শ্রান্তি বিনোদন ভাতা
সরকারি চাকরিতে তিন বছর পুর্তিতে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পাওয়ার আবেদন করি। কিন্তু টাকা না দেওয়ায় একাউন্টস অফিস সেটা এপ্রুভ করেনি। পরে যখন টাকা পায় তখন এপ্রুভ করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি চাকরিতে তিন বছর পুর্তিতে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পাওয়ার আবেদন করি। কিন্তু টাকা না দেওয়ায় একাউন্টস অফিস সেটা এপ্রুভ করেনি। পরে যখন টাকা পায় তখন এপ্রুভ করে।
আমি সেনাবাহিনী থেকে অবসর আসার পরে আমাকে মোবাইলে কল করে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয় যে আপনার ডকুমেন্ট সমস্যা আছে যদি টাকা না দেন তাহলে আপনি অনেক টাকা কম পাবেন, আমি বলছিলাম আমি যে টাকা পাবো সে টাকা দিলেই হবে আমি অতিরিক্ত কোন টাকা চাই না আমাকে টাকা কম পাই তাতে সমস্যা নাই। আমি পরে পেনশনে টাকা পেয়েছি তবে আমি প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা কম পেয়েছিলাম আলহামদুলিল্লাহ তাতে আমার দুঃখ নাই কিন্তু আমি তোকে বলেছিলাম আমি যে টাকা পাবো সেই টাকা দিলেই হবে আলহামদুলিল্লাহ আমার টাকা থেকে যদি এক টাকা কর্তন করা হয় তাহলে কাল হাসরের মাঠে আমার টাকা দেওয়ার জন্য জন্য প্রস্তুত থাকেন
আমার আব্বু একজন সরকারি কর্মচারী ছিলো তিনি মারা যাওয়ার পরে হিসাব রক্ষণ অফিস থেকে পেনশন চালু করার জন্য গেলে তারা টাকা দাবি করে এন্ড এটা নাকি তাদের সিস্টেম আমার কাছে ভিডিও প্রুভ ace
আমার মৃত পিতার পেনশন টাকা প্রাপ্তীর জন্য যোগাযোগ করেছি। তারা আমার কাছে তৃতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে ১৭,০০০/- টাকা দাবী করে। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় আমার ফাইল অনেকদিন আটকে ছিল। টাকা দেওয়ার পরপর ফাইলের কাজ দ্রুত শেষ করেন। আমি টাকা গুলো পরিশোধ করেছি।
সব ঘটনার বিবরণ লাগে না। হিসাব রক্ষণ অফিস সমূহ ঘুষ ছাড়া কোন ফাইল পাশ করে না। আপনি চাকুরীজীবি কারো কাছে জিজ্ঞাস করলে হয়তো বলবে না, অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের কাছে জিজ্ঞাস করুন।
গত জুলাই মাসে, আমার নিজের প্রতিরক্ষা ভবিষ্যত তহবিল থেকে চার লক্ষ টাকা লোন গ্রহণের জন্য আবেদন করি। কিন্তু প্রতি লাখের জন্য ৫০০ টাকা করে মোট ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরে ১৫০০ দিয়ে উক্ত লোনটি পাশ করতে হয়। এরকমের ঘুষ প্রতিরক্ষা হিসাবরক্ষণ অফিস নিয়মিত নিয়ে থাকে। না হলে হয়রানি হতে হয়। এর আগে হিসাব অনলাইন করণের জন্য ও ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি। ঘুষ ছাড়া তারা কোন কাজ করে না।
Online salary submit
টাকা দিছি তারপরও হয় নাই
আমি একজন সরকারি কর্মচারী, এক জেলা থেকে অন্য জেলায় বদলি হয়ে আসার পর, বেতনের শেষ যে এল পি সি থাকে সেটা পূর্বের ইউনিট থেকে নতুন ইউনিটে পাঠানো হয়। পূর্বের ইউনিটের টাকা না দিলে এলপিসি প্রেরণ করে না তাতে আমার বেতন আটকে থাকে। পূর্বের ইউনিটে ১০০০ টাকা দিয়ে এলপিসি আনা লাগছে, এবং বর্তমান ইউনিটে এটি রিসিভ করানো এবং বেতন করানোর জন্য আরও ৯০০ টাকা দেওয়া লাগছে। এটা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কমন একটা বিষয়। জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস এবং ঢাকার মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিসে যারা কর্মরত তারা সবাই ঘুষ নিতে নিতে ঘুষখোরে জর্জরিত হয়ে আছে। হিসাব রক্ষণ অফিসে টাকা ছাড়া কোন কিছুই হয় না, যেমন জিপিএফ থেকে অগ্রিম উত্তোলন, জিপিএফ এর পেজ নাম্বার ভলিউম নাম্বার পেতে, জিপিএফ এর নতুন নাম্বার পেতে, প্রতিবছরের হিসাব পেতে ।
