GPF ফান্ড হিসাব অনলাইন করা ।
আমার জিপিএফ ফান্ড অনলাইন করার জন্য SFC Air, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট অফিসে গেলে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়, পরে আরেকজন সাহায্য নিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে অনলাইন করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জিপিএফ ফান্ড অনলাইন করার জন্য SFC Air, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট অফিসে গেলে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়, পরে আরেকজন সাহায্য নিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে অনলাইন করা হয়।
গ্রেড উন্নতির কারণে আমাদের প্রায় ২৫০ সহকর্মীর প্রত্যেকের নিকট থেকে ২০০ টাকা করে ঘুষ চাওয়া হয়। ঘটনাটি ২০২১ সালের। পরে প্রত্যেকে ২০০ টাকা করে উঠিয়ে এজি অফিসে প্রদান করা হয়।
আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগে যারা শিক্ষকতায় জয়েন করি তাদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বর্ধিত ইনক্রিমেন্টের গেজেট থাকলেও এজি অফিস এটা করে দেওয়ার জন্য আমাদের থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে। সর্বশেষ ২৫০০ টাকার করতে পারবে না বলে জানায়।পরে আমরা দাবিকৃত অর্থ দিয়ে কাজ করিয়ে নেই।এজিতে টাকা ছাড়া কেউ কথা পর্যন্ত বলে না বিশেষ করে অডিটরগুলো টাকা ছাড়া কিচ্ছু করে না। এদের হাতে সবাই জিম্মি।
সরকারি চাকররি বেতন চালু করতে চা নাস্তার খরচ বলে ২০০০ টাকা নিয়েছিলো না হয় কাজের অগ্রগতি করবে না বলেছিলো। প্রতি টিএ বিলে ৫% এবং শ্রান্তি বিনোদন ভাতায় ৫% নেওয়া হয়েছে। না হয় বিল আটকিয়ে রেখেছিলো। এসব কাজ এখনো চলমান
আমি সরকারি চাকরিতে নতুন যোগদান করি। আমার বেতন ভাতা চালু করার জন্য হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (CGA) বা এজি অফিস সরাসরি বেতন চালুর জন্য আমার কাছে টাকা চান এবং বলেন খরচ দেওয়া ছাড়া বেতন চালু হবে না। বাংলাদেশের সকল কর্মচারী বা কর্মকর্তারা এজি অফিস লোকদের মাধ্যমে হয়রানি হয়ে থাকেন।
বার্ষিক ট্যাক্স সার্টিফিকেট দিতে ৫০০টাকা চেয়ে নিছে।
৯ম গ্রেডের Pay fixation এর জন্য ৫০০ টাকা নিছে যত জন জয়েন করছে। এছাড়াও বিভিন্ন বরাদ্ধের টাকা তুলতে নাকি ১০-২০% তাকে দিতে হয়। তার নাম :—, বাংলাদেশের ১ নাম্বার ঘুষখোর এরকম একাউন্টেন্ট দেশের জন্য ক্ষতিকর
আমাদের পাঁচ জনের বদলী জনিত কারণে এক স্টেশন হতে অন্য স্টেশনে গমনের প্রাক্কালে ভ্রমণ ভাতা হিসেবে দাবি করা হয় ১,০৩,৩৫৭. ০০ টাকা। নিয়ম মোতাবেক ভ্রমণ বিলটি সঠিক এবং আমরা প্রাপ্য। কিন্তু এই বিলটি পাস করার জন্য এফসি আর্মি পে-২ এর অডিটর আমাদের কাছ থেকে ১৫% হিসেবে ঘুষ দাবি করে। আমরা ঘুষ দেওয়ার পরে কথা প্রকাশ করায় সে আমাদের বিলটি পাশ করছে না। ১৫০০০/- টাকা ঘুষ দিলে বিলটি পাস করবে।
ইএলপিসি ইসু্ ও পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্য না না অযুহাত ও পেনশন নীতিমালা তোয়াক্কা না করে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিলে পেনশন পাস করে টাকা না দিলে বাস করে না।
It was the honorium for taking class at Nursing institution (Rangamati Govt Nursing Institute) of Rangamati. The AG office always took 10% of the honorium.
