ড্রাইভিং লাইসেন্স (বাইক) বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

শুধু বাইক এর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে সরকারি ফী লাগে প্রায় ৬ হাজার,,, কিন্তু শেরপুর বিআরটি এ তে নিচ্ছে ১১০০০, প্রথমে আমি দিতে চাইনি তখন রিটেনে ফেল করিয়ে দিয়েছে। খুব সুন্দর ভাবে পরীক্ষা দিয়েছিলাম সঠিক হয়েছিল প্রায় ৯০% তারপরও আমাকে রিটেনে ফেল করিয়ে দিয়েছে। আমি খাতা দেখতে চেয়েছিলাম কিন্তু খাতা দেখতে দেয়নি, পড়ে বাধ্য হয়ে আমি ৬ হাজারের জায়গায় ১১ হাজার টাকা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়েছি কিছু করার নাই।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১১,০০০
যে কাজের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স (বাইক)
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ ময়মনসিংহ
থানা / উপজেলা শেরপুর
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য