নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমরা এক শ ১৪৮ জন বন্ধুরা ৩১ বছর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সরকারি চাকরি শেষে পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে, বিমান বাহিনী ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার অফিসে ঘুষ দিতে হয়েছে
পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য ১৫০০০ টাকা দাবি করে, না দিলে ফাইল বা টাকা ব্যাংকে যাবে না বলছে! আমি টাকা দিয়েছি।
সেবাটি ছিল ড্রাইভারদের অধিকাল ভাতার বিল, অফিস হচ্ছে মিরপুর ১৪ লালা সরাই অর্থ নিয়ন্ত্রক অফিস নৌ ২৮ লক্ষ টাকার বিলে লাখপতি ১০০০ টাকা করে দিতে হবে এবং যতটা সেক্টর আছে সব সেক্টর বা শাখা টাকা দিতে হয়, চেক শাখায় প্রতি লাখে ১০০ টাকা করে দিতে হয়। তাছাড়া এমন ভাবে টাকা চায় মনে হয় উনি আমার কাছে পাবে। অথচ ড্রাইভার কি পরিমাণ পরিশ্রম করে।
বিল হাতে পেয়ে বলেছে ১২% এর কম টাকা না হলে এটা পাশ করানযাবে না এখানে ভুল আছে বা সিট রোল আনতে বলে চট্টগ্রাম থেকে সকল কাগজ পত্র ৩ জন সেনা কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকার পরেও অডিটরের নিকটে কোন মূল্যায়ন নেই।
আমার বাবার পেনশন বাবার মৃত্যুর পর মায়ের জন্মনিবন্ধন তথ্য গড়মিল সংশোধন করে পুনরায় এন্ট্রি করতে এই অর্থ দাবি করে।আমি নিরুপায় হয়ে এই অর্থ পরিশোধ করি।
২০১৬ সালে পিতার মৃত্যুর পর পেনশন ভোগ করেন মা। ২০২১ সালে মা মারা যান। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবন্ধী সন্তান পেনশনের দাবীদার। ডিসি অফিস, সিভিল সার্জন, অফিস, পৌরসভায় বহুবার কয়েকমাস দৌড়াদৌড়ি ক কাগজপত্র প্রস্তুত করে আটকা পড়লাম জেলা একাউন্টস অফিসে। আইনের ফ্যাঁকরা দেখিয়ে ফেরত পাঠালো। হবে না। দৌড়ালাম মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক বরাবর। কয়েকমাস পর একই উত্তর না। ২০২৫ সালে জেলা একাউন্টস অফিস থেকে ফোন পেয়ে দৌড়ালাম সেখানে। তারা পেনশন রানিং করে দিবে বিনিময়ে এরিয়ার যা পাওয়া যাবে (৩লক্ষ ২০ হাজার টাকা) ছেড়ে দিতে দাবী। রাজী হলাম না। আবার গেলাম মহা হিসাব নিরীক্ষণ অফিস, ঢাকায়। তারা পরামর্শ দিলা জেলা অফিস যা অফার দিয়েছে তাতেই রাজী হয়ে পেনশন চালুর ব্যবস্থা করেন। একটা পর্যায়ে কোন ভাবেই হচ্ছে না দেখে DAO এর সাথে ফয়সালা করি।
নাম ভুলের কারনে পেনশন বন্দ ছিল।তা চালু করতে ২০০০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমি ডেপটেশন থেকে ফিরে আসার সময় বিএনপিপিএমএস এ বেতনের আপডেট করা লাগে এই সময় আইবাসে আপডেট করার জন্য অতিরিক্ত টাকা প্রত্যেক সদস্যের কাছ থেকে চাওয়া হয় আমি পরিশোধ করিনি এটি এসএফসি নেভি, মিরপুর ১৪ তে
পেনশনভোগী মারা যাওয়ার পরে তার স্বামীর নামে পেনশন নেওয়ার ক্ষেত্রে সকল কাগজপত্র ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিলেও কাজ আটকে রাখে এবং বলে ১০০০০ টাকা লাগবে। পরে দশ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই।
প্রতিবার বিল তুলতে ৫%দিতে হয়
কিছু বকেয়া বিল ছিলো, ঘুষ ছাড়া টাকা উত্তোলন করা যায়নি। শেষমেশ বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। এরকম অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণকারী কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করে। রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট দেখানো ব্যক্তিদের মাধ্যম ছাড়া সবাইকে ঘুষ প্রদান করতে হয়।
যে কোনো বিল পাশ করাতে ২০% টাকা দাবি করে। বিল ১ লক্ষ টাকা হলে ২০,০০০ টাকা তাদের আগেই দিতে হয়। নয়তো বিল পাশ হয় না। ডকুমেন্টস হারিয়ে যায়। পাওয়া যাচ্ছে না। অমুক অফিসে যোগাযোগ করেন। হেনস্তার শেষ নাই।
