নতুন লাইসেন্স তৈরি ও লাইসেন্স নবায়ন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

একদিন আমি নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য বিআরটিএ অফিসে গেলাম। নিয়ম মেনে সব কাগজপত্র জমা দিলাম এবং পরীক্ষাও দিলাম। কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমার কাগজে একের পর এক ভুল বের হতে লাগল। পরীক্ষাতেও আমাকে ফেল করিয়ে দেওয়া হলো। পরে বাইরে এসে কয়েকজন দালালের সঙ্গে কথা বললে তারা বলল, “আমাদের মাধ্যমে করলে এত ঝামেলা হবে না। অফিসে আমাদের লোক আছে।” তারা টাকা চাইল। বাধ্য হয়ে আমি টাকা দিয়ে তাদের মাধ্যমে আবার কাজ শুরু করলাম। এরপর দেখলাম, যে কাগজে আমার এত ভুল ধরা হয়েছিল, সেই একই কাগজ তাদের মাধ্যমে জমা দেওয়ার পর আর কোনো ভুল ধরা হলো না। পরীক্ষার ব্যাপারেও তেমন সমস্যা হলো না, আর লাইসেন্সের কাজও দ্রুত এগিয়ে গেল।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২০,০০০
যে কাজের জন্য নতুন লাইসেন্স তৈরি ও লাইসেন্স নবায়ন
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা চট্টগ্রাম
রিপোর্টের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
মন্তব্য