survey report from Tala Nayeb and patkel ghata ac land office
without money they will give false reports and delaying and to avoid harassments
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
without money they will give false reports and delaying and to avoid harassments
জেকেজকেজ৷ ওজেহে৷ এ জ্বব্ব জেজে
trade license renewal
ডেমরা অর্থাৎ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৮ নং ওয়ার্ডের কর অঞ্চল ৮ এর উপর এরা পুরো অফিস সংঘবদ্ধভাবে জুলুম চালাচ্ছে। ২০২০ সালে এরা প্রথমে উচ্চ হারে হোল্ডিং ট্যাক্সের দাবি জানিয়ে যায়। কিন্তু অনুন্নত এলাকা বলে এখানে বাড়ির আয় ঢাকার অন্যান্য এলাকা হতে নেহাতই কম। এরা নিজেরাই প্রস্তাব দেয় প্রতি বাড়ি থেকে গড়ে ১০,০০০ টাকা খরচ দিলে এরা এই হোল্ডিংয়ের বিপরীতে দুইটি মামলা চালাবে। গ্রাহকরা নিজেরাও খরচ কমানোর মামলা ব্যক্তিগতভাবে করতে পারে এমনটাও দাবী করেছিল। সকল গ্রাহক এই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিল। প্রতি বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স কমিয়ে লেখার জন্য কম করেও ১-১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সংগ্রহ করেছে এরা। ৪০% কম করের বদলে যদিও তারা ২৫% কম কর ধরে। কর দিতে গেলে বিভিন্ন গোঁজামিল দিয়ে প্রচুর টাকা পকেটস্থ করে
জাতীয় পরিচয় পত্র তুলতে গেলে অফিস(কালশী, মিরপুর) থেকে জানায় সেটি খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। ৭ দিন পর আসতে বলা হলো। এরপর আরো ৩ দিন পর আসতে বলা হলো। নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হলে অফিস কর্মচারি জানান, কার্ড খুজে পেতে কিছু টাকা লাগবে। আমি বললাম কার্ডটি কোথায় আছে? কর্মচারী বলল, সে জানে না, তাকে খুজে দেখার সময় দিতে হবে এবং অনেক পরিশ্রমের ব্যাপার তাই অন্তত ৭০০ টাকা লাগবে। সে সময় এই পরিচয় পত্র না থাকায় কিছু জরুরি কাজ আটকেছিল তাই অনেক বুঝানোর পর ৫০০ তে সেই কর্মচারি রাজি হলেন এবং আমাকে অফিসের নিচে গিয়ে অপেক্ষা করতে বলা হলো। ১০ মিনিট পর অন্য একজন লোক(সেই কর্মচারীর কালেকশান এর জন্য নির্ধারিত) এসে কার্ড দিলেন আর ৫০০ টাকা নিয়ে গেলেন।
আমি রাজউক এর প্রধান অফিসে গিয়েছিলাম ডিজিটাল খতিয়ান নং এবং মৌজা নাম বের করতে। নিচের সার্ভিস ডেস্ক এ কথা বললে এখানের অফিসার (দরজা দিয়ে ঢুকেই হাতের ডানে বসে) এক পিয়নকে ডাক দেয়। ওই পিয়ন আমাকে চায়ের দোকানে নিয়ে ৫০০০টাকা দাবি করে এবং শেষমেশ ৩০০০টাকাতে রাজি হয় কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পর জোর করে ২০০টাকা বেশি নেয়।
ঢাকা ডেমরা তে জমি ক্রয় করেছিলাম কিছু মাস আগে। সেই জমি কিছু দিন আগে নামজারি এর জন্য ভুমি অফিসে গেলে ২৫০০০টাকা দাবি করে। পরে ২২০০০টাকা দিয়ে নামজারি করতে দেই। অথচ নামজারি করার সরকারি ফি ১১০০টাকা +
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে অফিস থেকে নানান হয়রানি। এটা নাই ওটা নাই, এটা আনেন ওটা আনেন। যখন সব আনা হইছে তখন কিছু না বলেই ফর্ম ফেরত দিয়ে দেয়। বলে নাগরিক সার্টিফিকেট লাগবে। এখন ঐটা কই পাই। দালাল কে মোট ৮ হাজার টাকা দিলাম। ফর্মে একটা ছোট ফোটা দিল। বলল নিয়ে যান। নিয়ে গেলাম। জমা ছবি তোলা সব চোখের পলকে হয়ে গেল।
