পেনশন সংক্রান্ত কাজ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আব্বা মারা যাওয়ার পর আম্মার নামে পারিবারিক পেনশান এর ব্যবস্থা করা হয়।প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ১৮ মাস মত দেরি হয়ে যায়।এই ১৮ মাসে প্রায় ১৬০০০০/- টাকা মত পেনশান বকেয়া খাতায় জমা হয়।হিসাব রক্ষণ অফিসে বারবার যেতে যেতে যিনি ফাইলের কাজ করছিলেন উনার সাথে একটি ভাল সম্পর্ক হয়ে।যে দিন কাজটি করে দিবেন সে দিন ২০০০০/- টাকা দাবি করেন।আমি অবাক হয়ে যায়।পরে উনার অফিসে আমার পরিচিত একজন মধ্যস্থতা করে ৫০০০/- টাকায় সেটেল করি।আমার পকেটে তখন ছিল ৩০০০/- টাকা,মধ্যস্থতাকারির কাছ থেকে ২০০০/- টাকা ধার নিয়ে তৎক্ষণাৎ দাবিকৃত ৫০০০/- টাকা পরিশোধ করি। উল্লেখ্য,আমার আব্বা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
Comments 0
No comments yet. Be the first.