সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৮,৯৪৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
শুধু দাবি করেছে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৫.০ হাজার

পুরনো দলিল তালাশি

আমি আমার দাদার জমির দলিল তলাশির জন্য কুষ্টিয়া জেলা রেজিস্টার অফিসে যাই। ওই খানে যাওয়ার পরে আমার সমস্যা কথা বলি সে বলে আপনার সমস্যা সমাধান করা যাবে আপনার কাগজ পাতি দেন তো আমার কাছে রেকর্ড ছিলো তাকে আমি দি এবং তখন বলে টাকা দেওয়ার জন্য আমি বলি কত টাকা সে আনু মানি আমার কাছে দুই হাজার চাই আমি এক হাজার টাকা দি বলে এই টা নাকি দলিল তলাশির জন্য লাগে তার পরে সে বলে এক সপ্তাহ পরে তার কাছে যেতে আমি এক সপ্তাহ পরে যাই সে বলে খুজে পাইনি এই ভাবে গুরাই এবং বিভিন্ন কথা বলে আমার কাছে থেকে আরও দুই হাজার টাকা নেই মোট তিন হাজার পরে সে বলে দলিল পাওয়া গেছে আর ও দুই হাজার টাকা দিতে হবে আমি বলি তাকে দলিল দিলে তার পরে আমি টাকা দিবো অনি বলে এই ভাবে কাজ করা হয় না আমাকে বলে। পরে আমাকে এড়িয়ে চলে ফোন দিলে ফোন ধরে না।

কুষ্টিয়া, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে KHJKJQ68
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে ভূমি অফিস ৳৪০.০ হাজার

নামজারি

একটি নামজারিতে,নায়েব ৫০০০০ টাকা দাবি করে,তারপর দরকষাকষি করে ৪০০০০ টাকা দেয়া হয়।

যাদবপুর ইউনিয়ন, সখিপুর, টাংগাইল, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে DK584R4U
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২.০ হাজার

জজ কোট বরিশাল এ কেসের রায়ের কপি তোলার জন্য আবেদন

গত ২৮/৮/২০২৬ তারিখে জজ কোটে আমার জমির বিচারের রায়ের সাটিফাই কপি তুলতে গেলে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১৯০০ টাকা দিতে বলে।কিন্তু যা কাজের সরকারি ফি ২০ টাকা

বরিশাল, বরিশাল ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে BRMKSH5N
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳১.০০ লাখ

জমি মেপে দেওয়া নিয়ে নায়েব ঘুস

নায়েব আমার জমি মেপে দিয়ে সাথে সাথে আমার বাড়ি এসে আমার কাছে এক লক্ষ টাকা দাবি করে, আমি অনেক তর্কের পরে ২০ হাজার টাকা দেই সে এক লক্ষ টাকা নিতে চায় আমি এক লক্ষ টাকা না দেওয়ার কারনে, সে আমার জমির বিরুদ্ধে একটা মামলা দায়ের করেন, যে খাস করে দিবে জমি এই বলে এর বিরুদ্ধে এডিসি স্যার এর কাছে একটা আবেদন করেছি,

নায়েব পান্তা পাড়া ইউনিয়ন মহেশপুর উপজেলা ঝিনাই, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে KHTMFEDN
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সরকারি হাসপাতাল ৳১.৯ হাজার

