ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

কুষ্টিয়া জেলার বিআরটিএ অফিসে একজন পিয়ন থেকে শুরু করে উপর পর্যায়ে কর্মকর্তা পর্যন্ত এবং যে মাইক্রো মোটরসাইকেল প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার জন্য দিয়ে থাকে সে পর্যন্ত প্রতিদিন প্রত্যেকটা গ্রাহকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায় করে থাকে একদম ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই তারা দেখেও না দেখার ভান করে কারণ এর ভাগ তারাও পায় আমি এই ২০২১ সালে প্রথম লাইসেন্স করতে গিয়ে একই ভাবে ধরা খেয়েছি এইবার রেনু করতে গিয়ে সেই একই কাহিনী এ যেন দেখার কেউ নেই।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১৫,০০০
যে কাজের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ খুলনা
থানা / উপজেলা কুষ্টিয়া
রিপোর্টের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ১২
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
মন্তব্য