এবং বলে কিছু নাস্তার টাকা দিয়ে যেতে বলে। আমি না দিতে প্রত্যাখ্যান করলে তারা বিভিন্ন ধরনের কথা বলে, উনারা নাকি এটা নিয়ে অনেক কষ্ট করেছে এই করেছে সেই করেছে, আমি প্রথমে ৫০০ টাকা দিই তারা নিতে প্রত্যাখ্যান করে, তাদেরকে আমি ২০০০ টাকা দিলে তারা নিতে চায় না আরো কিছু টাকা চায় পরে আমি আরো ৫০০ টাকা দেই, মোট ২৫০০ টাকা দিতে হয়েছিল আমাকে।
আমার বার্থ সার্টিফিকেটে মায়ের নামের বানান ভুল ছিল । বিদেশ যাব দেখে নাম সংশোধন করার দরকার ছিল। প্রথমে ৫০ টাকা খরচ করে এই কাজের জন্য দরকারি কাগজ পত্র জমা দেই । আজ আসেন, কাল আসেন বলে ১ মাস ঘুরায়, তারপর বলে আবার এপ্লাই করেন । ধৈর্য নিয়ে আবার ৫০ টাকা খরচ করি , সেইম আগের মত ঘুরায় । এবার ঘুরলাম ২ মাস । ৩য় বার এপ্লাই করতে যখন গেলাম তখন পিয়ন ডাক দিয়ে বলল ভাই আপনাকে ২ / ৩ মাস ধরে দেখি প্রতি সপ্তাহেই আসেন, এইভাবে ৩ বছর ঘুরলেও কাজ হবেনা । তাহলে কি করলে কাজ হবে? আমি জিজ্ঞেস করলাম । বলল স্যার রা আগের মত ঘুষ খান না, মিষ্টি খাওয়ার জন্য ১৫০০ টাকা দিয়েন, কালকে সন্ধায় এসে সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন। বাধ্য হয়ে পরে ১৫০০ টাকা দেই এবং যেমন কথা তেমন কাজ । পরেরদিনই পেয়ে যাই সঠিক নাম সহ বার্থ সার্টিফিকেটক, মাত্র ১৪ ঘটায়
আমার জমি খাজনা আসছে অনলাইনে ৬০০০, কিন্তু আগে আমি খাজনা দিসি তবে রশিদ হারিয়ে গেছে, তাদের বললাম রশিদ এর এন্টি খুজে দেখতে তারা বলে নাই, সময় লাগবে খুজতে সব তাখে না, তাই ৬০০০ দিতে হবে অনলাইনে, তারা বলে পিছনে সাইডে আসেন একজন বললেন কমিয়ে দিব ৪০০০ দিবেন, পরে আর কোনো রাস্তা না পেয়ে ৪০০০ দিলাম, পরে দেখি একটা অনলাইন খাজনা রশিদ দিল সেখানে জমা ১১০০ আমি অবাক হয়ে চলে আসছি, এর মানে তাদের কাছে আগের রশিদ ছিল ইচ্ছে করে খুজে দেয় নাই, এটা বুল্লা ভুমি অফিস, লাখাই, হবিগঞ্জ জেলা
এনজিও ব্যুরোর অনুমোদিত প্রকল্পের প্রত্যয়নপত্র প্রাপ্তির প্রক্রিয়া ও বাস্তব চিত্র এনজিও ব্যুরোর অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র (Completion/Certification) সংগ্রহ করতে হয়। এ জন্য সাধারণত আবেদনপত্র জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে জমা দিতে হয়। আবেদনটি পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা বা অন্যান্য দপ্তরে মতামতের জন্য প্রেরণ করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মতামত সংগ্রহ করে প্রত্যয়নপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রায় ৪,৫০০ থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়।
পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসের আনসারদের সাথে ঘুষের বিনিময়ে চুক্তি করে নিলে, মরা মাইনষেরও পাসপোর্ট করা যায়। মামলা নিষ্পত্তির কাগজ মূলকপি দেখানোর পরেও, থানার অনুমোদন লাগবে, জেলা প্রশাসকের অনুমোদন লাগবে ব্লা ব্লা... আমি স্ট্রেইট বলে দিছিলাম প্রতিদিন ২০০-৩০০ খরচ করে প্রতিদিন আসবো, তাও আমি ১ টাকাও ঘুষ দিব না। এবং পরেরদিন সাংবাদিক নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেই। তারপর বাসায় এসে বিকেলে পাসপোর্ট অফিসের মেসেজ পাই। পরেরদিন ঘুষ ছাড়াই পাসপোর্ট পেয়েছিলাম। ওদিকে আমার সামনে আমার এলাকার এক ছেলে ৩ হাজার ঘুষ দিছিল। তাকে অফিস থেকে ৩ দিন পর যেতে বলেছিল, কিন্তু ছেলেটি সেদিনই নিতে চাইছিল। পাসপোর্ট অফিসে গেলে ভুলেও তাড়া দেখাবেন নাহ। তাহলে পাসপোর্ট অফিসের সবকিছু থেমে যাবে ৩-৪ দিনের জন্য।