স্যারের চা নাস্তা বাবদ প্রত্যেকে ৫০০+৮০০+৬০০ টাকা দিবেন,অথবা এক মাস পরে আসবেন

ঘটনা ০১) ২০১৮ সালের নভেম্বর মাস, MATS থেকে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট কোর্স শেষ করে এই সরকারি অফিসে যেতে হয় সার্টিফিকেট তুলতে, এখানে সাধারণত ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট,নার্স এদেরকে নানাভাবে হ্যানস্তা করা হয়। প্রভিশনাল সার্টিফিকেট উঠাতে সকাল ১০ টা থেকে এখানে অপেক্ষা করা হয় এবং বিকাল ৪ টা পর্জন্ত বসে থাকার পর, উপস্থিত দপ্তরি আমাকে বলে যে স্যারকে চা নাস্তা বাবদ কিছু দিলেই সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে যাবেন। অতঃপর ৫০০ টাকার চা নাস্তা খরচ দেবার পর প্রভিশনাল সার্টিফিকেট হাতে পায় আমি। উলেক্ষ্য উনি প্রথমে ৭০০ টাকা চেয়েছিলেন কিন্তু দরদাম বার্গেনিং করে তবেই সেটা ৫০০ টাকায় নেমে আসে। ঘটনা ০২) ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস, ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি উঠানোর জন্য সকল কাগজপত্র নিয়ে পুনরায় এই অফিসে যাওয়া লাগলো, একই স্টাফ একই অফিসার, একই ঘটনা, সকাল ১০ টা থেকে বসে বসে অপেক্ষা করার পর বিকাল ৪ টা বাজলে দপ্তরি এসে বললেন, স্যারকে চা নাস্তা বাবদ কিছু খাওয়ালেই উনি সার্টিফিকেট দিয়ে দেবেন। এবার চার নাস্তা বাবদ ৮০০ টাকা দেয়া লাগলো। এদিন আমি ওই অফিসে ঝুলিয়ে রাখা দুর্নিতি দমন কমিশনের রিপোর্ট বক্স দেখেছিলাম, সেখানে খাটি বাংলা ভাষায় স্টাফ ও অফিসারের নাম সহকারে এই চা নাস্তা খাবার কাহিনি লিখে রিপোর্ট জমা করেছিলাম। মনে হয়না কাজ হয়েছিল। ঘটনা ০৩) ২০২৩ সালের জুলাই মাস, পুনরায় এই স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অফিসে যেতে হয়, একই স্টাফ একই অফিসার। এবার কাজ ছিল ট্রান্সক্রিপ নিয়ে। বরাবরের মত বহু অপেক্ষা শেষে এবারো বিকাল ৪ টায় চা নাস্তা বাবদ ভদ্রলোক অফিসার কে ৬০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এদিন আমি উনাকে খুব অপমান জনক কথা শুনিয়েছিলাম, অথচ লোকটা কি বিশ্রিভাবে হেসেই চলেছিল। এই ফ্রাস্ট্রেশন লিখে বুঝানো যাবেনা। এই দিনো আমি রিপোর্ট বক্সে রিপোর্ট লিখে জমা দিয়েছিলাম। পরিশেষে, আমার এই ঘটনা আরো অনেক ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ও নার্সদের সাথে প্রতিদিন ঘটেই চলেছে। "চা নাস্তা বাবদ কিছু খরচ দিলেই হবে" এই ভাবে প্রতিদিন উক্ত অফিসের স্টাফ থেকে শুরু করে অফিসার সকলেই হাজার লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে। ব্যাপারটা এরকম যে যদি ৭ জন একসাথে যায় সার্টিফিকেট উঠাতে, তো বিকাল ৪ টা বাজলে প্রত্যেকে কাছ থেকে "চা নাস্তা" বাবদ ৫০০-১০০০ টাকার ঘুষ আদায় করে তবেই সার্টিফিকেট ছাড়া হয়। আরেকটা উপায় হল যদি কেউ ঘুষ দিতে না চায় তো ১৫ দিন থেকে ১ মাস পর সেই অফিসে গেলে তখন উক্ত কাগজ পাওয়া যায়। এখন এইটা কি কোনো যুক্তিসংগত সলুশন হল? আমি জানি এই সাইটে আমার এই রিপোর্ট পাব্লিশ হবার পরেও কোনো সমাধান হবেনা। এত দিন পর্জন্ত যখন সামাধান হয়নি এবারো হবেনা। আমি রিপোর্ট করলাম, নিজের মনকে শান্ত করতে যে এট লিস্ট এই অভাগার দেশে এরকম ডিজিটাল মাধ্যমে রিপোর্ট করার সিস্টেম রয়েছে। এবং অন্যারের বিরুদ্ধে জীবিত অবস্থায় রিপোর্ট করেছিলাম। এটাই মনের শান্তনা।

পল্টন, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DK78CGLP
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে আদালত ও বিচার বিভাগ ৳৫০.০ হাজার