হিসাবরক্ষণ অফিসে LPCর জন্য গেলে বারবার হয়রানি করতে থাকে। প্রায় ২ সপ্তাহ চলে গেলে বাধ্য হয়ে বলি ভাই কাজটা করে দেন চা খাওয়াবো। এর পর করে দেয় এবং হোয়াটসঅ্যাপে বিকাশ নাম্বার পাঠায়। অনুরূপ অভিজ্ঞতা ঈশ্বরদী হিসাবরক্ষণ অফিসেও হয় নতুন কর্মস্থলে বেতন চালু করতে গেলে।
আমার প্রথম বেতন পাওয়ার জন্য কিছু ডকুমেন্ট সাবমিট ও সাইন করাতে হবে তারপর আমার বেতন অনলাইনে পাওয়া যাবে তার জন্য। আমরা যারা টাকা দেইনি তাদের বেতন পেতে অন্যদের চাইতে প্রায় ১/২ মাস বেশি লাগছে।
পেনশনের ফাইল অনুমোদন ও গ্র্যাচুইটি পাওয়ার জন্য উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এবং বলে আপনার এই কাগজ নেই, ওই কাগজ নেই বলে হয়রানি করে। পরবর্তীতে ১৬ হাজার টাকা তাকে দিতে হয়। এরপরে সে একদিনের মধ্যে ফাইল অনুমোদন করে দেয়।
আমার শাশুড়ি পরিবার পরিকল্পনা তে চাকুরী করতো তিনি 2023 সালে স্বেচ্ছায় অবসর নেন। একাউন্ট অফিসের ভাষ্যমতে তাহার সার্ভিস বুকে নাকি একজন অফিসার এর স্বাক্ষর বাদ আছে তার স্বাক্ষর দেয়া লাগবে।সেই অফিসার হয়তো মৃত। স্বাক্ষর না আনতে পারলে 120000 দিতে হবে। না হয় পেনশনের টাকা পেতে লেট হবে।কবে পাবো তাও বলতে পারে না একাউন্ট অফিস।বাধ্য হয়ে 100000 দিছি।
নতুন চাকরীতে বেতন আইবাসে এন্ট্রি দিতে গেলে সব কিছু করে দেয়ার আশ্বাসে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা চায় যা আমার এক মাসের বেতনের সমান। পরে আমি তা প্রত্যাখ্যান করে চলি আসি পরে সামান্য টাকা ৩০০০ দিয়ে কাজ করাই। জেলা হিসাব রক্ষন অফিস, ঘুষ দাবির অফিসাসের পদবী অডিটর
বাবা মৃত্যুর পর বাবার সিফি ফান্ড ও আনুতোষিক পাওয়ার জন্য যারা ফাইল নিয়ে কাজ করবে তারা কিছু খরচ চাই।
আমি একজন সরকারি কর্মচারি। ডেপুটেশনে অন্য একটি সংস্থায় কাজ করি। তাই আইবাস এর মাধ্যমে সরাসরি আমার বেতন হয়না। আমার প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা সরকারি চালানে ব্যাংকের মাধ্যমে এজি অফিসের একাউন্টে জমা দেই। প্রতি বৎসর জমাদানের প্রমান দাখিলের মাধ্যমে এই হিসাব হালনাগাদ করতে হয়। তা না হলে আমার জমা দেয়া টাকা বা এর লভ্যাংশ আমি পাব না। প্রভিডেন্ট ফান্ডের হিসাব হালনাগাদ করার জন্য গত কয়েক বৎসরের মত এ বৎসরেও টাকা দিতে হয়েছে এজি অফিসে, ৫০০ টাকা।
সরকারি চাকরিতে জয়েন করার পর রাজনগর একাউন্টস অফিসে পে ফিক্সেশন করতে গেলে কেলকুলেটরে টাইপ করে টাকার পরিমাণ লিখে দেয়। ৩০০০ করে চাইলে আমরা দুজন ৫ হাজার দেই। কয়েকমাস পর ইনক্রিমেন্টসহ পে ফিক্সেশন করতে গেলে আবার ২৫০০ চায়। আমার কাছে মোট ৫০০০ নেয়। ইদানিং জিপিএফ কর্তন করতে চাইলে আবার টাকা চেয়ে বসে।
সাতকানিয়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের এক কর্মচারী আমার IBAS একাউন্টে পে ফিক্সেশন করার জন্য আমার কাছে 5000 টাকা ঘুষ চায়। এটি ছাড়া আমার বেতন আসতো না তাই বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করি। টাকা না দেওয়ায় আমার দুই মাস বেতন আটকে ছিল।
সরকারি চাকরিজীবীদের ৩ বৎসর পরপর শ্রান্তিবিনোদনভাতা অর্থ পাস করার জন্য ৫০০টাকা তাদেরকে ভাতা দিতে হবে,অন্যথায় এপ্রুভ করে না।
চাকরিজীবীদের ৩ বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ছুটির বিধান আছে সরকারি নিয়মে!সেই মোতাবেক আমার সহ আমার কলিগ প্রায় ৭৮ জনের এই ভাতার জন্য ফাইল গেলে।হিসাবরক্ষণ অফিসের সিনিয়র অডিটর ঘোষ হিসেবে ১০০০ জন প্রতি দাবি করেন এবং টাকা টা বাধ্য হয়ে দিতে হয়!এছারা ও যে কোনো ছোট খাট যেমন:টি এ বিল,ব্যাংক একাউন্ট পরিবর্তন এসবের জন্য ও ঘোষ দিতে হয়!