যে কোনো মানুষ ভূমি অফিসে গেলে নায়েবের কাছে একটা সোজা দলিল নিয়ে গেলে নায়েব ৫০০০ টাকার নিচে কাজ হাতে নেয়না। এবং কি অত্র মাহমুদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, উপজেলাঃ মেলান্দহ, জেলাঃ জামালপুর। এ অত্র ভূমি অফিসে ১০ থেকে ১৫জনের বেশি দালাল দাড়াইয়া থাকে তারা মানুষকে হয়রানির শিকার করে এবং ১০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে একটা খারিজের জন্য। সেই দালালের সাথে নায়েবের অনেক ঘনিষ্ট সম্পর্ক এসব কেন থাকবে। আর যে পিয়ন সেও ঘোষখোর সে হোল্ডিংয়ে জমি এন্ট্রি করতে জন প্রতি ১০০ টাকা করে নেয়। এবং দালালদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। দালালগণ (১) মাহমুদপুর কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা
বিআরটিএ ড্রাইভিং পরীক্ষা, ৩ হাজার টাকা দিলেই আপনি লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করবেন। তবে সমস্যা অন্য জায়গায়! ওদের গাড়ির ফিটনেস নেই এবং ডানের দরজায় এক গাড়িতে মিররও নেই। এটা নিয়ে অভিযোগ জানালে অন্য গাড়ি দেয়, সেটার আবার রাস্তার পাশ কম যেখানে গাড়ির থেকে ১.৫ গুণ প্রশস্ত রাস্তা হওয়ার কথা সেখানে খুবই চাপা করে দিয়েছে রাস্তা যাতে পাশ করা প্রায় অসম্ভব। আমি পরীক্ষার কয়েকঘন্টা আগেও বাইরে ২বার টেস্ট দিয়ে জিগজ্যাগে পাশ করেছি এমনকি NSDA থেকেও পাশ করেছি কিন্তু BRTA যেভাবে পরীক্ষা নেয় সেখানে একা-একা গিয়ে পাশ করে আসা সম্ভব না। আমি যখন দেখলাম পাশ করা সম্ভব না তখন বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেই।
ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য ব্যাংকে নির্ধারিত ফি জমা দিয়েছি, তারপর রিনিউ করে দেইনি, বলে ফায়ার সার্ভিস সার্টিফিকেট লাগবে, অথবা টেবিলে নিছ দিয়ে 3000 দিলে কাজ হয়ে যাবে , পরে 3000 দিয়ে রিনিউ করা লাগলো ।
আমার মামার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগতো, পুলিশ আমার মামাকে ফোনে বলেছে ০৩ হাজার টাকা সহ পাঠাতে। আমি গিয়ে ০২ হাজার দিলেও মানতে নারাজ। উল্টো আমাকে হুমকি দিয়েছিল নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে। ঘটনাটি ২০২১ সালের, সেসময় এতোটা প্রতিবাদী ছিলাম না আবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স টাও লাগতো বিধায় বাধ্য হয়ে দিয়েছিলাম জীবনের দ্বিতীয়বার ঘুষ, প্রথমবার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন ০১ হাজার টাকা।
আমি SA CS RS BS/CITY SURVEY উঠাতে যাই.. আমাকে প্রথমে বলে ৪৫০০ টাকা লাগবে.. কারণ একগুলো করাতে লোকদের টাকা দিতে হবে.. আমি তাকে দলিলের ফটোকপি দি.. এবং দলিলের সাথে খতিয়ানও দি.. কিন্ত সে বলে প্রেন্টগ্রাফ লাগবে.. এর জন্য ৫০৮০ টাকা দিবেন.. এটা ছাড়া খতিয়ান দেয়া যাবে নাহ... পরে বলি কাজ হওয়ার পর দি , বলে নাহ... এখন.. কোথায় যাব আমরা দালাল ছাড়া করাতে গেলাম.. দেখলাম ভিতরেরই তারা নিজেরাই দালাল
সব কাগজ ঠিক ছিলো, তাও অফিসার বলছিলো কাগজ সাজানো হয় নাই, অফিস সহকারীরা বলতে ছিলো এভাবে কাগজ রাখতে কে বলো।আরো দূর ব্যবহার,
amr boro vabir jonno passport korte giyeci sob paper thik thakar poreo Marrige certificate er orginial ta caccilo bollam photocopy eneci, unara bole colbe na orginial tai ante hobe. Jehetu oi time e orginal copy manage kora impossible chilo tai bahire giye ek dalal er kace bollam ar se 2500 tk niye same paper joma diye oidin ey finger kore diyece. Chandpur passport office er sob gula gushkhor, Oderke ami situation ta bujanor poreo tk chara kore dey nai.
নামজারি কেস নম্বর অনুমোদন এর জন্য ৫০০০/- টাকা দাবি
প্রতিকেজি রপ্তানি বাবদ ৪ টাকা ঘুষ লোকাল গারমেন্টস