নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা ছাড়া বিলই পাশ করেনি
আমি রাউজানে একটা অফিসে সরকারি অফিসার৷ সরকারি ট্রেনিং এ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়৷ এই সব ট্রেনিং এ কিছু গাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতা দেওয়া হয়। এসব ভাতা অনলাইনে আইবাসে আবেদন করতে হয়, বিলটা পাশ হলে তারপর এই ভাতা পাওয়া যায়। কিন্তু হিসাবরক্ষণ অফিস ঘুষ না দিলে এই বিল পাশ করে না। প্রত্যেক বিলের জন্য কমপক্ষে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। বিলের টাকা হিসাব করে এই ঘুষের পরিমাণ নির্ধারণ করে তাড়া। না দিলে মাসের পর মাস এই বিল আটকিয়ে রাখবে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়। এদের সাথে আমাদের অফিসের একাউন্টস শাখার লোকও জড়িত। খবর নেওয়া দেখা গেছে, সম্পূর্ণ রাউজানে এভাবে করে হিসাবরক্ষন অফিস।
আমি রাউজানে একটা সরকারি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে চাকরি করি। চাকরিতে প্রথম পে ফিক্সেশন করার সময়, হিসাব রক্ষন অফিস ফিক্সেশন না করে ফাইল আটকিয়ে রাখে। পে ফিক্সেশন করা এটা একটি বিনা ফি তে করা সরকারি কাজ। কিন্তু আমরা যারা জয়েন করেছি সবার থেকে ২০০০ টাকা করে ঘুষ নিয়েছে এই কাজের জন্য। আমাদের অফিসে এই যাবত যারাই জয়েন করেছে সবার কাছ থেকে এভাবে ঘুস নিয়েছে। আমরা আরো খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, শুধু আমাদের অফিস না, সম্পূর্ন রাউজানে যারাই সরকারি চাকরিতে জয়েন করেন, সবার কাছ থেকে হিসাব রক্ষন অফিস পে ফিক্সেশনের জন্য ঘুষ নেই।
জিপিএফ, ছুটির ও পেনশনের হিসাব সম্পন্ন করা।
পেনশনার ভাতা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। লাইভ ভেরিফিকেশন করতে।
পেনশনের হিসাব সম্পন্ন করার জন্য উক্ত টাকা দেয়া হয়েছে।
প্রথম যখন চাকুরিতে যোগদান করি তখন সর্ভিস বুকের বিভিন্ন কাজের জন্য ১০০০ টাকা দেওয়া লাগছে। যে কোন টিএডিএ বিলের জন্য ৫-৭% টাকা পরিশোধ করতে হয় তা না হলে বিল অন্য ধাপে যায় না। উচ্চতর গ্রেড/ বিভিন্ন ফিক্সেশন করার জন্য নগত ১০০০০ টাকার মতো দাবী করা হয়।
সরকারি ঠিকাদারি কাজের বিল উত্তোলনের জন্য
যশোর হিসাবরক্ষণ অফিসে, সরকারি চাকরিজীবিদের বেতন চালু করার কাজ সম্পাদন করে। আমি একজন বিসিএস ক্যাডার হওয়া সত্ত্বেও ২০০০ টাকা ঘুষ বা উপরির বিনিময়ে বেতন চালু করেছি। ঘুষ না দিলে বিভিন্ন বাহানা দেখায়, কাজের চাপ দেখায়, ভুল ধরে, নিয়ম বহির্ভূত ডকুমেন্ট চায়।
আমার আব্বুর রিটায়ারের, জন্য, office থেকে কাগজ পাশ করানোর জন্য চেয়েছে।
প্রথমে বলি। যেকোন বিল, পেশশন হলে তো কাথায় নাই। এখানের সকল অডিটর, সুপার, হিসাব রক্ষণ অফিসার সকলেই দূর্নীতিবাজ। কন্টিজেন্সি বিলের উপর ৫% দাবি থাকে। সেটা ৪% তো দেয়ায় লাগে নাহলে বিল পাশ হয়না। প্রেনশনারদের নানান ধরনের হয়রানি করা হয়। টাকা ছাড়া পেনশন পাশ হয়না। সেটা কয়েক হাজার টাকা দেয়া লাগে। —, এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট, —, এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট মেহেরপুর হিসাব রক্ষণ অফিস। এরা দীর্ঘদিন এখানে চাকরি করে যাচ্ছে। কোন বদলি নাই। — ১১ টার আগে তো অফিসে ই আসেনা। এলপিসি তে ও টাকা। মোট কথা টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না। এই একমাত্র অফিস যারা সরকারি চাকরিজিবীদের থেকে ঘুষ খায়। সারা দেশে একই অবস্থা। সবাই তাদের কাছে জিম্বি। এর সুরহা হওয়া প্রয়োজন
