ইউনিয়ন অফিসে জন্মনিবন্ধন অনলাইন করার জন্য ঘুষ
আমি শিয়ালঘনী, ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গেছি জন্ম নিবন্ধন করার জন্য। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আমার কাছে ৪৫০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। যা আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করি। কারণ আমার জন্ম নিবন্ধন করার দরকার ছিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি শিয়ালঘনী, ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গেছি জন্ম নিবন্ধন করার জন্য। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আমার কাছে ৪৫০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। যা আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করি। কারণ আমার জন্ম নিবন্ধন করার দরকার ছিলো।
৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের সময় NOC নিতে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জেলা শিক্ষা অফিসে। নিয়ম হচ্ছে সবধরণের কাগজপত্র জমা দিয়ে ডকেট করে রাখতে হবে। পরীক্ষায় পাশের পর ভাইবার আগে ডকেট নাম্বার দেখিয়ে NOC নিতে হবে। আবেদনের সময় সেই সব কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম। কাগজে সাইন লাগবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার। সেই সাইন নেওয়া জন্য নাকি ৫০০ টাকা লাগবে!!! মানে কাগজপত্র ডকেট করার জন্যই ৫০০ টাকা!! উপজেলায় দিয়েছি ২০০টাকা। আসলে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। তখন ভাবতেছি NOC এর জন্য আসতে হলে কত টাকা খুজবে!!
কুমিল্লা জিলার, দাউদকান্দি উপজেলাধীন, রায়পুর ভূমি অফিসের অফিসার ৩ টি নামজারি করতে সরকারি খরচ ৩৭৫০ টাকা কিন্তু ফাইল আটকে রাখার কারণে অতিরিক্ত ১৪২৮০ টাকা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ৩ টির জন্য ১৮,০০০ টাকা নিয়েছে। যতটুকু জানলাম এইটা উপজেলা ভূমি অফিস সহ জরিত এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে সিন্ডিকেট সাধারণের ক্ষতি করে।
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য বেশি টাকা দাবি করেছিল
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৭ নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের — কৃষি অফিসার আমার চাচার কাছ থেকে আজ কৃষক কার্ড করিয়ে দেয়ার জন্য ৫০০০ টাকা চায়চে৷ এভাবে আরো অনেকের কাচ থেকে নিচে আজকে ২৩ আগস্ট তারিখ
রায়পুরা উপজেলা পরিষদে এনআইডির জন্য গিয়েছিলাম। আমাকে দেখে হয়তো ভাবছে বড়লোক মানুষ। আমি পেছনের সিরিয়ালে ছিলাম। ওইখান থেকে একটা দালাল আমাকে সিরিয়াল ভেঙ্গে সবার আগে ঢুকাইছে। পেছনের সবাই চিল্লাচিল্লি করছিল। আমার নিজের কাছেও অস্বস্তি লাগছিল। পরে দেড় হাজার চাইছে। আমি এক হাজার দিছি। তারপর আমাকে দুই নাম্বার সিরিয়ালে নিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া সহ সবকিছু করে দিছে। ওই দালালের সাথে অফিসের লোকও জড়িত
