CT77GKAV

ড্রাইভিং লাইসেন্স ঘুষ দাবি করা হয়েছে

ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে দেখা যায় যে, সরকারি ফি এর পরও অতিরিক্ত ৫-৬ হাজার টাকা দিতে হয়। অত্যন্ত কৌশলে অভিনব কায়দায় ডিসি অফিসের জেএম শাখার কিছু কর্মচারী বিশেষ করে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং বাহিরের কিছু দালাল শ্রেণির লোক সেট করা হয় মধ্যস্থতা করার জন্য, মূল অপরাধীরা থাকেন ধরাছোঁয়ার বাইরে, যেন ধোঁয়া তুলশী পাতা। যাঁদের নিকট থেকে টাকা পাওয়া যায় না, তাদেরকে পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ দেখিয়ে বাতিল করা হয়। মজার বিষয় হলো এমন অনেক আছেন ড্রাইভিং এর কিছুই জানেন না এমনকি মোটর সাইকেল চালানোও জানেন না, অথচ তাকে গাড়ির ( হালকা ) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মনোনয়ন করা হচ্ছে শুধু টাকার বিনিময়ে। এক কথায় আর্থিক লেনদেন কিংবা উচ্চ পর্যায়ের সুপারিশ ছারা একটা কাজও এখানে হচ্ছে না।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫,০০০
যে কাজের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া
রিপোর্টের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ৫ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ৭৯ DKEY8GNP
০ মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭৩ DKRUA4ZC
০ মন্তব্য