DK4UWE89

ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য চট্টগ্রাম বিআরটিএ গিয়েছিলাম... আনুমানিক ২০১৯/২০২০ এ। সব কাগজ পাতি রেডি করে বিআরটিএ চট্টগ্রাম গেলাম।যাওয়ার পর একদিন একটা কাগজের জন্য বলতে থাকে,আমিও রাগ করে ঘুষ মা দিয়ে সব কাগজ ( তার চাওয়া মত হয়রানির উদ্দেশ্যে)রেডি করে পরপর ৩ দিন বিআরটিএ গিয়ে অবশেষে ফাইল জমা নিতে বাধ্য হয়।তারপর সে আমাকে লার্নার এর পরীক্ষার ডেইট দেয় ৯ মাসের মত পিছনের একটা ডেইট।আমি ত অবাক।তাকে বললাম এটা কি হলো,পরীক্ষা নিতে যদি ৯ মাস পিছনের ডেইট দেন তাহলে আমি লাইসেন্স কখন পাব।সে বলল,সিডিউল যখন পেলাম তখন দিলাম।অবশেষ আমি বুঝতে পারলাম এগুলো ঘুষ ছাড়া হবে না।অবশেষে ধালাল দরে উত্তরা বিআরটিএ, ঢাকা গিয়ে দালান নিয়ে যখন কাজ শুরু করি তখন ৪০ দিনের মধ্যে লাইসেন্স পেয়ে যায়।এ হলো, আমার অভিজ্ঞতা।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৭,০০০
যে কাজের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২২ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ৭৯ DKEY8GNP
০ মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭৩ DKRUA4ZC
০ মন্তব্য