TADA
To pass my bill. The auditor from FC army pay-1 demanded bribe from me. It is a regular and common issue the concern auditor ask for bribe before passing any kind of bill of army officers.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
To pass my bill. The auditor from FC army pay-1 demanded bribe from me. It is a regular and common issue the concern auditor ask for bribe before passing any kind of bill of army officers.
আমরা নৌবাহিনীর সদস্য ডিপুটেশনে বদলী গেলে ব্যাক্তিগত জিপিএফ ফান্ডের টাকা কাটার পর টিআর কপি দেয়। পুনরায় নৌবাহিনীতে ফেরত আসার পর সেই টিআর কপি আইবাস++ এ আপডেট করতে হয় এসএফসি (জিই নেভী) এর মাধ্যমে। উক্ত কাজের জন্য এসএফসি (নেভী) তে কর্মরত সিভিলিয়ান টাকা চেয়ে ফোন করে। টাকা না দিলে বছরের পর বছর পরে থাকলে আপডেট হয় না এবং বিভিন্ন টিএডিএ ক্লেইম করলেও তারা ফোন করে বিকাশ নম্বর দেয়। টাকা না দিলে অর্থ আটকে দেয়। পেনশনারদেরকে একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। টাকা দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। এই ডুকুমেন্ট নিয়ে আসেন । আপনার ঐ ডুকুমেন্টে সমস্যা। আজকে না সামনে মাসে আসেন। প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।
আমার আম্মুর পেনশনের টাকা প্রতি মাসে ব্যাংকে চলে আসতো আর ওই টাকা আমরা বছরে একবার অথবা দুইবার ব্যাংক থেকে উঠিয়ে নেই l কিন্তু যখন আমরা কিছুদিন আগে ব্যাংকে টাকা নিতে গিয়েছিলাম দেখলাম আম্মুর একাউন্টে কোন টাকা নেই l পরে আমরা জেলা হিসাবরক্ষকের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম এবং এ বিষয় জানতে চাই যে কেন টাকা আমাদের একাউন্টে আসেনি l এবং তারা বলছে দুদিন পর আসুন আমরা দেখব কি প্রবলেম হয়েছে l তারপর আমরা যখন অফিসে উপস্থিত হই দুই দিন পর তখন তারা আমাদের কাছ থেকে 15000 টাকা দাবি করে l তারপর আমরা 12000 টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে বাধ্য হই এবং এর আগেও একবার তারা সেইম সমস্যা ফেলে আমাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিল সেটা অন্য একদিন বলব l
৯ম গ্রেডের Pay fixation এর জন্য ৫০০ টাকা নিছে যত জন জয়েন করছে। এছাড়াও বিভিন্ন বরাদ্ধের টাকা তুলতে নাকি ১০-২০% তাকে দিতে হয়। তার নাম :—, বাংলাদেশের ১ নাম্বার ঘুষখোর এরকম একাউন্টেন্ট দেশের জন্য ক্ষতিকর
ইএলপিসি ইসু্ ও পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্য না না অযুহাত ও পেনশন নীতিমালা তোয়াক্কা না করে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিলে পেনশন পাস করে টাকা না দিলে বাস করে না।
চাকুরীজীবন শেষে লামগ্রা্যান্ট ও গ্র্যাচুয়িটির অর্থ প্রাপ্তি। সরাসরি কর্কর্তা চাওয়া নয়, অডিটরের মাধ্যমে ১৫০০০ টাকা দাবি। আলচনার ভিত্তিতে ১২০০০ নিস্পত্তি।
আমাদের পাঁচ জনের বদলী জনিত কারণে এক স্টেশন হতে অন্য স্টেশনে গমনের প্রাক্কালে ভ্রমণ ভাতা হিসেবে দাবি করা হয় ১,০৩,৩৫৭. ০০ টাকা। নিয়ম মোতাবেক ভ্রমণ বিলটি সঠিক এবং আমরা প্রাপ্য। কিন্তু এই বিলটি পাস করার জন্য এফসি আর্মি পে-২ এর অডিটর আমাদের কাছ থেকে ১৫% হিসেবে ঘুষ দাবি করে। আমরা ঘুষ দেওয়ার পরে কথা প্রকাশ করায় সে আমাদের বিলটি পাশ করছে না। ১৫০০০/- টাকা ঘুষ দিলে বিলটি পাস করবে।
