নামজারী
সরাসরি অফিসে বহুদিন ধরে ফাইল জমা দেওয়ার পরেও কাজ হয় নাই। পরে তাদের মধ্যে থেকে দালাল দিয়ে সে কাজটা অফার করে। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরাসরি অফিসে বহুদিন ধরে ফাইল জমা দেওয়ার পরেও কাজ হয় নাই। পরে তাদের মধ্যে থেকে দালাল দিয়ে সে কাজটা অফার করে। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধনে কোন খরচ নেই, কিন্তু অফিস সহকারী ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী সচিবের সাথে যোগ সাজসে ১৫০ বা এর অতিরিক্ত টাকা নেয়
গত বছর জরুরি পাসপোর্ট করতে মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজ ঠিক ছিল, শুধু স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা আলাদা হওয়ায় নাগরিক সনদ নিয়ে সমস্যা হলো। সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে সবশেষে ছবি তুলতে গেলে কর্মচারী স্থায়ী ঠিকানার সনদ চাইলেন। অথচ আমার আগের একজনের একই কাগজ না থাকলেও তার কোনো সমস্যা হয়নি। পরে জানতে পারলাম, সে দালালের মাধ্যমে কাজ করেছিল। বাধ্য হয়ে আমিও ২,৫০০ টাকা দিয়ে দালালের সাহায্য নিলাম। পরদিন কোনো লাইন ছাড়াই সরাসরি ছবি তুলতে গেলাম—একই কাগজপত্র দেখে সেই কর্মচারী এবার আর কিছুই বললেন না! ছবি তোলার পর হাসতে হাসতে শুধু জিজ্ঞেস করলাম, “কাল তো বলেছিলেন হবে না, আজ কীভাবে হয়ে গেল?” .
Under DG shipping they conduct COC class 1/2/3 exams. And these exams written question and oral both can be clear by paying a huge money. To clear oral exam its required 2 lac and more for COC-3 and for written question it required about 4-5 lac WHICH VERY RANK WISE.
Basai eshe digital jorip onujayi new address/digital holdings plate change korar process er jonno government fee er baire otirikto taka dabi kora hoi. Ekhon o kono holding plate bitoron kora hoini.
ভবিষ্যৎ তহবিল থেকে ২৪,০০০ টাকা উত্তোলন করতে ৬০০ টাকা দেওয়া লাগছে না হলে ফাইল স্বাক্ষর হবে না।
আমার নিজের বাপের জমি আমার নামে খারিজ করতে ২৫০০০ টাকা নিছে শুয়োরের বাচ্চারা । এতিমের টাকা মারা সবগুলারে আল্লাহ দুনিয়াতেই জাহান্নাম দিক
বগুড়া শহরের ফাঁপোড় ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাবার সম্পত্তি খারিজ করবার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরতে ঘুরতে ২ জোড়া স্যান্ডেল ক্ষয় করে পরবর্তীতে একজন সহকারী সাইডে ডেকে নিয়ে বললেন, এতো ঘুরতে হবে কেন, মিষ্টি খাওয়ার টাকা দিলে দ্রুতই আপনার কাজ হয়ে যাবে। কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিবার সিদ্ধান্ত নিই। বেচারা সহকারী অজু করে এসে বলে,তারাতারি খরচা টা দেন নামাজের সময় পার হয়ে যাচ্ছে। আর আমরা ধার্মিক সহকারী কে ৫.৬৬ শতক জমির খারিজের জন্য ১০০০০(দেশ হাজার টাকা) বুঝিয়া দিয়া রাগে লজ্জায় মাথা নতুন হইয়া চলিয়া আসি।কারণে আমি অন্যায়ের কাছে কখনও মাথা নতুন করি না। বছরটি ছিলো ২০১৮ সাল।
ইদানীং বিদ্যুৎ অফিসে নতুন সংযোগ নিতে গেলে ইন্সপেকশন এ ফেইল করে দেয়। তবে মিটারপ্রতি ৫-১০ হাজার টাকা জমা দিলে ইন্সপেকশন ও সাকসেস হয় সাথে মিটার লাগিয়ে দিয়ে যায়।
Even though all process and documentation was followed, SMS received passport printing done —- but not completed for more than a year , so then — by his magic completed and got passport in 3 day
সাধারণ জন্মনিবন্ধ করার জন্যে ৭০০৳ দাবি করে বসে। যদি না দিই তাহলে কার্ড হবে না। কার্ড ইমারজেন্সি ছিলো তাই চেয়ারম্যানের অফিসে টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন নিতে হয়েছিলো।
BDS জরিপে নাম উঠানো নিয়ে, দাগ নাম্বার নিয়ে ঝামেলা করে, টাকা দাবী করে।
আমাকে বলছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে। অতিরিক্ত ইনকাম দেখিয়ে ইনকাম ট্যাক্স বাড়িয়ে দিবে। আমি নিরুপায় তাই টাকা দিতে বাধ্য।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এ যত ধরনের রক্ত পরিক্ষা হয় ২৩৪ নাম্বার রুমে, সব গুলা পরিক্ষার জন্য সবার থেকে মোটের উপর ১০০ টাকা বেশি নিচ্ছে। প্রতিদিন নিচ্ছে, সব সময় নিচ্ছে, সবার থেকে নিচ্ছে। জরুরী বিভাগে রোগি নিয়ে গেলে সেখান থেকে Stretcher করে নিয়ে যাওয়ার জন্য ও ১০০০ টাকা দাবী করে পরে ৫০০ টাকা পরিশোধ করি। প্রতিদিন নিচ্ছে, সব সময় নিচ্ছে, সবার থেকে নিচ্ছে।
একটি বেসরকারি ব্যাংকের অস্ত্রের গুলি কেনার অনুমতি প্রদানের জন্য অফিস সহকারী লোকমান ৬/৭ দিন আমাকে ঘুরাচ্ছেন নানান অজুহাত দেখিয়ে।এক পর্যায়ে আমি বলি আপনি অনেক কষ্ট করছেন চা পান খাওয়ার জন্য কিছু বকশিস দিব তারপর ওনি বলেন আগামীকাল সকালে নিয়েন অনুমতি পত্র।আমি পরের দিন অনুমতি পত্র নিয়ে আসি এবং ওনাকে ৩০০ টাকা প্রদান করি।
প্রতি জিপিএফ একাউন্ট চালু করতে ৫০০০ টাকা প্রদান করতে হয় একাউন্টেন্টকে। যা পূর্বের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জড়িত ছিলেন
নানা তাল-বাহানা করছে ট্রেড লাইসেন্স করতে যেয়ে,,শেষ এ একজন বললো ঘুস না দিলে করবে না,তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি।কারণ আমার ইমারজেন্সি প্রয়োজন ছিলো।
নামজারি খতিয়ান করার জন্য,
প্রত্যেকবার জমির খারিজ বাবদ মোট ৭০০০ টাকা নেওয়া হয়। এই চিত্র নাকি দেশ এর সকল ভূমি অফিসে বিদ্যমান
কাগজ সব অনলাইন ভেরিফাই করা তারপরও আবেদন গ্রহণ করেনি, বলা হয়েছে অনলাইন ভেরিফাই কপি হলে হবে না, অরিজিনাল কপি লাগবে।