ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

অনলাইনে প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্টস সাবমিট করে ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করি এবং একটি লার্নার লাইসেন্স পায়।লার্নার লাইসেন্সে লিখিত,মৌখিক এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখ ছিলো। এক বছর অতিক্রান্ত হলেও আমি পরীক্ষার জন্য কোন এসএমএস পাইনি।পরে BRTA অফিসে যোগাযোগ করলে দায়িত্বরত এক কর্মচারী জানান লার্নার লাইসেন্সে ডেট থাকলেও সেই ডেট অনুযায়ী পরীক্ষা হয় না।আমাকে বলা হয় ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে লার্নার লাইসেন্স রিনিউ করে তাদের সাথে চুক্তিতে যেতে হবে।তা নাহলে পরীক্ষা দিতে পারবো না।আমি BRTA কর্মচারীকে অনুরোধ করি আমি ভালো বাইক চালাতে পারি আপনি শুধু আমাকে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেন।BRTA থেকে সাফ জানিয়ে দেয় চুক্তি না করলে তার কিছু করার নেই।লাইসেন্স জরুরি প্রয়োজন হওয়ায় চুক্তি করতে বাধ্য হই। সাল-২০২১

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৯,০০০
যে কাজের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা রাঙ্গামাটি
রিপোর্টের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য