পেনশন সংক্রান্ত কাজ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
BRZPV6TG
ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার একাউন্টস অফিস অন্য যেকোনো সরকারি অফিসে সরকার কতৃক বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলনের সময় তারা বরাদ্দকৃত অর্থের ৫% হারে কমিশনের নামে ঘুষ নেয়,এটা পুরো উপজেলায় ওপেন সিক্রেট,অর্থাৎ অন্য সরকারি অফিস থেকে সরকারি বরাদ্দকৃত যেকোনো এমাউন্টের টাকা তুলতে গেলেই তাদেরকে সেখান থেকে ৫% বাধ্যতামূলকভাবে দিতেই হয়,নয়তো তারা ফাইল মুভ করেনা,তাই অন্য সরকারি অফিসগুলোর ক্ষেত্রে টাকা উত্তোলনের স্বার্থে একাউন্টস অফিসকে ৫% কমিশন দেয়া ছাড়া উপায় থাকেনা,যার ফলে সেসব অফিসের অর্থের পরিমান কমে যায়,এবং যেকাজে বরাদ্দ আসছে সে কাজ পরিপূর্ণভাবে করা সম্ভব হয়না।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
Comments 0
No comments yet. Be the first.