মৃত বাবার পেনশন মায়ের নামে আনা
পেনশনের সব কাগজপত্র রেডি ছিল, তারপরও তার অডিট সামলানোর খরচ হিসাবে দাবী ছিল টাকা, না হলে বেতন চালু হবে না।
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পেনশনের সব কাগজপত্র রেডি ছিল, তারপরও তার অডিট সামলানোর খরচ হিসাবে দাবী ছিল টাকা, না হলে বেতন চালু হবে না।
I went to receive a chaque for bill, They have a fix rate .8% of total Amount.
বিসিএস ক্যাডার হওয়ার পর বেতন হচ্ছিল না।কাগজ পত্রে গরিমসি এবং ঘোরানো এবং হয়রানি করা কিছু পাওয়ার আশায়
একই প্রকার দাবী অন্য উপজেলা ছাড় করলেও আমাদের দাবী পেন্ডিং রেখেছে।
My father die in 2024. And we got my father pension to my mother name in 2026. We make our all papers works. Then we go to the Rajshahi account office and submit our paper. And officer chake our paper . Than that officer call me out and he said to me if i give him 50000 thousand . But I give him 40000 thousand .
সেবা নেয়ার সময় কোনো চাপ ছিলো না। দু'জন অফিসার বসে ছিল, তারা অযথা সময়ক্ষেপন করছিলো, তারা এক পর্যায়ে আমার সাথে বাংলাদেশের প্রচলিত ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে। প্রায় ২ ঘন্টা পরে আমাকে মেইল করে ডকুমেন্ট দেয়। এর পর টাকা দাবী করে। এক পর্যায়ে আমি দিতে বাধ্য হই। এবং অবাক হলাম কারন তারা আমার সাথে ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে টাকা চাইলো।
somobay er upazila er head amar kache ghus cheyecilo ami dei nai ami jante pari ase pase onno je somobay songstha ache sekhan theke o ghus niyevhe uni . r ei ghuser taka diye dhakay duita flat korece .
আব্বা মারা যাওয়ার পর মায়ের নামে পেনশন করাতে গিয়ে চা-নাস্তার খরচ হিসেবে ১০হাজার টাকা দেয়া লাগে।
আইবাস একাউন্ট খোলা, টিএ ডিএ বিল করা, অন্যান্য আর্থিক সেবা। সব ক্ষেত্রেই ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে না। না দিলে কাজ আটকে যায়।
সরকারি অফিসের প্রয়োজনীয় খরচের বিল একাউন্টস অফিসে সাবমিট করলে অডিটর ৫% হারে ঘুষ না দিলে বিল এর কাজ করেনা। বাধ্য হয়ে দিয়ে কাজ করতে হয়।
সময় পুর্তির কয়েক দিন আগে নিয়েছিলাম তাই দাবি করেছিলো
বকেয়া বেতন উত্তোলন করতে টাকা চাওয়া।
আইবাসে বদলি ভাতা বিল সাবমিট করেছিলাম কিন্তু অডিটর সাহেব অ্যাপ্রুভ করছিল না। প্রায় ১ মাস অপেক্ষা করার পর আমার অফিসের অফিস সহকারীকে ওনার সাথে কথা বলতে বললাম। কথা বলার পর জানতে পারলাম তিনি ১০০০ টাকা দাবি করেছেন। তা না হলে বিল অ্যাপ্রুভ করবেন না। অতঃপর অডিটর সাহেবের দাবি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করার পর বদলি ভাতা বিল পেয়েছি।
এসএফসি (পূর্ত),ঢাকা সেনানিবাসে লজিস্টিক এরিয়া সদর দপ্তরের লাগোয়া ভবন।সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা এখান থেকে অডিট নিষ্পত্তি করে পরিশোধ করে।সরকারি কর্মচারীদের বেতন ব্যতীত যাবতীয় বিলের মোট টাকার ২৩% পর্যন্ত তাদেরকে অগ্রীম ঘুষ দিতে হয়।তারপরও ভালো আচরণ করে না।
