সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুষ চাওয়া হয়েছে? এখানে ১৭,৩২০ জন নাগরিক ইতিমধ্যে তাদের অভিজ্ঞতা লিখে রেখেছেন। প্রতিটি রিপোর্ট একসাথে মিলে দেখিয়ে দেয় — কোথায়, কোন দপ্তরে, কত টাকার ঘুষ চাওয়া হচ্ছে।
Made me fail every time until i went the unofficial route
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।
২০২২ এর একটি সার্কুলার দেখিয়ে আমাকে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য সচিব ওনার চাচা আর উনি দায়িত্ব নিয়ে বলেছিল তিন মাসের মধ্যে আমার জইনিং কনফার্ম করে দেবে। এক বছর পর সরকারীকরণ করে দেবে। আমার কাছ থেকে অগ্রিম 2 লক্ষ বারো হাজার টাকা নিয়েছিল। যার ব্যাংক রিসিট আমার কাছে আছে।
২০২৩ সালে আমার দারিদ্রতার আমার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বায় মাতৃত্বকালীন সুবিধা দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিল। ফরিদগঞ্জ থানা 15 নং রূপসা ইউনিয়ন এর ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জহির এখনো পর্যন্ত আমার সেই ভাতার কার্ড চালু হয় নাই। সব সময় আশা দিয়ে যায় করে দেবে।
পিপি বলছে টাকা দিলে পক্খে কথা বলবো না হয় বিরধিদের জামহব করিয়ে দিবো মহরি সই করতে গিয়ে বলছে টাকা দিতে হবে
আপনি যদি একটি মামলার সার্টিফাই কপি তুলতে যান এডভোকেটের দালালেরা দ্রুত করে দেওয়ার নামে আপনার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চাইবে।
আমি আমার মা বাবার আমার ছেলে ভাতিজি চোট ভাই র বউয়ের জন্য ৫ টি পাসপোর্ট আবেদন করি ব্যংক ডাপ করি কিন্তু পাইল দেখে বলেন আমাদের এগুলো হবে না বাহিরে ওদের এজেন্ট নিয়োগ আচে ঐ খানে গিয়ে টাকা দিয়ে তার একটা মর্ক দিয়ে চে ঐ মর্ক দেখে আমাদের আগের পুরন করা পাইল জমা নিয়ে চে এটা লক্ষী পুর পাসপোর্ট অফিসে
brow color money bag silo 3607tk silo
লাল রঙের পালসার, নম্বর প্লেটের নিচে স্টিকার লাগানো ছিল।
সাদা লোমের বিড়াল, গলায় নীল বেল্ট ছিল। বিকেলে ছাদ থেকে নেমে যায়।
বাসে ওঠার সময় মানিব্যাগসহ এনআইডি কার্ড পড়ে যায়।
কাল কালার ফোন সিল কাভার সিল পিঙ্ক কালার, বাস থেকে নামার সময় আটা হইসা
স্কুল ছুটির সময় মোড়ে দাঁড়িয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা হয়, অভিভাবকরা আতঙ্কে আছেন।
সন্ধ্যার পর গলির মুখে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা হয়, এলাকাবাসী ভয়ে কিছু বলে না।
সরকারি খাস জমিতে রাতারাতি টিনের ঘর তুলে দোকান বসানো হয়েছে, বাধা দিলে হুমকি দেয়।
গলির মোড়ে দল বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকে, পথচারীদের উত্ত্যক্ত করে ও ভয় দেখায়।
প্রতি সপ্তাহে দোকানপ্রতি টাকা তোলা হয়, না দিলে দোকান বন্ধের হুমকি দেওয়া হয়।
| দপ্তর | রিপোর্ট | গড় ঘুষ | প্রত্যাখ্যানের হার | |
|---|---|---|---|---|
| ১ | অন্যান্য সরকারি দপ্তর | ৫,৫০৭ | ৳৪.০৫ লাখ | ২৫.৮% |
| ২ | ভূমি অফিস | ৩,৭৫৩ | ৳২.৩৬ লাখ | ২৬.৫% |
| ৩ | পাসপোর্ট অফিস | ২,০৪০ | ৳৯৭.৬ হাজার | ১৭.৬% |
| ৪ | বিআরটিএ | ১,২৬৫ | ৳১.৬৮ লাখ | ২০.০% |
| ৫ | শিক্ষা অফিস | ৯৩৮ | ৳২.০৮ লাখ | ২২.২% |
| ৬ | সিটি কর্পোরেশন | ৭৮০ | ৳৪.৩৩ লাখ | ২০.৩% |