সরকারি চাকররি বেতন চালু করতে চা নাস্তার খরচ বলে ২০০০ টাকা নিয়েছিলো না হয় কাজের অগ্রগতি করবে না বলেছিলো। প্রতি টিএ বিলে ৫% এবং শ্রান্তি বিনোদন ভাতায় ৫% নেওয়া হয়েছে। না হয় বিল আটকিয়ে রেখেছিলো। এসব কাজ এখনো চলমান
সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর প্রথম বেতন তোলার সময় হিসাবরক্ষণ অফিসার চা মিষ্টি খাওয়ার জন্য ২০০০ টাকা চায়। আমি দিতে বাধ্য হই। নাহলে বেতন পেতাম না।
আমি সরকারি চাকরিতে নতুন যোগদান করি। আমার বেতন ভাতা চালু করার জন্য হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (CGA) বা এজি অফিস সরাসরি বেতন চালুর জন্য আমার কাছে টাকা চান এবং বলেন খরচ দেওয়া ছাড়া বেতন চালু হবে না। বাংলাদেশের সকল কর্মচারী বা কর্মকর্তারা এজি অফিস লোকদের মাধ্যমে হয়রানি হয়ে থাকেন।
বিভিন্ন বিল ভাউচার বাবদ কমিশন দাবি করে। তাছাড়া, বদলীজনিত কারণে এলপিসি টাকা না দিলে আটকিয়ে দেয়। অবসরজনিত কারণে ই-এলপিসির জন্য টাকা দাবী করে। মোট কথা, হিসাবরক্ষণ অফিসের যেকোন কাজে তারা বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ দাবি করবেই।
It was the honorium for taking class at Nursing institution (Rangamati Govt Nursing Institute) of Rangamati. The AG office always took 10% of the honorium.
বার্ষিক ট্যাক্স সার্টিফিকেট দিতে ৫০০টাকা চেয়ে নিছে।
হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে কোন সরকারি বিল তুলতে ন্যূনতম ফাইভ পার্সেন্ট ঘুষ তাদেরকে দিতে হয়। এটা সারা দেশের সব হিসাবরক্ষণ অফিসেই হয়।
বিল পাশের জন্য টাকা দাবি করা হয়ে এবং দিতে বাধ্য হই।
নতুন চাকরির পে ফিক্সেশন করতে গেলে আমার কাছ থেকে ১০০০(এক হাজার) টাকা নেয়। আমাকে বলছে এই টাকা ঐ অফিসের সবাইকে দিতে হবে কিছু অংশ।
বেতন নির্ধারণের জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হবে না হলে হবেনা ব্যস্ত আছি। শুধু ঐ হিসাবে রক্ষণ অফিস নয়, রাজশাহী, বগুড়া, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও হিসাব রক্ষণ অফিসে ঘুস দিতে হয়েছে এলপিসি আনার জন্য। প্রতি স্টেশনে ২০০০/২৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
বেতন বিল করতে হলে অবশ্যই টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে বেতন বিল চালু করে না। এক মিনিটের কাজ মাসের পর মাস ঘুরায়।এরকম ভোগান্তির জন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। না হলে বেতন বিল পেতে অনেক বেগ পেতে হয়।
নতুন সরকারি চাকরি হলে বেতন ভাতা চালু করার জন্য পে-ফিক্সেশন করার জন্য সংশ্লিষ্ট হিসাব রক্ষন অফিসে সেবাটি নিতে গিয়েছিলাম। তার অফিসের পিয়ন এর মাধ্যমে অর্থ দাবি করে, দীর্ঘদিন ফাইল পড়ে থাকতে দেখে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়।
Ibass++ account khular por bole eikhane sobai kaj kore tai 1000/- dite hobe. Prothome dei ni, kintu pore amader officer accountant ke bar bar bole and accountant amake bole pay korte Noyto bill hanging kore rakhar possibility ache. Tarpor, dite hoyeche baddho hoye.