সরকারি কর্মচারীদের টিএডিএ বিলের মোট টাকার ২২% অগ্রীম দিতে হয়।আগে টাকা নেয় তারপর বিল অনুমোদন করে।সেবা গ্রহণের জন্য এসএফসি(পূর্ত)অফিস, ঢাকা সেনানিবাসে, লজিস্টিক এরিয়া সদর অফিসের পার্শ্ব লাগোয়া ভবন।বেতন বিল শাখা।৪ তলায় গেলে ছালাম দিলে তাঁরা ছালাম নেয় না।অফিসের ঝাড়ুদার — ও অন্যান্য চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বিলাসবহুল গাড়ি চালায়।অন্যান্য কর্মচারীদের জীবন যাপন খুবই উচ্চ বিলাশী।ডেসপাসে বিল নথিভুক্ত করে রিসিভ করতে প্রতিটি কাগজ প্রতি ২০০ টাকা নেয় এবং ডাকযোগে পৌঁছলে টাকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত বিল রেকর্ড এবং রিসিভ না করে ফেলে রাখে এবং এভাবে কয়েকদিন পর বিল হারায় আবার তাদেরকে বেশি টাকা জরিমানা সহ দিলে সেই বিল খুজে পায়।
আমি ৬ লক্ষ টাকা জিপিএফ লোন পাশ করতে গিয়েছিলাম, অডিটর সাহেব পার্সেন্টেজের হিসেবে প্রথমে ২% হারে টাকা দাবি করেছিল তারপর ওয়ান পারসেন্ট হারে ।অবশেষে ২০০০ টাকার কম উনি ছাড়বে না আমি দিয়েছি ৭০০ টাকা তারপর আমি আমার অফিসের প্রধান সহকারী কে জানিয়েছি সে ধামকি দিয়ে 700 টাকায় কাজটি করে নিয়ে এসেছে।
আমার বাবা পাবলিক হেলথে চাকুরী করতো।বাবা চাকুরী অবস্থায়ই মারা যায়।বাবা চাকুরী করতো সিলেট হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলায়। তো এই পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে সীমাহীন হয়রানির মুখোমুখি হইছি।সিলেট বিভাগের পাবলিক হেলথ অফিসে আমরা ছয়-সাত বার চার ভাইবোন ও আমার মা গিয়েছি। টাকা দেড় লাখ আগেই দিয়ে দিছি তাও কাগজ পত্র ওকে করে নাই।একটা মহিলা অফিসার ছিলো আল্লাহ ওনাকে হেদায়েত করুক।ওনার মত জঘন্য মানুষ আমি দেখি নাই। টাকা দেড় লাখ দিছি এবং কুমিল্লা থেকে ছয় সাত বার সিলেট গিয়েছি আমাদের পুরো পরিবার।এভাবেও আমরা ভালো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।যখনই সিলেট গিয়েছি ১৫থেকে ১৬হাজার টাকা খরচ হয়ে যেত।
আমি বাংলাদেশ টেলিভিশনের একজন সহকারী হিসাবরক্ষক। আমাদের ১ম বেতন নির্ধারনী পাস করাতে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে সিএএফও তথ্য এর অডিটর দাবি করে। অনেক অনুরোধের পর জনপ্রতি ১৫০০ টাকা দিয়ে তা পাস করাই। তারা পদোন্নতি জনিত/ উচ্চতর গ্রেডের বেতন নির্ধারনী পাস করে সমপরিমাণ টাকা আদায় করে। কর্মচারীদের জিপিএফ এর অর্থ উত্তোলনে কমপক্ষে ২০০০-৫০০০ টাকা করে অর্থ আদায় করে। সকল ধরণের বিল পাস করতে অডিটর ও অডিট সুপারিন্টেনডেন্ট গং ১% কমিশন আদায় করে। তারা তাচ্ছিল্য করে বলে দোকান একটাই! বিল পাস করতে কমিশন দিতেই হবে।
এলপিআর এর টাকার জন্য অডিটর কতৃক চাহিদা।
সরকারি চাকরিতে তিন বছর পুর্তিতে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পাওয়ার আবেদন করি। কিন্তু টাকা না দেওয়ায় একাউন্টস অফিস সেটা এপ্রুভ করেনি। পরে যখন টাকা পায় তখন এপ্রুভ করে।