মামলার ভয় দেখিয়ে ঘুস বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি একজন চালক, আমি জানি ইয়ালো সিগন্যালে গাড়ি রানিং অবস্থায় থাকলে পার হওয়া যাবে এবং এটা সঠিক। কিন্তু হোটেল কন্টিনেন্টালের পাশে সার্জেন্ট আমাকে সিগন্যাল দিয়ে পেপারগুলো চায় এবং আমি ভদ্রতার সহিত দেই, আমাকে জানায় আমার বিরুদ্ধে মামলা দিবে আমি সিগন্যাল অমান্য করেছি। আমি তাকে জানাই আমি যতটুকু জানি ইয়ালো সিগন্যালে গাড়ি রানিং থাকলে যাওয়া যাবে কিন্তু সে হেসে দেয় আমাকে জানায় ইয়ালো সিগন্যালে যাওয়া যাবেনা, পরবর্তীতে আমাকে জানায় আমার বিরুদ্ধে মামলা দিলে অনেকগুলো টাকা দিতে হবে, তাই সে রেকার বিল করে দিবে। আমি জানি, মামলায় আপিল করতে গেলে আইনজীবী হায়ার করতে হয় এবং দ্বিগুণ টাকা সময় দুইটাই নষ্ট হয়। তাই আমি বাধ্য হয়ে হাফ রেকার বিল করতে বললে টাকা নিয়ে নেয়, বারবার চাওয়ার পরেও কোন রিসিট দেয়নি, মানে ঘুস!

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৬০০
যে কাজের জন্য মামলার ভয় দেখিয়ে ঘুস
দপ্তর ট্রাফিক পুলিশ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা হোটেল কন্টিনেন্টাল এর অপোজিটে।
রিপোর্টের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

ট্রাফিক পুলিশ

হয়রানী

আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে জব করি কাজের চাপ থাকায় অফিস থেকে বের হতে অনেক রাত হয় । পথিমধ্যে কিছু পুলিশ আমাকে দার করায় এবং জানতে চায় কোথা থেকে এসেছি ? আমি অফিসের আইডি কার্ড দেখানোর পরেও আমাকে তারা চেক করে কিন্তু কিছু না পেয়ে আমার কাছে 2000 টাকা দাবি করে না দিলে মাদক কেস দিবে ইত্যাদি বলে এখন নিজের সম্মান বাচাতে তাকে টাকা দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ট্রাফিক পুলিশ

রাস্তায় আটকিয়ে ৫০০ টাকা নিয়েছে

আমি হাতিরঝিল দিয়ে আসতেছিলাম। অল্প একটু জায়গা ম্যাবি ১০ ফিট হবে ভুল চলে গিয়েছি। রাস্তা ফাঁকা থাকায় আমি গাড়ি ঘুরিয়ে ঠিক রাস্তায় চলে আসি। এটা দেখে ট্রাফিক পুলিশ —। দেখে তার সাগরেদ দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়। আমার পেপার্স আটকে রেখে। লোকেশনঃ হাতিরঝিল দিয়ে পুলিশ প্লাজা যাওয়ার আগের ৩ রাস্তার মোড়ে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫০০
২১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ট্রাফিক পুলিশ

থানায় সাধারণ ডায়েরি করন প্রসঙ্গে

আমি ছয় শতক জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বায়না দলিলের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা প্রদান করি কিন্তু বায়না দলিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও বিভিন্ন তালবাহানা করে দুই বছর সময় অতিক্রান্ত করে। অবশেষে আমাকে জমি দেবে না বলে ঘোষণা দেয়। তখন আমি টাকা উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য থানার একটি জিডি কফির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। থানায় জিডি করতে গেলে বলে এ সংক্রান্ত জিটি থানায় নেওয়া হয় না। পরবর্তীতে দালাল চক্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে থানায় জিডি করতে সক্ষম হই।

ঘুষ দিয়েছি
হারাগাছ ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য