KHD6BN6V

গাড়ির কার্ড/নাম্বার প্লেট বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

বাইকের ডিজিটাল কার্ড ও নাম্বার প্লেট আনতে গেলে আমার কাছে এনআইডি চায়। আমি বলি এনআইডির ফটোকপি আছে। ওই লোক বলে বাসা থেকে আসল এন আইডি নিয়ে আসেন। বাসা থেকে বিআরটিএ প্রায় ৩০ কিলো দূরে। আর সিরিয়াল দিয়ে ওই রুমে ঢুকতে লাগে ৩/৪ ঘন্টা। একবার ওই রুম পর্যন্ত পৌছানোর পর ফেরত যাওয়াটা হতাশার। বিআরটিএ তে যাওয়া মানেই পুরো এক দিন ওখানেই শেষ। NID এর আসল কপি চাওয়া জাস্ট হয়রানির জন্যই। সেটি ঠিক থাকলেও অন্য কণ ভুল ধরে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এরপর আমি যখন বেদিশা হয়ে দরজার বাইরে আসি তখন এক দয়ালু আনসার ভাই আমার দু:খিত হওয়া দেখে অনুগ্রহ করেন ও চিপায় নিয়ে বলেন স্যারদেরকে ম্যানেজ করার জন্য ১০০০ টাকা লাগবে। আমি নিরুপায় হয়ে তাকে টাকা দেয়ার মাত্র১০ মিনিটের মাথায় নাম্বার প্লেট সহ বাইকের ছবি তুলল। আনসার ভা টাকা নিলেও অনেক ভালো। 😛

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,০০০
যে কাজের জন্য গাড়ির কার্ড/নাম্বার প্লেট
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ খুলনা
থানা / উপজেলা খুলনা
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ৪ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ১৭ DKEY8GNP
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬ DKRUA4ZC
মন্তব্য