পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় আমার কাছে সরাসরি ঘুষ চাওয়া হয়। আমি রাজি না হওয়ায়, পাসপোর্ট আটকে রাখাসহ নানা রকম হয়রানির কথা বলে। পরবর্তীতে বন্ধুর কাছ থেকে বিকাশে ১০০০ টাকা ধার করে পরিশোধ করতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় আমার কাছে সরাসরি ঘুষ চাওয়া হয়। আমি রাজি না হওয়ায়, পাসপোর্ট আটকে রাখাসহ নানা রকম হয়রানির কথা বলে। পরবর্তীতে বন্ধুর কাছ থেকে বিকাশে ১০০০ টাকা ধার করে পরিশোধ করতে হয়েছে।
তাড়া বলেছিল আমাদের স্যার যেখানে যায় সেখান থেকে কিছু টাকা পয়সা নেয়। আপনি কত দিতে পারবেন। আমি তাকে বলি ভাই আমি এখনো ব্যবসাটা শুরু করি নাই ব্যবসাটা শুরু করি রিনিউ করার সময় কিছু দেই? সে বলে না আমাদের স্যার যখন যায় তখনই নেয়। পরে আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে রাজি হই। সে তার স্যারের সাথে কথা বলে আমাকে এসে জানায় আপনি ফাইনাল কত দিতে পারবেন বলেন। আমি তখন তাকে সেই ৫০০ টাকার কথাই জানায়। উপরন্তু তারা মোট পাঁচজন এসেছিলেন সবাইকে হাফ কেজি করে হ্যান্ডওয়াশ গিফট হিসেবে দিতে চাই। তাড়া সেটা গ্রহণ করেন। এবং টাকা বেশি পরিমাণে না হওয়ায় তাড়া সেটা নেননা। পড়ে আমার নিরাপত্তা সমস্যা দেখিয়ে ফাইলটা রিজেক্ট করা হয়। অগ্নি নির্বাপক লাগিয়ে আবার আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
নরসিংদী সদরের প্রবাসে যাওয়ার জন্য ফিংগারপ্রিন্ট দেওয়ার সময় ১০০/- করে সকলের কাছ থেকে নিছে, ২০২৩/ সালে তবে এখনও এটা চালু আছে কি না আমার জানা নেই।
আমার মামাতো ভাই পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। অনেক হয়রানী করছে। ডিডি — শালা একটা বেশ্যার দালাল। টাকা না খেয়ে দিলোই না।
জাতীয় পরিচয় পত্র তুলতে গেলে অফিস(কালশী, মিরপুর) থেকে জানায় সেটি খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। ৭ দিন পর আসতে বলা হলো। এরপর আরো ৩ দিন পর আসতে বলা হলো। নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হলে অফিস কর্মচারি জানান, কার্ড খুজে পেতে কিছু টাকা লাগবে। আমি বললাম কার্ডটি কোথায় আছে? কর্মচারী বলল, সে জানে না, তাকে খুজে দেখার সময় দিতে হবে এবং অনেক পরিশ্রমের ব্যাপার তাই অন্তত ৭০০ টাকা লাগবে। সে সময় এই পরিচয় পত্র না থাকায় কিছু জরুরি কাজ আটকেছিল তাই অনেক বুঝানোর পর ৫০০ তে সেই কর্মচারি রাজি হলেন এবং আমাকে অফিসের নিচে গিয়ে অপেক্ষা করতে বলা হলো। ১০ মিনিট পর অন্য একজন লোক(সেই কর্মচারীর কালেকশান এর জন্য নির্ধারিত) এসে কার্ড দিলেন আর ৫০০ টাকা নিয়ে গেলেন।
আমার বিয়ের কাবিননামা সম্পূর্ণ ফ্রি পরিশোধ করা হয়েছে এটা রশিদ আমার কাছে আছে। আমার এবং আমার স্ত্রীর উচ্চ শিক্ষার জন্য ডেনমার্কে আবেদন করি। স্পাউচ হিসেবে আমার আবেদল করা লাগে সেজন্য পাসপোর্ট বা অন্য অন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করতে আমাদের কাবিননামা রেজিস্ট্রার কপি প্রয়োজন পরে। সেজন্য আমাদের বিয়ের কাজীর শরণাপন্ন হয়। সরকারি ফ্রি ৫০ টাকা এবং বউ খুঁজার বাবদ ১০ টাকা ফ্রি হওয়া স্বত্তেও সে আমার কাছে ৩০০ হাজার টাকা দাবি করে এবং এটা দিতে হবে নয়তো সে দিবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি দিতে রাজি না হওয়ার সে পরে আমাকে উক্ত কাবিননামা টি দেয়নি।
