DKK933F2

ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস করানো বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

SEIP প্রকল্পের আওতায় বিনামুল্যে ৪ মাস মেয়াদি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যেখানে শতকরা ৯০ জন লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস করার যোগ্য। কিন্তু আমাদের ব্যাচ এর সবার থেকে ১৫০০ টাকা করে আদায় করা হয়। আমরা যারা নিয়মিত ক্লাস করতাম আমাদের শতভাগ নিজের উপর বিশ্বাস ছিলো যে পাশ করবো । কিন্তু প্রথমবার ওই টাকা না দেওয়ায় ফেল করানো হয় । তারপর টাকা দিয়ে নাম লেখানোয় পাশ করানো হয় । যদিও এই টাকা আমাদের নিজের পকেট থেকে দিতে হয়নি কারণ আমরা ৪ মাসে ১২০০০ টাকা ভাতা পেয়েছি। কিন্তু যারা সরকারি প্রকল্পের ছাত্র নয় তাদের কাছ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়ে থাকে । এই ঘটনা ২০২৩ সালের (বিআরটিএ জোয়ার সাহারা) ।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৫০০
যে কাজের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস করানো
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ৩৩ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ৮২ DKEY8GNP
০ মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭৭ DKRUA4ZC
০ মন্তব্য