মোটরসাইকেল লাইসেন্স বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

মোটর সাইকেল রেজিষ্ট্রেশন নিজে নিজেই আবেদন করতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা বি আর টি এ তে গেলে তারা সহযোগিতা করেনি কি কি কাগজ লাগবে তারা আগ্রহ নিয়ে বলে না বরং যখন তারা বুঝতে পারল আমি দালাল বা শুরুম ছাড়া নিজে নিজে করতে চাইছি তখন তারা বিরক্ত হয়ে শুরুমে যোগাযোগ করতে বলে। পরে শুরুমে ২০০০০ দিলাম যেখানে ১৫০ সিসি এর জন্য সম্ভবত ১৩০০০ খরচ হওয়ার কথা। মাত্র ৭ দিলেই নাম্বার পেয়ে গেলাম। যদি সরকারি কোন সরকারি প্রশাসনের কেউ আমার মেসেজ দেখে থাকেন দয়া করে এইসব লাইসেন্স এর ডিজিটাল ব্যবস্থা করেন যেই ডিজিটাল এখন আছে সত্যি বলতে এটা ডিজিটাল নয়। প্রত্যেক শুরুমে পিসিতে সফটওয়্যার ও ফিংগার মেশিন দিয়ে দিন বাইক কেনার সাথে সাথে তারা এন্ট্রি করে লাইসেন্স এর টাকা পে করে দিবে এতে করে ভোগান্তি কম্বে।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২০,০০০
যে কাজের জন্য মোটরসাইকেল লাইসেন্স
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ সিলেট
থানা / উপজেলা সিলেট
রিপোর্টের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ১২
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
মন্তব্য