০০০৮৭
বাবা মৃত্যুর পরে মায়ের নামে পারিবারিক পেনশন করার সময়
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বাবা মৃত্যুর পরে মায়ের নামে পারিবারিক পেনশন করার সময়
ডিরেক্ট টাকা চায়, নাহলে কাজ করে না
আমি পেনশন আসার সময় আমার কাছে দাবি করেছে। না দিলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তিনগুন টাকা কম দিতো।
বেতন এর মাস খুলতে গেলে টাকা দাবি করে, মাসের পর মাস ঘুরিরে বেতন দেয়। ভুল ভাল রিপোর্ট করে। সঠিক তথ্য দেয় না। AG অফিস গুলো চরম পরিমানে ঘুস খায়৷ এদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস করে না। নাহলে এরা সকলের বেতন আটকে দেবার ক্ষমতা রাখে।
আমার বাবার পেনশন এর টাকা অফিস থেকে ভুল করে বেশি দিয়েছিল সেটা ঠিক সেটা ঠিক করার জন্য ১ লক্ষ টাকা ঘুস দিতে বলছিল
টাকা ছাড়া পে ফিক্সেশন চালু করবে না,তিন মাস ঘুরিয়েছিল। পরে টাকা দিয়েছি
দুনিয়ার সব হিসাবরক্ষণ অফিস সরকারি বিল পাস করতে ৫% (সর্বনিম্ন) -১০% পর্যন্ত ঘুষ নেয়, এলপিসি নিতে টাকা, পে ফিক্সেশন এ টাকা, সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগি যারা পেনশন এর জন্য যায়। ২০০০০-২৫০০০ টাকা নেয়।
সরকারি চাকুরীতে যোগদানের সময়, পে ফিক্সেশন এর সময় আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়, আমি প্রত্যাক্ষান করি, কিন্তু পরবর্তীতে আমাদের অফিসের এক দালাল এর জন্য অন্য কলিগরা রাজি হওয়াতে দিতে বাধ্য হই।।
লাম্পগ্র্যান্ড,জিপিএফ ও আনুতোষিকের টাকা তুলতে মোট ১১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
টাকা পরিশোধ না করায় এরিয়ার বিল দেওয়া হচ্ছিল না।
ঘুষ ছাড়া একাউস্টস অফিস কোনো বিল পাস করে না
প্রথম সরকারী চাকরীতে এজি অফিসে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো। ঘুষ না দিলে তারা ফাইল মাসের পর মাস ফেলে রাখে। ফলে বেতন হয় না। এজি অফিস খুবই আউট অফ কন্ট্রোল কারন এখানে যায় সরকারী চাকরীজীবীরাই। এজন্য তারা চাইতে সাহস পায় কারন সরকারী চাকরীজীবীরা আর কি করবে!
কী আর বলব? পে ফিক্সেশন বাবদ যেখানে ঘুষ দিতে হয়।
বকেয়া বিল উত্তোলন করতে মোট টাকার ২৫% দাবি করেছেন অবশেষে ১০% টাকা দিয়ে বিলটি করিয়ে এনেছিলাম। এটার আগের বকেয়া বিল উত্তোলন করার সময় একই ধরনের দাবি করেছেন অবশেষে দাবি মানতে বাধ্য হয়েছিলাম। তিন থেকে চার মাস ফাইল আটকে রেখেছিলো।
50 থেকে ৫০০ যাই দিবেন তাই নিবে নেওয়া শেষ হলে কাজ
সরকারি কাজে যাতায়াত বাবদ টিএ/ডিএ বিল দাবী করা হয়েছিল। তারা নাকি সব বিলের উপর ১৭%, ২০% এবং ২৫% হিসেবে নিয়ে থাকেন। এটা চলমান প্রক্রিয়া।
Bill paser. Kjonno 20% ghus
Tk na dile kaj hobe na
কোরবানি ঈদের আগে আমার বদলি হয়েছে আজমেরীগঞ্জে উপজেলা থেকে লাখাই উপজেলায়, এখন যেটা হয়েছে একাউন্টস অফিসার বা একাউন্টস অফিস এল পিসি স্থানান্তরের জন্য আমি যোগাযোগ করলে আমাকে বলে আপনি ১৭ হাজার টাকা বেতন পান আমরা দশ হাজার টাকা দিয়ে দিই ৭০০০ টাকা আপনি আমাদেরকে দিবেন তারপর আমি যখন দিতে রাজি হই নাই আমাকে বলল আজমিরগঞ্জ তো হাওর এলাকা এখানে হাওর ভাতা পেতাম আর লাখাই উপজেলা হাওর এলাকা না, এ ভাতা না দেওয়ার জন্য ভয়-ভীতি দেখায় তখন বলে লাখাই হাওর এলাকা কি না সে পরিদর্শ করবে এবং আমাকে দিয়ে বাইক(মোটরসাইকেল) ভাড়া করিয়ে সে এলাকায় ঘুরে দেখো এবং বাইকের ভাড়া পরিশোধ করি এবং উল্লখিত ঘুষ না দেয়ার কারণে আমাকে হয়রানি করে এবং আমি বেতন বোনাস ছাড়া ঈদ পালন করি
কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা তে বৃহৎ করদাতা ইউনিটে বদলীর পর LPC প্রেরণ না করে পাঁচ মাস বেতন বন্ধ রেখেছিল। নতুন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ২০০০ ও পুরাতন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ৩০০০ পরিশোধ করার পরও এল পি সি নিয়ে টালবাহানা করছিল। শেষমেষ টাকা পরিশোধে বাধ্য হয়ে বেতন সচল করি। এই পাচ মাস নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণায় পড়েছিলাম। নতুন সরকার এল পি সি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে অন্য কর্মচারীদের ও ঘুষ নিতে উতসাহিত করবে আশা করছি। কারণ অনেক কর্মচারী মনে করে সে ঘুষ দিতে বাধ্য হলে সে খাবেনা কেন?! এজি অফিস এসবের হাতেখড়ি দেই।