পেনশন সংক্রান্ত কাজ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
বাবার শেষ বয়সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাকরি থেকে অবসর নিবেন ভাবলেন, তিনি চাকরি করতেন নিরাপত্তা প্রহরীর , তারপর শুরু হল কাগজপত্র আর এ দপ্তর থেকে ও দপ্তর, বাবা স্টক করায় একহাত এবং পা প্রায় অকেজো, চিকিৎসা করার মত সঞ্চয় ছিল না, সবাই বলেছিল পেনশনের টাকা দিয়ে হয়তো চিকিৎসা করাবো, কিন্তু টাকা আর পাওয়া হলো না, তারপর বাধ্য হয়ে ঘুষের বিনিময়ে, মাত্র এক মাসের মধ্যে টাকা পাই, কিন্তু এরই মধ্যে অনেক দেরি হয়ে গেছে, কিছু দিন পরে বাবা মারা যায়, তার পরে মায়ের নামে পেনশন চালু করতে একই সিন্ডিকেটর কবলে পরতে হয়, তাই আর কি করার আগে তো চিনতাম ওদের তাই আবার দুই নাম্বারি পন্থায় যেতে হলো, এই হলো সোনার বাংলাদেশ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।