১)বিসিএস জবে জয়েন করার আগেই আমি এম্ফিল করেছিলাম। এমফিল করলে দুটো ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়।সেই ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার জন্য আমার কোরবানি ঈদের (২০০৫ সালের দিকে সম্ভবত) বোনাস পুরোটা এডি, কলেজ শাখার জন্য ঘুষ হিসেবে পাঠাতে হয়েছিলো। ২) ভালো ভালো করলেগুলুর পোস্টিং হয় ঘুষের উপর। আমি টাকা দিতে পারিনি তাই মেধা তালিকায় একেবারে শুরুতে থাকার পরও আমি অনেক রিমোট কলেজে পোস্টিং পেয়েছি ৩) ২০০৯ এ আমি পিএইচডির জন্য একটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পেয়েছিলাম। সেখান থেকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষে সাতকানিয়া একাউন্টস ডিপার্ট্মেন্টে আমার সম্পুর্ণ ফার্মালিটি শেষ করার পরে আমার কাছে টাকা দাবি করে, কারণ সেই ব্যক্তির দাবি সে অনেক কষ্ট করেছে। অথচ, সে বেতন নিচ্ছেই এই কাজ করার জন্য।
বিষয়: মৃত পিতার চাকরিজনিত পাওনা ও পারিবারিক সুবিধা পেতে ঘুষ দাবি, হয়রানি ও বিলম্বের অভিযোগ। আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন মৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের সন্তান। আমার বাবা একজন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গত ১০ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর চাকরিজনিত বিভিন্ন সরকারি পাওনা ও আমার মায়ের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা চালু করার জন্য আমাদেরকে বিভিন্ন দপ্তরে অফিসিয়াল কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হচ্ছে। এই কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য আমরা ধাপে ধাপে সাপাহার উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস ও শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করে আসছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আমাদের কাছ থেকে বারবার টাকা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে। সাপাহার উপজেলা
আমার শশুর ছিলেন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক ছিলেন। তিনি কর্মরত আবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। জনপ্রশাসন থেকে ৮০০০০০ টাকা এককালীন টাকা দেওয়া হয় কোন কর্মচারী মৃত্যুবরণ করলে। সেখানে আমাকে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। গ্রাচুইটির টাকা পেতে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। সর্বশেষ পেনশনের ১৮ লক্ষ টাকা পেতে প্রতি লাখে এক হাজার ১০০০ মোট ১৮০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
টাকা না দিলে জিফিএফ এর টাকা কর্তন করবে না। সেজন্য দেওয়া হয়েছিল। অফিসেই টাকা নিয়েছিল।
আমার বাবা প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক ছিলেন, মারা যাওয়ার পর আমার মায়ের নামে পেনশন করতে গেছিলাম। আমার মায়ের পেনশন 8000 টাকা, কিন্তু আমাকে ঘুষ দিতে হয়েছিল 10000 টাকা।
আমার ১০ বছর চাকুরিকাল অতিবাহিত হলে প্রথম উচ্চতর গ্রেড মন্জুর হয়৷উক্ত বিল করতে হিসাব রক্ষন অফিসে যাই৷টাকা দিতে অস্বীকার করায় আমাকে তিনমাস ঘুরায়৷পরবর্তিতে টাকা দিলে বিলটি মন্জুর হয়৷
পিআইও অফিস থেকে হিসাবরক্ষক অফিসে কোন স্বাক্ষর নিতে চাইলে টাকা দিতে হয় এক জনকে তিনি সকলের সামনে বলে এই টাকা নেয়
মৌলভীবাজার ডিসি অফিসে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেকটি LAO অফিস থেকে Accounts শাখায় পাঠানো হয়েছিল। Accounts-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ঘুষ না দিলে তিনি চেকটি তাৎক্ষণিকভাবে ইস্যু করতেন না; ঘুষ দিলে একই দিনেই চেক পাওয়া যেত। আমার চেকটিও ইস্যুর জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু আমি প্রথমে কোনো টাকা দিইনি। এর মধ্যে কিছু অসাধু ব্যক্তি অযৌক্তিক আপত্তি তুলে চেকটি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে LAO অফিস কাগজপত্র যাচাই করে চেক ইস্যুর বিষয়টি পরিষ্কার করে দেয়। আরও বিলম্ব বা নতুন কোনো জটিলতার আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে ওই দিনই Accounts-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ৮,০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে চেকটি সংগ্রহ করি।