17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বলেছিল আপনাদের বকেয়া বিল করতে হলে ৫% দেওয়া লাগবে। না দিলে বিভিন্ন হয়্রানি করবে এবং পরবর্তীতে অনেক জামেলা করবে।
আমি প্রথমে দিতে চাইনি যার জন্য আমাকে ৩ মাস ঘুরতে হয়েছে এর পরে সে মুখ ফুটে বলে ফেলল টাকার কথা। আমি আর ২ বার চিন্তা করি কারণ ৩ মাস আমকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল তাই।
বিএড ডিগ্রি করার পর ও সাথে মাস্টার্সে ১ম শ্রেণি থাকায় তিনটি ইনক্রিমেন্ট লাভ করেছি। এটির বিল করার পর ২০১৫ সালে আমি বকেয়াসহ প্রায় ৪৫০০০/- টাকা পাই। আর সেটার বিল সাবমিট করার পর অডিটর প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন ঘুরিয়েছে। তারপর বলে ৩০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হবে। তারপর কষ্ট করে দেওয়ার পর দেখি বিকেলে আমার অ্যাকাউন্টে ৪৫০০০/- জমা হয়েছে। তাছাড়া তিন বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতার বিল জমা দিলে সাথে ৫০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়, না বিল নিয়ে ঘুরাতে থাকে। এ যাবত ৫বার শ্রান্তিবিনোদন ভাতা উত্তোলন করেছি। শুধু ১বার ঘুষ দিতে হয়নি, বাকি চারবার দিতে হয়েছে ৫০০/- করে মোট ২০০০/-
আমাদের প্রতিষ্ঠানের সকলের টিএ/ডিএ বিল করতে ৫% এজি অফিস প্রদান করতে হয়।সরকারের পে স্কেল দেওয়ার সাথে সাথে এদের বিরুদ্ধে ০% ট্রলারেন্স ঘুষ নীতি অনুসরণ করা।
পেনশনের এককালীন টাকা উত্তোলন ও মাসিক ভাতা চালুকরণ এর জন্য ১০০০০/- টাকা দাবী করেন হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর, আমি শুরুতে নাকচ করে দেই, পরবর্তীতে তাদের সাথে নেগশিয়েশনে যাই ৫০০০/ টাকার বিনিময়ে এছাড়াও পেনশনারের নিজ অফিস ছিল প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলায় খরচ না হলেও জেলা শিক্ষা অফিস, বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে লাম্প গ্রান্ট, জিপিএফ মঞ্জুর করতেও টাকা ঢালতে হয়েছে।
আমাদের আউটসোর্সিং এর মাসিক বেতন বিল ছাড়ার প্রতি মাসে হিসাব রক্ষণ অফিস বা সংক্ষেপে এজি অফিস এ দিতে হয় না দিলে বেতনের বিল দিবে না তারা এর বাহিরে সরকার বেতন ঠিকই দিচ্ছে ৩ মাস পর পর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে টাকা ছাড় করা যা খুবই বিরক্তিকর একটা বিষয়
সরকারি প্রজ্ঞা্পন অনুযায়ী আমি প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে যুক্ত হওয়া একজন কর্মকর্তা ছিলঅম। বার বার বিভিন্ন কাগজপত্র দেয়া সত্ত্বেও আরো নতুন নতুন তথ্যের জন্য হয়রানি করছিল, পেনশনের চূড়ান্ত ফাইলটি নথিভূক্ত করছিল না বা উর্ধতনের নিকট পৌছানো হচ্ছিল না। বাধ্য হই প্রায় চার মাস পর টাকা দিতে। এবং চার দিনের মধ্যে সকল কাজ সমাধা হয়!!!! এটাই কি ঘুষ বা স্পিড মানি ? এখানে একটি কথা উল্লেখ করতে চাই, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হলেও কেন জানি িএই হিসাব রক্ষক অফিসকে রেহাই দিয়ে রিপোর্ট করা হয়!!!