আমি রাজউক এর প্রধান অফিসে গিয়েছিলাম ডিজিটাল খতিয়ান নং এবং মৌজা নাম বের করতে। নিচের সার্ভিস ডেস্ক এ কথা বললে এখানের অফিসার (দরজা দিয়ে ঢুকেই হাতের ডানে বসে) এক পিয়নকে ডাক দেয়। ওই পিয়ন আমাকে চায়ের দোকানে নিয়ে ৫০০০টাকা দাবি করে এবং শেষমেশ ৩০০০টাকাতে রাজি হয় কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পর জোর করে ২০০টাকা বেশি নেয়।
ঢাকা ডেমরা তে জমি ক্রয় করেছিলাম কিছু মাস আগে। সেই জমি কিছু দিন আগে নামজারি এর জন্য ভুমি অফিসে গেলে ২৫০০০টাকা দাবি করে। পরে ২২০০০টাকা দিয়ে নামজারি করতে দেই। অথচ নামজারি করার সরকারি ফি ১১০০টাকা +
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে অফিস থেকে নানান হয়রানি। এটা নাই ওটা নাই, এটা আনেন ওটা আনেন। যখন সব আনা হইছে তখন কিছু না বলেই ফর্ম ফেরত দিয়ে দেয়। বলে নাগরিক সার্টিফিকেট লাগবে। এখন ঐটা কই পাই। দালাল কে মোট ৮ হাজার টাকা দিলাম। ফর্মে একটা ছোট ফোটা দিল। বলল নিয়ে যান। নিয়ে গেলাম। জমা ছবি তোলা সব চোখের পলকে হয়ে গেল।
আমার বার্থ সার্টিফিকেটে মায়ের নামের বানান ভুল ছিল । বিদেশ যাব দেখে নাম সংশোধন করার দরকার ছিল। প্রথমে ৫০ টাকা খরচ করে এই কাজের জন্য দরকারি কাগজ পত্র জমা দেই । আজ আসেন, কাল আসেন বলে ১ মাস ঘুরায়, তারপর বলে আবার এপ্লাই করেন । ধৈর্য নিয়ে আবার ৫০ টাকা খরচ করি , সেইম আগের মত ঘুরায় । এবার ঘুরলাম ২ মাস । ৩য় বার এপ্লাই করতে যখন গেলাম তখন পিয়ন ডাক দিয়ে বলল ভাই আপনাকে ২ / ৩ মাস ধরে দেখি প্রতি সপ্তাহেই আসেন, এইভাবে ৩ বছর ঘুরলেও কাজ হবেনা । তাহলে কি করলে কাজ হবে? আমি জিজ্ঞেস করলাম । বলল স্যার রা আগের মত ঘুষ খান না, মিষ্টি খাওয়ার জন্য ১৫০০ টাকা দিয়েন, কালকে সন্ধায় এসে সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন। বাধ্য হয়ে পরে ১৫০০ টাকা দেই এবং যেমন কথা তেমন কাজ । পরেরদিনই পেয়ে যাই সঠিক নাম সহ বার্থ সার্টিফিকেটক, মাত্র ১৪ ঘটায়
পাসপোর্ট করতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতা হলো, মনে হলো অফিসে পাসপোর্টের চেয়ে টাকারই বেশি মূল্য! নিজে গেলে একটার পর একটা ভুল ধরা হয়, ফাইল আটকে থাকে দিনের পর দিন। কিন্তু দালালের হাতে টাকা তুলে দিতেই সেই ভুলগুলো হাওয়া—ফাইল সরাসরি অফিসারের টেবিলে, কাজও দ্রুত শেষ! তখন বুঝলাম, সাধারণ মানুষের জন্য লাইন, আর টাকার জন্য শর্টকাট!
চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করার জন্য খুলশী থানায় জিডি করি, থানা থেকে দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা উদ্ধারের জন্য ৩০০০ টাকা খরচ দিতে হবে বলে জানান,এবং এই খরচ দিতে রাজী থাকলে ফোন উদ্ধার হবে এই শর্তে ফোন উদ্ধার করে দেন, আমি মোবাইল পেয়ে ৩০০০ টাকা পরিশোধ করি
নোয়াখালী চাটখিলের উপজেলা অফিসে নতুন এনআইডি কার্ডের আবেদন করতে গেছে আমার একজন রিলেটিভ, অফিসের লোকজন কোনো পাত্তাই দেয় না৷ একবার বলে এই সমস্যা আর একবার বলে ওই সমস্যা। একবার বলে ওনার দাদার আইডি কার্ড লাগবে পরে আবার বলে দাদার আমলের বিদ্যুৎ বিলের কাগজ লাগবে। মানে বাড়ি থেকে অফিসের দূরত্ব ১০ কিলো প্রায় ৫ বার বাড়িতে আপ-ডাউন করা লাগছে। কিন্তু একবারে বলে না কি কি ডকুমেন্টস লাগবে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এলাকার কম্পিউটার দোকান থেকে সব রেডি করে আনতে হবে। যাইহোক সবশেষে ইনিয়ে বিনিয়ে বলে ৫০০০ টাকা লাগবে। আচ্ছা এইবার আমার ওই রিলেটিভ ৫০০০ টাকা দিলো তারপর ৩০ মিনিটের মধ্যে সব কাজ কমপ্লিট। অথচ সকাল থেকে তাদেরকে সব ধরনের হেনস্তা করা শেষ। অথচ আমাদের ট্যাক্সের টাকায় তাদেরকে বেতন দেওয়া হয় আমাদের সেবা দেওয়ার জন্য।