চাকরির প্রথম বেতন তুলতে ঘুস ছারা ফাইলে হাত দেই না উনারা। একসাথে চাকরি হওয়া আমরা ২০২৩ সালের সহকারী শিক্ষক বেতন বাতার জন্য আবেদন করেছিলাম । সকল ডকুমেন্টস যাচাই করে জমাও দিয়েছিলাম। তারপরও দিনের পর দিন ঘুরতে হয়ে উনাদের পিছনে। কাজ করতে চাপ সৃষ্টি করার পর ফাইলে হাত দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে ভুল ধরার চেষ্টা করেছে। কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও গ্রহণ করতে অপারগতা দেখিয়েছে। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে দিয়ে টাকা চাওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে নাকি এগুলো এভাবেই পরে থাকবে। ৩ মাসে বেতন আটকে ছিলো আমরা পরে দিতে বাধ্য হয়।
সরকারি চাকরির যোগদানের পর বেতন হিসাব খুলতে টাকা দিতে হয়েছে। না দিলে অনেক দিন ঘুরায়।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ধামইরহাট, নওগাঁয় আমরা ১৫ জনের মতো ক্যাডার অফিসার জয়েন করি। পে ফিক্সেশন নিজেরাই করি। কিন্তু প্রথম বেতন প্রাপ্তির আগে একাউন্ট অফিসে সবার কাছে থেকে ১০০০টাকা করে নিয়েছে। সেটা ছিল চাকরিজীবনের প্রথম ঘুষ প্রদান।
যে, সরকারি চাকরিজীবীদের LPC রিসিভ ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রতি LPC-এর জন্য ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা অননুমোদিতভাবে দাবি/গ্রহণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে যোগদান সম্পন্ন করে বেতন আইবাসে (সরকারি চাকুরেদের বেতন দেওয়ার সফটওয়্যার) যুক্ত করাতে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল। ঘুষের অর্থ শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল।
বিসিএস ননক্যাডার টেকনিক্যাল নবম গ্রেডে যোগদানের সময় দুইটি অগ্রিম বেতন বৃদ্ধির জন্য ২০০০০( বিশ হাজার) টাকা চায়। টাকা পরিশোধের পর দুইটি ইনক্রিমেন্ট পায়।
আমার আম্মুর পেনশনের টাকা প্রতি মাসে ব্যাংকে চলে আসতো আর ওই টাকা আমরা বছরে একবার অথবা দুইবার ব্যাংক থেকে উঠিয়ে নেই l কিন্তু যখন আমরা কিছুদিন আগে ব্যাংকে টাকা নিতে গিয়েছিলাম দেখলাম আম্মুর একাউন্টে কোন টাকা নেই l পরে আমরা জেলা হিসাবরক্ষকের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম এবং এ বিষয় জানতে চাই যে কেন টাকা আমাদের একাউন্টে আসেনি l এবং তারা বলছে দুদিন পর আসুন আমরা দেখব কি প্রবলেম হয়েছে l তারপর আমরা যখন অফিসে উপস্থিত হই দুই দিন পর তখন তারা আমাদের কাছ থেকে 15000 টাকা দাবি করে l তারপর আমরা 12000 টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে বাধ্য হই এবং এর আগেও একবার তারা সেইম সমস্যা ফেলে আমাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিল সেটা অন্য একদিন বলব l
আমরা নৌবাহিনীর সদস্য ডিপুটেশনে বদলী গেলে ব্যাক্তিগত জিপিএফ ফান্ডের টাকা কাটার পর টিআর কপি দেয়। পুনরায় নৌবাহিনীতে ফেরত আসার পর সেই টিআর কপি আইবাস++ এ আপডেট করতে হয় এসএফসি (জিই নেভী) এর মাধ্যমে। উক্ত কাজের জন্য এসএফসি (নেভী) তে কর্মরত সিভিলিয়ান টাকা চেয়ে ফোন করে। টাকা না দিলে বছরের পর বছর পরে থাকলে আপডেট হয় না এবং বিভিন্ন টিএডিএ ক্লেইম করলেও তারা ফোন করে বিকাশ নম্বর দেয়। টাকা না দিলে অর্থ আটকে দেয়। পেনশনারদেরকে একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। টাকা দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। এই ডুকুমেন্ট নিয়ে আসেন । আপনার ঐ ডুকুমেন্টে সমস্যা। আজকে না সামনে মাসে আসেন। প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।
আমার জিপিএফ ফান্ড অনলাইন করার জন্য SFC Air, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট অফিসে গেলে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়, পরে আরেকজন সাহায্য নিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে অনলাইন করা হয়।