পেনশন সংক্রান্ত কাজ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
MYJ7FUNH
আমাদের অফিস থেকে আমাদের কাছে টাকা চাইলে আমরা জিগ্যেস করি যে কিসের টাকা, অফিসার অফিস সহায়ক এবং বড়বাবু বলে যে AG অফিসে টাকা না দিলে এটা-সেটা তালবাহানা করে চেক আটকে রাখবে। আপনারা টাকা না দিলে আপনারা নিজেরাই গিয়ে চেক পাশ করান, আমরা বারবার গিয়ে দৌড়াতে পারবো না।। নেত্রকোনা এজি অফিসের সবগুলোই চরম দুর্নীতিবাজ!!! প্রথম বেতন করাইতে (৩০০০/- থেকে ৫০০০/-) টাকা দিতে হয়, এলপিসি (রিসিভ-সেন্ট) করাইতে টাকা দিতে হয়, যেকোনো চেক পাশ করাইতে টাকা দিতে হয়, পেনশনের টাকা তুলতে টাকা দিতে হয়!! টাকা না দিলেই দিনের পর দিন ঘুরতে হয়, সবগুলো চুর নেত্রকোনা জেলা একাউন্টস অফিসে বসে আছে।।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।