সার্চ ওয়ারেন্ট এর জন্য প্রেস্কার ঘুষ চেয়েছে

আমার একটা গাড়ি রানিং এক নেতা জোরপূর্বক তার বারিতে আটকায় রেখেছে। আমার কাগজ পাতি সব আছে। আমি স্থানীয় সকল নেতাদের কাছে ঘুরেছি সমাধানের জন্য। যে গাড়ি আটকায় রেখেছে সে তাদের লোক তাই কেউ সমাধানের জন্য কোন উদ্যোগ নেয়নি। আমি থানায় অভিযোগ করতে গিয়েছিলাম থানায় অভিযোগ গ্রহণ করা হয় নাই। পরে আমি গাড়িটা উদ্ধারের জন্য কোর্টে সার্চ ওয়ারেন্ট আবেদন করি। কোট থানাকে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলে। থানা থেকে কোটে তদন্ত রিপোর্ট প্রেরণ করা হয় তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরও কোট সার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু করে না পরে আমরা পেশকারের কাছে গেলে পেশকার আমার কাছ থেকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি তার কাছে অনুরোধ করি আমার কাছে এত টাকা নাই পরে সে আমাকে ভয় দেখায় যে আপনি টাকা না দিলে সার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু হবে না লম্বালম্বা ডেট ফেলায় দেব ততদিনে গাড়ি জং ধরে নষ্ট হয়ে যাবে। তোরে আমি খুব কষ্ট করে ১৫ হাজার টাকা দিতে রাজি হই কিন্তু তারপরেও সে মানেনি পরে সে আমার কাছ থেকে লাস্ট ২৫ হাজার টাকা চেয়েছে কিন্তু এই টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নাই আমার যে গাড়িটা আটকায় রেখেছে এই গাড়িটার উপর আমার পরিবারের রুজি রুটি চলে এখন আমি নিরুপায়। টাকাও ম্যানেজ করতে পারছি না আর উনি ঘুষ ছাড়া কাজও করে দেবে না। আমি সত্য তদন্ত রিপোর্ট চেয়েছিলাম যা ঘটেছে তাই। সত্যি রিপোর্টটা তার জন্য আমাদেরকে টাকা দিতে হয়েছে পুলিশের এস আই এর কাছে। তারা প্রমাণ ছাড়া ঘুষ খায় প্রমাণ নাই আমার কাছে কিন্তু টাকা আমি দিয়েছি। এখন পর্যন্ত আমি খুব কষ্টে দিন পার করছি শেষ আশ্রয়স্থল ছিল মহামান্য আদালত। সেখানেও আমি সমাধান পাচ্ছিনা এদেশে কোন আইন কানুন নাই ক্ষমতা যার আইন তার। একটা কথা ভুলে গেলাম যারা আমার গাড়িটা জোরপূর্বক আটকে রেখেছে তারাও চাঁদা দাবি উদ্দেশ্যে আটকে রেখেছে যেটার সমাধান তাদের কোন নেতার করে দিতে পারে নাই গঞ্জের কোন নেতা করে দিতে পারে নাই। এখন আল্লাহর কাছে বিচার চাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। আহা বাংলাদেশ।

রংপুর (অন্যান্য), রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে RN2DNX7U
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি পাসপোর্ট অফিস ৳৩.৫ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন

অফিসে সকল কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর বাহিরে একজন লোক দেখিয়ে তার কাছে পাঠিয়ে দেয়। বাহিরে থাকা লোকটি আমার কাছ থেকে বাড়তি ৩৫০০ টাকা দাবি করে বলে যে তাড়াতাড়ি কাজ হয়ে যাবে।

ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে MY2WNT3J
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৯.৫ হাজার

ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য হোলিং নম্বর অনুমোদন ও রেকর্ডের করাণীক ভুল সংশোধন

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা প্রদানের জন্য অনলাইনে খতিয়ান যোগ করার পর হোল্ডিং নম্বর অনুমোদনের জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৩ টি খতিয়ানের জন্য ১৫০০ টাকা নেয় এবং রাজৈর উপজেলা ভূমি অফিসে রেকর্ডের কারণীক ভুল সংশোধনের জন্য মিসকেস বাবদ সর্বমোট ৮০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে । ওখানে টাকা না দিলে কোন কাজ হয় না।

কদমবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও রাজৈর উপজেলা ভূমি অফিস মাদারীপুর, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DKZ2KKA7
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳৭৫.০ হাজার

উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুর

উপজেলা শিক্ষা অফিসের ক্লার্ক ৮৬ জন সহকারী শিক্ষকের উচ্চতর গ্রেডের ফাইল রেডি করা এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করা বাবদ এই টাকা দাবি করেন। আমরা এই টাকা পরিশোধ করি। যদিও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিধি সম্মত না হওয়া ফাইলটি না মঞ্জুর করেন।

বুড়িচং, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে CTTXWN58
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৫০.০ হাজার

জমি রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য

আমার ৩৬ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করেছি। ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিসে। আমার কোন দাগে ভিপি সম্পত্তি নাই কিন্তু এস এ খতিয়ানে ভিপি যুক্ত আছে। আমার এস এ দাগে বা আর এস দাগ এবং খতিয়ানে ভিপি নাই। ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিস আমাকে বলেছে ৫০০০০ টাকা লাগবে। আমি উপায় না পেয়ে টাকা দেই। পরে আমার জমি রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে।আমরা যারা সাধারণ মানুষ তারা এই সাব রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি অফিসে র কাছে বড় অসহায়। আমি মনে করি শধু ভূমি সংক্রান্ত অফিসের দূর্নীতি রোধ করতে পারলে সাধারণত মানুষ একটু স্বত্বি পেত।

খুলনা, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে KHKWDXQD
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য

ড্রাইভিং পরিক্ষায় পাস করার পরেও আমাকে ফেল করিয়ে দেয়, তারপর যোগাযোগ করলে সে বলে যে ৪০০০ টাকা দেও পাস করিয়ে দিবানি তার পর আমি বাধ্য হয়ে টাকা দেই

ফরিদপুর, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DK4J726F
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে শিক্ষা অফিস ৳৬.০ হাজার

রেজিস্ট্রেশান ড্রাফট এর সমস্যা

আমি ২০২৭ সসচ এক্সামিনী আমার রেজিস্ট্রেশন সফল হয় নি । আমি ২০২৪ এ অসুস্ততার কারনে ক্লাস ৮ এর রেজিস্ট্রেশন তাহ করতে পারিনাই । কিন্তু ২০২৫ এ বোর্ড থেকে একটা নোটিশ আসে যে ২০২৪ এ যাদের ক্লাস ৮ এর রেজিস্ট্রেশন হয়নি তারা ওঁই সময়ে করতে পারবে । আমিও করলাম । কিন্তু রেজিস্ট্রেশন টা নাকি সফল হয় নাই দ্রফত এ আছে । যার কারনে ২০২৫ এ ও আমার ক্লাস ৯ এর রেজিস্ট্রেশন আটকে আছে । এখন ২০২৬ সেপ্টেম্বর আমার কাছ থেকে ৫০০০ থেকে ৭০০০ টাকা এর দাবি করা হচ্ছে । আর আতা না হলে তো আমি সসচ ২০২৭ এ পরীক্ষা দিতে পারব নাহ । I have to live in a corrupted country .....

দিনাজপুর, রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে RNTG7F38
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১০.০ হাজার

মুক্তি যুদ্ধের রেশন

আমি অনেক যুদ্ধাহত পরিবার কে দেখলাম এমন কি আমার পরিবারে ও ২ জন মানুষ আছে কিন্তু টাকার বিনিময়ে ৪ সদস্য ৫ সদস্য কার্ড তৈরি করে রেশন নিচ্ছে, কেউ নিচ্ছে, কেউবা দোকানে বিক্রি করছে, আর সাধারণ মানুষ খেতে পাচ্ছে না

সিলেট, সিলেট ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে SYKSQ36J
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার

নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম

নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম বলে কাবিননামা সঙ্গে করে নিয়ে আসতে হবে আনা হয়নি বলছি পরে দিব বলে এখন ২০০০ টাকা দিলে আর কাবিননামা লাগবে না এর পর করে দিছে

উত্তরা, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DKUQ3FAL
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৭.০ হাজার

জমা খারিজ

ইউনিয়ন ভুমি অফিসে জমা খারিজ খতিয়ান করার জন্য 7000 টাকা দাবী করেন। সাব রেজিষ্টার সহ সবাই টাকার ভাগ নেয়। টাকাটা অফিসের পিয়নের মাধ্যমে চাওয়া হয় পরে তা দিতে বাধ্য হই।

টাংগাইল, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DKAGA6FS
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কর অফিস ৳৬০.০০ লাখ