Gazipur mouchak skout sakha jonota bank ami amr babar sathey goto 1 week agey account korte jai first e akta line e darai then chobi ro baki kagojpati newar pore amader ke akta 5-6 page er from Puron korte deya hoy savabik vabei amra jehetu protidin esob kori na tai eto jana nei tarporeo jetotuku somvob amra Puron kore joma dile sekhaney khubi rude bebohar kora hoy akjon boyosko lok chilo and tar pashei bose akjon choto height er akjon Clark amader ke bar bar fereye deya hoy help chaile bole eta amader kaj na help kora Bangladesh e government Bank e account korte geye sokal 10 ta theke dupur 3 ta beje jay then amader then amader kachey 500 tk nay 2 ta from puron er jonno eta na dile
কম্পিউটার দোকানে ২০০ টাকা ফি দিয়ে জিডি সাবমিট করেছি। আবেদন পত্র থানায় জমা দিতে গিয়ে শুনি ট্র্যাকিংয়ের জন্য ১০০০ টাকা লাগবে। এছাড়াও ৫০০ টাকার চুক্তি করতে হবে, মানে হারানো মোবাইল ফেরত পাওয়ার সাথে সাথে জিডি ইনচার্জকে ৫০০০ টাকা দিতে হবে।
আমি নির্বাচন কমিশনার অফিসে গিয়েছিলাম, আমার এন আইডিতে দেয়া তথ্য সংশোধনের জন্য।অফিসে প্রদর্শিত তথ্য দেখে ওরা আমাকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বলে, অফিস থেকে আসার পরে আমার পরিচিত এক বন্ধুর কাছে জানতে পারি নির্বাচন কমিশনের কর্মরত এক ব্যক্তির নাম, যিনি ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি সম্পন্ন করে দিতে পারবেন। অথচ আমি যখন সংশোধনের জন্য সরাসরি যাই, তারা সেটা প্রত্যাখ্যান করে।
জমি রেস্টেরি করতে ৫৬ হাজার দাবি করেছেন, কিন্তু সেই একই পাসের জমি রেস্টেরি হয়েছে ২০থেকে২৫ দিনের হলো ২০ হাজার টাকায়, কেননা তার থেকে ৪ হাজারের বেশি চা পানি খরচ নিতে পারে নাই, এবং সাধারণ লোকজনের থেকে ফ্রী বাবদ ৪০ হাজার টাকা লাভ রাখেন বিঘা প্রতি, এভাবেই চলছে ভূমি অফিস, আরেকটা কথা শুনলাম বললো।১০ হাজার টাকা এমপি কে ঘুষ না দিলে নাকি হবেই না, সব জায়গায় দেখলাম এটা সিন্ডিকেট ভাবে জমি দলিল + রেজিস্টার করছে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে, হয়তো গুছিয়ে লিখতে পারলাম না একশন নিলে অবশ্যই জানাবেন সেই সময়।সামনে এসে কাজ করাব এবং আগ পিছ কি পরিস্থিতি হশ জানাব জিমেইল 1xshort.com@gmailcom
চিফ অ্যাকাউন্ট্যান্ট এর অফিসে থেকে যে কোনো ধরনের বিল পাস করতেই ঘুষ দিতে হয় তা না হলে নানা বাহানায় মাসের পর মাস ফেলে রাখে। শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রত্যয়ন আনা যেহেতু জরুরি বিষয় তাই বাধ্য হয়ে তাদের চা নাস্তার দাবি কৃত অর্থ (৫০০টাকা) দিতে হয়েছে।
একটি খতিয়ান করে দিয়েছে।
একদিন আমি নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য বিআরটিএ অফিসে গেলাম। নিয়ম মেনে সব কাগজপত্র জমা দিলাম এবং পরীক্ষাও দিলাম। কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমার কাগজে একের পর এক ভুল বের হতে লাগল। পরীক্ষাতেও আমাকে ফেল করিয়ে দেওয়া হলো। পরে বাইরে এসে কয়েকজন দালালের সঙ্গে কথা বললে তারা বলল, “আমাদের মাধ্যমে করলে এত ঝামেলা হবে না। অফিসে আমাদের লোক আছে।” তারা টাকা চাইল। বাধ্য হয়ে আমি টাকা দিয়ে তাদের মাধ্যমে আবার কাজ শুরু করলাম। এরপর দেখলাম, যে কাগজে আমার এত ভুল ধরা হয়েছিল, সেই একই কাগজ তাদের মাধ্যমে জমা দেওয়ার পর আর কোনো ভুল ধরা হলো না। পরীক্ষার ব্যাপারেও তেমন সমস্যা হলো না, আর লাইসেন্সের কাজও দ্রুত এগিয়ে গেল।
