নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পেনশনের হিসাব সম্পন্ন করার জন্য উক্ত টাকা দেয়া হয়েছে।
পে ফিক্সেশন করার সময় টাকা দাবী করেছিল। সরকারি চাকরিতে প্রথম বেতন চালু করতে এই টাকাটা আমরা ৩ জন দিতে বাদ্য হয়েছিলাম।
প্রথম যখন চাকুরিতে যোগদান করি তখন সর্ভিস বুকের বিভিন্ন কাজের জন্য ১০০০ টাকা দেওয়া লাগছে। যে কোন টিএডিএ বিলের জন্য ৫-৭% টাকা পরিশোধ করতে হয় তা না হলে বিল অন্য ধাপে যায় না। উচ্চতর গ্রেড/ বিভিন্ন ফিক্সেশন করার জন্য নগত ১০০০০ টাকার মতো দাবী করা হয়।
বদলি হওয়ার কারণে lpc নেয়ার জন্ন্য
দীর্ঘদিন সরকারি চাকরি করার সুবাদে আমি একদম নিশ্চিত যে, সব উপজেলার চিত্র একই। উপজেলার হিসাব রক্ষণ অফিসগুলো একটা অলিখিত সংবিধান করে রেখেছে যে, অন্যান্য সরকারি অফিসগুলোর বিল পাশ করার জন্য ৫% হারে তাদেরকে কমিশন প্রদান করতে হবে।
পে ফিক্সেশন বাতিল করতে গিয়ে ২ অফিসে ১০০০ ও ১৩০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
টাকা ছাড়া বিলই পাশ করেনি
যে, সরকারি চাকরিজীবীদের LPC রিসিভ ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রতি LPC-এর জন্য ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা অননুমোদিতভাবে দাবি/গ্রহণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে যোগদান সম্পন্ন করে বেতন আইবাসে (সরকারি চাকুরেদের বেতন দেওয়ার সফটওয়্যার) যুক্ত করাতে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল। ঘুষের অর্থ শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল।
বিসিএস ননক্যাডার টেকনিক্যাল নবম গ্রেডে যোগদানের সময় দুইটি অগ্রিম বেতন বৃদ্ধির জন্য ২০০০০( বিশ হাজার) টাকা চায়। টাকা পরিশোধের পর দুইটি ইনক্রিমেন্ট পায়।
প্রথমে বলি। যেকোন বিল, পেশশন হলে তো কাথায় নাই। এখানের সকল অডিটর, সুপার, হিসাব রক্ষণ অফিসার সকলেই দূর্নীতিবাজ। কন্টিজেন্সি বিলের উপর ৫% দাবি থাকে। সেটা ৪% তো দেয়ায় লাগে নাহলে বিল পাশ হয়না। প্রেনশনারদের নানান ধরনের হয়রানি করা হয়। টাকা ছাড়া পেনশন পাশ হয়না। সেটা কয়েক হাজার টাকা দেয়া লাগে। —, এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট, —, এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট মেহেরপুর হিসাব রক্ষণ অফিস। এরা দীর্ঘদিন এখানে চাকরি করে যাচ্ছে। কোন বদলি নাই। — ১১ টার আগে তো অফিসে ই আসেনা। এলপিসি তে ও টাকা। মোট কথা টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না। এই একমাত্র অফিস যারা সরকারি চাকরিজিবীদের থেকে ঘুষ খায়। সারা দেশে একই অবস্থা। সবাই তাদের কাছে জিম্বি। এর সুরহা হওয়া প্রয়োজন
সরকারি চাকরির যোগদানের পর বেতন হিসাব খুলতে টাকা দিতে হয়েছে। না দিলে অনেক দিন ঘুরায়।
চাকরির প্রথম বেতন তুলতে ঘুস ছারা ফাইলে হাত দেই না উনারা। একসাথে চাকরি হওয়া আমরা ২০২৩ সালের সহকারী শিক্ষক বেতন বাতার জন্য আবেদন করেছিলাম । সকল ডকুমেন্টস যাচাই করে জমাও দিয়েছিলাম। তারপরও দিনের পর দিন ঘুরতে হয়ে উনাদের পিছনে। কাজ করতে চাপ সৃষ্টি করার পর ফাইলে হাত দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে ভুল ধরার চেষ্টা করেছে। কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও গ্রহণ করতে অপারগতা দেখিয়েছে। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে দিয়ে টাকা চাওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে নাকি এগুলো এভাবেই পরে থাকবে। ৩ মাসে বেতন আটকে ছিলো আমরা পরে দিতে বাধ্য হয়।
আমার আব্বুর রিটায়ারের, জন্য, office থেকে কাগজ পাশ করানোর জন্য চেয়েছে।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ধামইরহাট, নওগাঁয় আমরা ১৫ জনের মতো ক্যাডার অফিসার জয়েন করি। পে ফিক্সেশন নিজেরাই করি। কিন্তু প্রথম বেতন প্রাপ্তির আগে একাউন্ট অফিসে সবার কাছে থেকে ১০০০টাকা করে নিয়েছে। সেটা ছিল চাকরিজীবনের প্রথম ঘুষ প্রদান।
সরকারি ঠিকাদারি কাজের বিল উত্তোলনের জন্য
যশোর হিসাবরক্ষণ অফিসে, সরকারি চাকরিজীবিদের বেতন চালু করার কাজ সম্পাদন করে। আমি একজন বিসিএস ক্যাডার হওয়া সত্ত্বেও ২০০০ টাকা ঘুষ বা উপরির বিনিময়ে বেতন চালু করেছি। ঘুষ না দিলে বিভিন্ন বাহানা দেখায়, কাজের চাপ দেখায়, ভুল ধরে, নিয়ম বহির্ভূত ডকুমেন্ট চায়।
To pass my bill. The auditor from FC army pay-1 demanded bribe from me. It is a regular and common issue the concern auditor ask for bribe before passing any kind of bill of army officers.
আমার অফিসের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, বিল পাশ করতে খরচ হবে।
আমরা নৌবাহিনীর সদস্য ডিপুটেশনে বদলী গেলে ব্যাক্তিগত জিপিএফ ফান্ডের টাকা কাটার পর টিআর কপি দেয়। পুনরায় নৌবাহিনীতে ফেরত আসার পর সেই টিআর কপি আইবাস++ এ আপডেট করতে হয় এসএফসি (জিই নেভী) এর মাধ্যমে। উক্ত কাজের জন্য এসএফসি (নেভী) তে কর্মরত সিভিলিয়ান টাকা চেয়ে ফোন করে। টাকা না দিলে বছরের পর বছর পরে থাকলে আপডেট হয় না এবং বিভিন্ন টিএডিএ ক্লেইম করলেও তারা ফোন করে বিকাশ নম্বর দেয়। টাকা না দিলে অর্থ আটকে দেয়। পেনশনারদেরকে একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। টাকা দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। এই ডুকুমেন্ট নিয়ে আসেন । আপনার ঐ ডুকুমেন্টে সমস্যা। আজকে না সামনে মাসে আসেন। প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।