SYPEPBRW

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

ড্রাইভিং লাইসেন্স এমন একটা জিনিস দালাল ছাড়া হয়ই না । আমার সাথে আরো 200-250 মানুষ যারাই ছিলো সবাই দালালের মাধ্যমেই এসেছে । দালাল থাকলে অটো পাস , না থাকলে অটো ফেইল । পরীক্ষকরা বিআরটিএ অফিস থেকে আলাদা পরীক্ষা নেয় এবং ডকুমেন্ট কালেক্ট করে বায়োমেট্রিক নেয়ার আগেই । সিলেটের অন্য জেলা(হবিগঞ্জ ,সুনামগঞ্জ , সিলেট ) এখন দালালরা সুযোগ সুবিধা করতে পারে না, তাই অন্য জেলার লোকদেরও এখানে পরীক্ষা দেওয়ায় । এই দালালি সিস্টেমের জন্য আমরা সাধারণ জনগণ দায়ী 50% । বাকি 50% এর জন্য সরকারের মন্ত্রণালয়গুলোর আজাইরা প্যারা দায়ী ।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১০,০০০
যে কাজের জন্য নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ সিলেট
থানা / উপজেলা মৌলভীবাজার
রিপোর্টের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ৪৩ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ৮২ DKEY8GNP
০ মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭৭ DKRUA4ZC
০ মন্তব্য