প্রতিটি বিলের ৫% হারে যেমন কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভ্রমন বিল, অফিস আনুষাঙ্গিক, বিভিন্ন মেরামত বিল ইত্যাদি। ৫% না দিলে বিল আটকিয়ে দেয়। বাধ্য হয়ে ৫% হার দিতে হয়েছে।
অগ্রীম বর্ধিত বেতন করার সময় টাকা না দিলে কাজ করে না।
আমি জি পিএফ ফান্ড ওপেন করে অনুমোদনের জন্য যাই।তারা বলে কিছু কাজ আছে সেগুলোর জন্য টাকা লাগবে।কয় টাকা জিজ্ঞেস করলে ৫০০ বলে।আমি দিই।
সেনাবাহিনীর অধীন ঠিকাদারি কাজ পরিচালনা করার সময় বিল উত্তোলনের জন্য প্রতিটি বিলের অধিনে ১% করে ঘুষ দিতে হয়েছে এটা আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২.৫% হয়েছে।
টিএ ডিএ বিলের টাকা খেয়েছে। তাদের ৫% না দিলে ফাইল নড়ে না।
বেতন চালু করতে ১৫০০ টাকা দিতে হয়েছিলো যেটি তাদের নৈমিত্তিক কাজের মধ্যেই পড়ে৷ টিএডিএ বিল করতে একবার ১৫০০ দিয়েছি আরেকবার ২০০০ দাবি করেছে৷ এটি না দিলে বিল ছাড়বে না৷ আমার কথা হচ্ছে,আমার বিল যদি সঠিক না হয় তাহলে তারা ডাকুক আমাকে সংশোধনের জন্য৷ ঘুষ কেন চাইবে
আমি ও আমার ৪ কলিগ বকেয়া বেতন এরিয়ার হিসেবে পেয়েছিলাম। টাকা ছাড় করতে আমাদের ১০০০০০ টাকা দিতে হয়েছে।টাকা না দেয়া পর্যন্ত বিভিন্ন হয়রানি করেছে।
LPR এর বিল ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে পাওয়ার কথা থাকলেও আজ ছয় মাস চলছে এখনো বিলটি পাইনি কারণ আমি তাদের চাহিদা কৃত অর্থ অর্থাৎ ঘোষ আজও পরিশোধ না করায় আমার বিলটি তারা পেন্ডিং রেখেছে
বেতন-ভাতা বিল ফিক্সেশন ও যাতায়াত ভাতা বের করে দিবে বলে ১০০০ টাকা মিডিয়াকে দিয়েছি।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর পেনশনের টাকা মায়ের নামে ট্রান্সফার করার জন্য প্রায় ৬–৮ মাস বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করেও কাজটি সম্পন্ন করতে পারিনি। পরে নওগাঁর একজন স্থানীয় পরিচিত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে SP অফিসের পেনশন সংক্রান্ত কাজ যিনি দেখেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলি এবং পেনশনটি মায়ের নামে ট্রান্সফার করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। তিনি কাজটি করে দেওয়ার কথা বললেও পরবর্তীতে এ কাজের জন্য তিনি আর কোনো টাকা নেননি। তবে ট্রেজারি অফিসে ফাইল ছাড়ানোর জন্য প্রায় ২–৩ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল। এছাড়া পেনশন বই তোলার সময় আরও প্রায় ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল বলে মনে আছে।
Amar babar pensionr tk tulte. 1year ghuralo,tarpor ghush deate file approve holo
বেতনের কাজ করার জন্য। আমার নতুন চাকরি বেতন কাঠামো নির্ধারন করানোর জন্য ২ মাস ঘুরাইছে। পরে ৫০০।দিলাম
শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা উত্তোলন এর জন্য অফিসে গিয়ে সারাদিন ঘুরাঘুরি করেছি। দায়িত্বরত অফিসার বলে, বড় স্যার ছুটিতে আছেন, আজকে হবে না, ৭দিন পর আসেন, এখন এপ্লিকেশন করে যান, এরপর স্যার আসলে ফরোয়ার্ড করে দিব, ভাতা পেতে আরও প্রায় ২/৩ মাস লেগে যাবে। সারাদিন ঘুরাঘুরি করে অবশেষে যখন ক্লান্ত, তখন একজন বলল এসব কাজ এত সহজে হয় না, ৫০০০টাকা দেন দেখি কিছু করা যায় কিনা। তখন নিরুপায় হয়ে পকেটে ৩০০০ ছিল, সেটা দিয়ে দেই। যে কাজ সারাদিন ঘুরেও হচ্ছিল না, সে কাজ টাকা দেয়ার পর ৫ মিনিটের মধ্যে হয়ে গেল। ২দিনের মধ্যে ভাতাও পেয়ে গেলাম। দিজ ওয়াজ ম্যাজিক। সরকারী কর্মকর্তাদের যদি ঘুষ দিয়েই টাকা উদ্ধার করতে হয়, তাহলে সরকার কেন তাদের বেতন দিচ্ছে???