স্বাভাবিক ভাবে পাসপোর্ট বানানোর সময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগে,কিন্তু আমাদের দেশে এই জিনিসটা দুইভাবে হয়। ১।কন্টাক্ট এ যেখান থেকে আপনি এইগুলোর কাজ করবেন সেখানে এক্সট্রা টাকা দেওয়া যাতে তাড়াতাড়ি হয় বা ঠিকভাবে আসে (এখানে পুলিশ এর সাথে আর উক্ত প্রতিষ্ঠান কানেক্টেড থাকে) ২।কন্টাক্ট না করে যদি করেন তাহলে পুলিশের সাথে আপনার ফেইস করতে হবে এবং এটি দীর্ঘ টাইম নিবে অথবা কাগজের কোন একটা ভুল খোঁজে সংশোধন এর উদ্দেশ্য টাকা চাইবে এবং টাকা দিলেই দুই একদিন এর মধ্যে আপনার কাজ শেষ।
পাসপোর্ট করতে আমি প্রথমে যাই..স্বাভাবিক ভাবেই পাসপোর্ট করাতে যাই কিন্তু আমার সবকিছু ঠিক থাকার পরও ভুল ধরতে থাকে...হতাশ হয়ে বাইরে এসে দাড়াই একজন বলে ভাই মার্কা মেরে নিয়ে যান সব ক্লিয়ার...এই কথা বলার পরে তার সাথে হাতাহাতিও হয়...আমার...আমি সব ঠিক করে অফিসার এর কাছে যাই আবার ভুল ধরে...এখন বাধ্য হয়ে যে লোক মার্কা দিতে চাইছিলেন তার আরেক সহযোগীর কাছে যাই...আমার আবেদন এর কাগজে...কিছু একটা গোপন সংকেত দেয়...আমি কাগজটা জমা দিয়ে...অফিসারকে বল্লাম ভাই কাগজটা একটু দেখেন...ওমা...হাসি মুখে কাগজ জমা নিল...১৫ মিনিট এ আমার কাজও হয়ে গেলো
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একটা হোটেলে যেতে বলে,সেখানে অনেকক্ষন বসে থাকার পর আমার সিরিয়াল আসে।দেখলাম সবাই কাজ শেষে হাতে কিছু দিচ্ছে ।একজন হজে যাবে তার কাছ থেকেও নিচ্ছে । এরপর আমাকে ডেকে কিছু ব্যাসিক প্রশ্ন করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে, বুঝলাম আমাকেও হ্যান্ডশেক করতে হবে যার মুল্য ৫০০ টাকা। আমাকে জিজ্ঞেস ক্রছে মনে কিছু করেছি কিনা কোনো দাবি রেখেছি কিনা।
জমি রেস্টেরি করতে ৫৬ হাজার দাবি করেছেন, কিন্তু সেই একই পাসের জমি রেস্টেরি হয়েছে ২০থেকে২৫ দিনের হলো ২০ হাজার টাকায়, কেননা তার থেকে ৪ হাজারের বেশি চা পানি খরচ নিতে পারে নাই, এবং সাধারণ লোকজনের থেকে ফ্রী বাবদ ৪০ হাজার টাকা লাভ রাখেন বিঘা প্রতি, এভাবেই চলছে ভূমি অফিস, আরেকটা কথা শুনলাম বললো।১০ হাজার টাকা এমপি কে ঘুষ না দিলে নাকি হবেই না, সব জায়গায় দেখলাম এটা সিন্ডিকেট ভাবে জমি দলিল + রেজিস্টার করছে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে, হয়তো গুছিয়ে লিখতে পারলাম না একশন নিলে অবশ্যই জানাবেন সেই সময়।সামনে এসে কাজ করাব এবং আগ পিছ কি পরিস্থিতি হশ জানাব জিমেইল 1xshort.com@gmailcom
আসালামুলাইকুম, আমি একজন প্রবাসী,—, আমি আমার মাকে ইতালি আনতে আবেদনের মাধ্যমে যথাযথ বাংলাদেশে ইতালি embassy জমা করি অতঃপর embassy আমার মায়ের visa আবেদন reset করে দেয়। কারন আমার দুই বোন আছে তাদের স্বামীর বাড়ি থেকে জীবন যাপন করে আসছে আমর মাকে italy আনতে হলে আমার বোনের লিখিত ডকুমেন্ট এবং আমার মা একজন অসুস্থ certificate ministri করে italy আদালতের মাধ্যমে আমর মায়ের visa rissue হবে। আমি পল্টন এক সরকারি কর্মকর্তার কাছে সকল doc. পাঠানো হলে আমাকে বলে officer সাথে কথা বলে জানাবে 7/8দিন ঘুরিয়ে 10 হাজার দাবি করে। আমি আদালতে date এসে যাওয়ায় আমি আমার বোনদের docকরতে রাজি হওয়ায় আমার এক বোনের doc হয় তার পর আমার কাছে 5 হাজার দাবি করেন আমি না দিলে ministri ডকুমেন্টস online থেকে সরিয়ে দেয়।
সরকারিভাবে যে নাগরিক সনদ ফ্রি হওয়ার কথা, সেটা করতে গাড়ি ভাড়ার নামে ৫০০ টাকা নিয়েছে। এমাউন্টটা কম হলেও, যেহেতু আমি স্টুডেন্ট, এই টাকাটাও আমার জন্য অনেক।