সাভার সরকারী কলেজের (আরও অনেক কলেজেই) সকল বিভাগে, ইনকোর্স পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত নাম্বার কম দিয়ে শিক্ষকরা প্রায় সকল শিক্ষার্থীদের কাছে জরিমানা দাবি করে, এবং জরিমানা না দিলে রেজিস্ট্রেশন করতে না দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ খাতা দেখতে চাইলে, শিক্ষকরা খাতা দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়। গড়ে প্রতি শিক্ষার্থীর থেকে ১০০০ টাকা করে (প্রতি বিষয়ে ২০০ টাকা করে) নেয়া হয়। উল্লেখ্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এরূপ কোনও নিয়ম নেই। এটা একান্তই কলেজ থেকে বেআইনি ভাবে নেয়া হয়।
সাধারণ মানুষ জানেও না এজি অফিস বা জেলা আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে কি হয়। এজি অফিস হচ্ছে সেই সরকারী অফিস যেটা অন্য সকল সরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থেকে ঘুষ খায়। জয়েনিং এর পর বেতন চালু করতে, টিএ/ডিএ বিল তুলতে, অগ্রিম বর্ধিত বেতন এর এরিয়ার টাকা তুলতে এছাড়া আরো অসংখ্য কাজে এই অফিসের ধারস্থ হতে হয়। এরা ফাইল না ছাড়লে আপনি যত বড় কর্মকর্তাই হন, টাকা পাবেন না। এরা হলো ঘুষখোরদের ঘুষখোর, কিন্তু সাধারণ মানুষ এদের সাথে সম্পৃক্ত না হওয়ার দেশে যত বড় বিপ্লবই হোক না কেন এরা সোজা হবে না। আমাদের মতো যারা ছোটখাটো কর্মচারী-কর্মকর্তা আছি তারা সবসময় এদের হাতে জিম্মি। আমাকে জয়েনিং এর বেশ কয়েকমাস পরে গিয়েও বেতন চালু করতে ৫০০০ টাকার বেশি দিতে হয়েছে ওদের। এরপর "অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট" এর বিল পেতে আরো ৩০০০।
নরসিংদী সরকারি কলেজে যে লোক ভর্তির কাগজপত্র জমা নেয় উনি সবার কাছে থেকে বই দেয়ার সময় 100 করে টাকা নিয়েছে। অথচ এই বই ফ্রিতেই দেয়।
একটা জিডি করতে গেছিলাম। লেখালেখি করার জন্য ২০০ টাকা নিছে। পরে জমা দেওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করে। ৯৯৯ এ কল দিয়ে এটার সমাধান হয়। বাট সে আমার কাজটা করেনি আমি বুঝতে পারছি। কয়েকদিন পর জিডি তুলে নেওয়ার জন্য আবার যাই৷ এবং সে বলে "আগেরবার তো কিছু দিলেন না, এইবার যদি চা নাস্তার জন্য কিছু দিতেন" আমি পরে ৫০ টাকা দিয়ে আসছি।
আমার বাডি chittagong কিন্ত আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকা হওয়াতে আমি ঢাকা ( উত্তরা ) জমা দিতে গেলে তারা আমকে এইকাহ্নে হবে না বাদ দিয়ে দে । পরে ১৫০০ টাকা দেওয়াতে তা গ্রহণ করে এবং জমা নে ।
আসালামুলাইকুম, আমি একজন প্রবাসী,—, আমি আমার মাকে ইতালি আনতে আবেদনের মাধ্যমে যথাযথ বাংলাদেশে ইতালি embassy জমা করি অতঃপর embassy আমার মায়ের visa আবেদন reset করে দেয়। কারন আমার দুই বোন আছে তাদের স্বামীর বাড়ি থেকে জীবন যাপন করে আসছে আমর মাকে italy আনতে হলে আমার বোনের লিখিত ডকুমেন্ট এবং আমার মা একজন অসুস্থ certificate ministri করে italy আদালতের মাধ্যমে আমর মায়ের visa rissue হবে। আমি পল্টন এক সরকারি কর্মকর্তার কাছে সকল doc. পাঠানো হলে আমাকে বলে officer সাথে কথা বলে জানাবে 7/8দিন ঘুরিয়ে 10 হাজার দাবি করে। আমি আদালতে date এসে যাওয়ায় আমি আমার বোনদের docকরতে রাজি হওয়ায় আমার এক বোনের doc হয় তার পর আমার কাছে 5 হাজার দাবি করেন আমি না দিলে ministri ডকুমেন্টস online থেকে সরিয়ে দেয়।
সরকারিভাবে যে নাগরিক সনদ ফ্রি হওয়ার কথা, সেটা করতে গাড়ি ভাড়ার নামে ৫০০ টাকা নিয়েছে। এমাউন্টটা কম হলেও, যেহেতু আমি স্টুডেন্ট, এই টাকাটাও আমার জন্য অনেক।