কর প্রদান

আমার শশুর যখন প্রথম টিন সার্টিফিকেট করেন তখন কেউ একজন বুজায় সব সম্পদ দেখাতে হবে না। কাজেই তিনি তার ব্যাংকের কিছু টাকা দেখান নি। পরে বুঝতে পেরে তিনি পরের বছর ২০২২ সালে সকল কাগজ পত্র নিয়ে গেলে তারা তাকে জেলের ভয় দেখায় এবং বলে নুন্যতম ৬০০০০০ টাকা না দিলে তারা মামলা করবে। ভয়ে অপমানে তিনি স্টোক করেন। বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় বেচে থাক্লেও তাদেরকে টাকা দিত্র হয়েছিল। আমি নিজেও কথা বলতে জাই। লেন্দেন হয় অফিসের নিচের একজনের মাধ্যমে, এবং একজন হিন্দু মহিলা অই অফিসে কর্মরত ছিলেন তার মাধ্যমে।

সিলেট, সিলেট ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে SY8TA2VH
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳২.৫ হাজার

ফিটনেস সনদ

আমি এই শহরেই বাস করা একজন ডাক্তার। আমার কার এলপিজি করা ছিলো। বিআরটিএর যিনি ইন্সপেকশন করছিলেন তিনি, এক আনসার সদস্য এবং একজন স্টাফ বাইরের এক ফোটোকপির দোকানে আমাকে এক পেজ ফোটোকপি করতে পাঠায়। সেই দোকানে আমার কাছে অফিস খরচ দাবী করে, তারা বলে অফিস থেকেই তাদের কাছে এভাবে সবাইকে পাঠায়। আমি টাকা দিতে না চাইলে ইন্সপেক্টর সাহেব আমার কারের এক গাদা সমস্যা বের করে, যেমিন হর্ন একটা কম সোনা যাচ্ছে কেনো, গাড়ির উইন্ডশিল্ড পরিস্কার কম। এরকিম ইনেক। পরে ২৫০০ টাকা দিলাম, সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেলো।এখানে যে গাড়ি নিয়ে যান, ১৫০০ টাকা ফিক্সড রেট ফিটনেসের জন্য। আর দিতে না চাইলে একের পর এক হয়রানি করে টাকার পরিমান বাড়াবে।

রাজশাহী, রাজশাহী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে RJE9PTLM
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি বিআরটিএ ৳৩.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বিআরটিএ অফিসে গেলে বাগেরহাট বিআরটিএ অফিসের উচ্চমান সহকারীর কিছু দালাল অনেক পরীক্ষার্থীকে বোঝাই যে তোমরা পাশ করতে পারবা না যদি পরীক্ষা বিল পাস করতে চাও তাহলে তোমাদের আবেদন করার কাগজ এবং সাথে ৩০০০ টাকা দিলে পরীক্ষা না দিলেও তোমরা পাশ করে যাবা এবং আমাদের ওনার কাছে নিয়ে গেলে দালালের কথা সত্যতা পায় কিন্তু আমি টাকা না দিয়ে নিজে নিজে পরীক্ষা দিয়ে পাস করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পায়, উক্ত ব্যক্তির সাথে দুই থেকে চারজন দালাল আছে যারা প্রতিনিয়ত পরীক্ষার্থীদের উনার কাছে নিয়ে যায় এবং টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স করিয়ে দেয়

বাগেরহাট, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে KHPF32YF
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৩.০ হাজার

মাতৃত্বকালীন ভাতা।

সেবা :- প্রেগন্যান্সি ভাতা। দাবি :- ডকুমেন্টস জমা দিলে তিনি ভাতা পেয়ে দিবে। বিনিময়ে তাকে ৩০০০/= টাকা ঘুষ দিতে হবে। টাকা ও ডকুমেন্টস গুলো নিজ হাতে নিবে না মহিলা মেম্বারের মাধ্যমে নিবে। ফরম নিলেও ৫০০/= টাকা দিতে হবে। সবাই নাকি এভাবেই ভাতার আবেদন ও ভাতায় সংযুক্ত হচ্ছে। আমি প্রত্যাখ্যান করেছি।

থাইংখালী,উখিয়া,কক্সবাজার।, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে CT4AZ4PU
মন্তব্য