সাভার সরকারী কলেজের (আরও অনেক কলেজেই) সকল বিভাগে, ইনকোর্স পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত নাম্বার কম দিয়ে শিক্ষকরা প্রায় সকল শিক্ষার্থীদের কাছে জরিমানা দাবি করে, এবং জরিমানা না দিলে রেজিস্ট্রেশন করতে না দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ খাতা দেখতে চাইলে, শিক্ষকরা খাতা দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়। গড়ে প্রতি শিক্ষার্থীর থেকে ১০০০ টাকা করে (প্রতি বিষয়ে ২০০ টাকা করে) নেয়া হয়। উল্লেখ্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এরূপ কোনও নিয়ম নেই। এটা একান্তই কলেজ থেকে বেআইনি ভাবে নেয়া হয়।
আমার বার্থ সার্টিফিকেটে মায়ের নামের বানান ভুল ছিল । বিদেশ যাব দেখে নাম সংশোধন করার দরকার ছিল। প্রথমে ৫০ টাকা খরচ করে এই কাজের জন্য দরকারি কাগজ পত্র জমা দেই । আজ আসেন, কাল আসেন বলে ১ মাস ঘুরায়, তারপর বলে আবার এপ্লাই করেন । ধৈর্য নিয়ে আবার ৫০ টাকা খরচ করি , সেইম আগের মত ঘুরায় । এবার ঘুরলাম ২ মাস । ৩য় বার এপ্লাই করতে যখন গেলাম তখন পিয়ন ডাক দিয়ে বলল ভাই আপনাকে ২ / ৩ মাস ধরে দেখি প্রতি সপ্তাহেই আসেন, এইভাবে ৩ বছর ঘুরলেও কাজ হবেনা । তাহলে কি করলে কাজ হবে? আমি জিজ্ঞেস করলাম । বলল স্যার রা আগের মত ঘুষ খান না, মিষ্টি খাওয়ার জন্য ১৫০০ টাকা দিয়েন, কালকে সন্ধায় এসে সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন। বাধ্য হয়ে পরে ১৫০০ টাকা দেই এবং যেমন কথা তেমন কাজ । পরেরদিনই পেয়ে যাই সঠিক নাম সহ বার্থ সার্টিফিকেটক, মাত্র ১৪ ঘটায়
পাসপোর্ট করতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতা হলো, মনে হলো অফিসে পাসপোর্টের চেয়ে টাকারই বেশি মূল্য! নিজে গেলে একটার পর একটা ভুল ধরা হয়, ফাইল আটকে থাকে দিনের পর দিন। কিন্তু দালালের হাতে টাকা তুলে দিতেই সেই ভুলগুলো হাওয়া—ফাইল সরাসরি অফিসারের টেবিলে, কাজও দ্রুত শেষ! তখন বুঝলাম, সাধারণ মানুষের জন্য লাইন, আর টাকার জন্য শর্টকাট!
একদিন আমি নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য বিআরটিএ অফিসে গেলাম। নিয়ম মেনে সব কাগজপত্র জমা দিলাম এবং পরীক্ষাও দিলাম। কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমার কাগজে একের পর এক ভুল বের হতে লাগল। পরীক্ষাতেও আমাকে ফেল করিয়ে দেওয়া হলো। পরে বাইরে এসে কয়েকজন দালালের সঙ্গে কথা বললে তারা বলল, “আমাদের মাধ্যমে করলে এত ঝামেলা হবে না। অফিসে আমাদের লোক আছে।” তারা টাকা চাইল। বাধ্য হয়ে আমি টাকা দিয়ে তাদের মাধ্যমে আবার কাজ শুরু করলাম। এরপর দেখলাম, যে কাগজে আমার এত ভুল ধরা হয়েছিল, সেই একই কাগজ তাদের মাধ্যমে জমা দেওয়ার পর আর কোনো ভুল ধরা হলো না। পরীক্ষার ব্যাপারেও তেমন সমস্যা হলো না, আর লাইসেন্সের কাজও দ্রুত এগিয়ে গেল।
চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করার জন্য খুলশী থানায় জিডি করি, থানা থেকে দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা উদ্ধারের জন্য ৩০০০ টাকা খরচ দিতে হবে বলে জানান,এবং এই খরচ দিতে রাজী থাকলে ফোন উদ্ধার হবে এই শর্তে ফোন উদ্ধার করে দেন, আমি মোবাইল পেয়ে ৩০০০ টাকা পরিশোধ করি
আমার মোবাইল ফোনটি সাভার সিটি সেন্টারের সামনে থেকে হারিয়ে যায়। এ বিষয়ে জিডি/রিপোর্ট করতে সাভার থানায় গেলে, শেষ পর্যন্ত যেন তারা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খোঁজাখুঁজি করে সেই জন্য ১,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি ৫০০ টাকা প্রদান করলেও কোনো ধরনের সেবা বা সহায়তা পাইনি।