চাকুরীজীবন শেষে লামগ্রা্যান্ট ও গ্র্যাচুয়িটির অর্থ প্রাপ্তি। সরাসরি কর্কর্তা চাওয়া নয়, অডিটরের মাধ্যমে ১৫০০০ টাকা দাবি। আলচনার ভিত্তিতে ১২০০০ নিস্পত্তি।
সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর প্রথম বেতন তোলার সময় হিসাবরক্ষণ অফিসার চা মিষ্টি খাওয়ার জন্য ২০০০ টাকা চায়। আমি দিতে বাধ্য হই। নাহলে বেতন পেতাম না।
বিভিন্ন বিল ভাউচার বাবদ কমিশন দাবি করে। তাছাড়া, বদলীজনিত কারণে এলপিসি টাকা না দিলে আটকিয়ে দেয়। অবসরজনিত কারণে ই-এলপিসির জন্য টাকা দাবী করে। মোট কথা, হিসাবরক্ষণ অফিসের যেকোন কাজে তারা বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ দাবি করবেই।
বিল পাশের জন্য টাকা দাবি করা হয়ে এবং দিতে বাধ্য হই।
হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে কোন সরকারি বিল তুলতে ন্যূনতম ফাইভ পার্সেন্ট ঘুষ তাদেরকে দিতে হয়। এটা সারা দেশের সব হিসাবরক্ষণ অফিসেই হয়।
নতুন চাকরির পে ফিক্সেশন করতে গেলে আমার কাছ থেকে ১০০০(এক হাজার) টাকা নেয়। আমাকে বলছে এই টাকা ঐ অফিসের সবাইকে দিতে হবে কিছু অংশ।
বেতন বিল করতে হলে অবশ্যই টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে বেতন বিল চালু করে না। এক মিনিটের কাজ মাসের পর মাস ঘুরায়।এরকম ভোগান্তির জন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। না হলে বেতন বিল পেতে অনেক বেগ পেতে হয়।
বেতন নির্ধারণের জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হবে না হলে হবেনা ব্যস্ত আছি। শুধু ঐ হিসাবে রক্ষণ অফিস নয়, রাজশাহী, বগুড়া, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও হিসাব রক্ষণ অফিসে ঘুস দিতে হয়েছে এলপিসি আনার জন্য। প্রতি স্টেশনে ২০০০/২৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
নতুন সরকারি চাকরি হলে বেতন ভাতা চালু করার জন্য পে-ফিক্সেশন করার জন্য সংশ্লিষ্ট হিসাব রক্ষন অফিসে সেবাটি নিতে গিয়েছিলাম। তার অফিসের পিয়ন এর মাধ্যমে অর্থ দাবি করে, দীর্ঘদিন ফাইল পড়ে থাকতে দেখে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়।
যাদের মাস্টার্স এ প্রথম শ্রেণি আছে তারা ২ টি Advance increment পাবে বলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় মাউশি থেকে। গেজেট তালিকায় নিজেদের নাম প্রকাশ করতে মাউশিকে ১ম ধাপে দিতে হয়েছিল ১৩×৫= ৬৫ হাজার টাকা। এরপর বাজেট নেওয়ার জন্য মাউশিকে ২য় ধাপে দিতে হয়েছিল ১৫০০০ টাকা নাস্তা বাবদ। এর পর Account office - Lalmonirhat বিল ছাড় দিতে দাবী করে ৯০০০০ টাকা। তবে শেষ পর্যন্ত ৭০,০০০ টাকায় তারা রাজি হয়। উল্লেখ্য আমরা ১৩ জন শিক্ষক মিলে এই অর্থ প্রদান করি। উল্লেখ্য যে ৪২০০০ টাকা পেতে আমার ব্যক্তিগত খরচ হয়েছিল ১০০০০ + টাকা