পেনশন সংক্রান্ত কাজ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
DKRPZLDX
২০২৫ সালের মার্চ মাসে ১৩ গ্রেডের চাকুরীতে প্রবেশের সময় বেতন চালুুর জন্য প্রত্যেকে ১৫০০ টাকা করে দিতে বাধ্য হয় কেননা তারা বিভিন্নভাবে কালক্ষেপণ করছিল এবং প্রথম কয়েক মাসে বেতন না হওয়ায় অনেকেই হতাশ হয়ে গিয়েছিল। ২০২৬ সালের জুলাই মাসে প্রথম ইনক্রিমেন্টের জন্য হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করা তাদের কথা অনুযায়ী মাসের প্রথম সপ্তাহেই সকলের এনআইডি কপি পৌঁছে দেওয়া হয়। মাসের ২০ তারিখে এসে বলে ফাইল ফরওয়ার্ড না করলে কাজ করবে না। তাড়াহুড়ো করে ২ দিনের মধ্যে যাবতীয় ডকুমেন্টসসহ ফাইল ফরওয়ার্ড করলেও জুলাই মাসের ইনক্রিমেন্ট তারা যুক্ত করেনি এবং আমরা একজনও জুলাই মাসের ইনক্রিমেন্ট পাইনি। তারা ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করে না।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
Comments 0
No comments yet. Be the first.