আমার বাবার মৃত্যুর পরে তার একাউন্টে কিছু টাকা ছিল। ওই টাকাগুলো আমার একাউন্টে আনার জন্য আমি ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে জনতা ব্যাংক পি এল সি ফরিদগঞ্জ শাখা চাঁদপুরে যাই , টাকা আমার একাউন্টে আমার জন্য অনেকগুলো কাগজের কথা বলা হয়। সকল কাগজ গুছিয়ে আমি তিনবার ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ট্রান্সফারের জন্য বরিশাল টু ফরিদগঞ্জ যাওয়া আসা করি। তৃতীয়বার তারা টাকা দিতে রাজি হয় এবং বলে কিছু নাস্তার টাকা দিয়ে যেতে বলে। আমি না দিতে প্রত্যাখ্যান করলে তারা বিভিন্ন ধরনের কথা বলে, উনারা নাকি এটা নিয়ে অনেক কষ্ট করেছে এই করেছে সেই করেছে, আমি প্রথমে ৫০০ টাকা দিই তারা নিতে প্রত্যাখ্যান করে, তাদেরকে আমি ২০০০ টাকা দিলে তারা নিতে চায় না আরো কিছু টাকা চায় পরে আমি আরো ৫০০ টাকা দেই, মোট ২৫০০ টাকা দিতে হয়েছিল আমাকে।
আমি নামজারি করার জন্য আবেদন করি ১ মাস পার হয়ে গেলেও তারা আমার নামজারির আবেদন পরিক্ষা করেন নাই। ১ মাস ১৫ দিন পর ভূমি অফিসে গিয়ে তাদের কে বিস্তারিত বলি তারপর তারা সিস্টেম এ আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে। সেটি পরিশোধ করলে কয়েক সপ্তাহ আমার কাজ সর্ম্পুন করে।
নেত্রকোণা সরকারি হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে বিশাল ঘুষ বানিজ্য শুরু হয়েছে। ১লক্ষ ৮০ হাজার থেকে শুরু করে ২ লক্ষের বেশি ডাক উঠেছে। এই নিয়োগে নজর দেওয়া উচিত। পুরো শহর এর দিকে দৃষ্টিপাত করছে।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একটা হোটেলে যেতে বলে,সেখানে অনেকক্ষন বসে থাকার পর আমার সিরিয়াল আসে।দেখলাম সবাই কাজ শেষে হাতে কিছু দিচ্ছে ।একজন হজে যাবে তার কাছ থেকেও নিচ্ছে । এরপর আমাকে ডেকে কিছু ব্যাসিক প্রশ্ন করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে, বুঝলাম আমাকেও হ্যান্ডশেক করতে হবে যার মুল্য ৫০০ টাকা। আমাকে জিজ্ঞেস ক্রছে মনে কিছু করেছি কিনা কোনো দাবি রেখেছি কিনা।
মামলার নিষ্পত্তির নকল তুলতে সাধারণত সরকারি ফি ৩২/- বার তার কিছু কমবেশী কিন্তু আমি বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালের থেকে এই নথি নিতে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে এর নিচে হয়নি। এটা শুধু এই ট্রাইবুনালে না সব ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেই একই অবস্থা।
স্বাভাবিক ভাবে পাসপোর্ট বানানোর সময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগে,কিন্তু আমাদের দেশে এই জিনিসটা দুইভাবে হয়। ১।কন্টাক্ট এ যেখান থেকে আপনি এইগুলোর কাজ করবেন সেখানে এক্সট্রা টাকা দেওয়া যাতে তাড়াতাড়ি হয় বা ঠিকভাবে আসে (এখানে পুলিশ এর সাথে আর উক্ত প্রতিষ্ঠান কানেক্টেড থাকে) ২।কন্টাক্ট না করে যদি করেন তাহলে পুলিশের সাথে আপনার ফেইস করতে হবে এবং এটি দীর্ঘ টাইম নিবে অথবা কাগজের কোন একটা ভুল খোঁজে সংশোধন এর উদ্দেশ্য টাকা চাইবে এবং টাকা দিলেই দুই একদিন এর মধ্যে আপনার কাজ শেষ।
অফিসে দালালদের কাছে চায় ১১০০। ওরা ৩০০-৪০০ বাড়িয়ে কাস্টমার এর কাছে চায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২-৩ হাজার এক্সট্রা চায় ফাইল জমা করতে।