বিল প্রসেস
বিল প্রসেস করার জন্য মিষ্টির টাকা দাবি করেছিল সিএফও পররাষ্ট্র অফিস।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিল প্রসেস করার জন্য মিষ্টির টাকা দাবি করেছিল সিএফও পররাষ্ট্র অফিস।
নতুন বেতন চালু করতে গেলে এবং ইনক্রিমেন্ট এড করতে বললেই ঘুষ চায় এবং যতদিন ঘুষ দেয়া না হয় ততদিন কাজ করে দেয়া হয় না।
আমার জিপিএফ ফান্ড অনলাইন করার জন্য SFC Air, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট অফিসে গেলে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়, পরে আরেকজন সাহায্য নিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে অনলাইন করা হয়।
আমি সরকারি চাকরিতে নতুন যোগদান করি। আমার বেতন ভাতা চালু করার জন্য হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (CGA) বা এজি অফিস সরাসরি বেতন চালুর জন্য আমার কাছে টাকা চান এবং বলেন খরচ দেওয়া ছাড়া বেতন চালু হবে না। বাংলাদেশের সকল কর্মচারী বা কর্মকর্তারা এজি অফিস লোকদের মাধ্যমে হয়রানি হয়ে থাকেন।
ইএলপিসি ইসু্ ও পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্য না না অযুহাত ও পেনশন নীতিমালা তোয়াক্কা না করে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিলে পেনশন পাস করে টাকা না দিলে বাস করে না।
আমাদের পাঁচ জনের বদলী জনিত কারণে এক স্টেশন হতে অন্য স্টেশনে গমনের প্রাক্কালে ভ্রমণ ভাতা হিসেবে দাবি করা হয় ১,০৩,৩৫৭. ০০ টাকা। নিয়ম মোতাবেক ভ্রমণ বিলটি সঠিক এবং আমরা প্রাপ্য। কিন্তু এই বিলটি পাস করার জন্য এফসি আর্মি পে-২ এর অডিটর আমাদের কাছ থেকে ১৫% হিসেবে ঘুষ দাবি করে। আমরা ঘুষ দেওয়ার পরে কথা প্রকাশ করায় সে আমাদের বিলটি পাশ করছে না। ১৫০০০/- টাকা ঘুষ দিলে বিলটি পাস করবে।
বার্ষিক ট্যাক্স সার্টিফিকেট দিতে ৫০০টাকা চেয়ে নিছে।
চাকুরীজীবন শেষে লামগ্রা্যান্ট ও গ্র্যাচুয়িটির অর্থ প্রাপ্তি। সরাসরি কর্কর্তা চাওয়া নয়, অডিটরের মাধ্যমে ১৫০০০ টাকা দাবি। আলচনার ভিত্তিতে ১২০০০ নিস্পত্তি।
৯ম গ্রেডের Pay fixation এর জন্য ৫০০ টাকা নিছে যত জন জয়েন করছে। এছাড়াও বিভিন্ন বরাদ্ধের টাকা তুলতে নাকি ১০-২০% তাকে দিতে হয়। তার নাম :—, বাংলাদেশের ১ নাম্বার ঘুষখোর এরকম একাউন্টেন্ট দেশের জন্য ক্ষতিকর
সরকারি চাকররি বেতন চালু করতে চা নাস্তার খরচ বলে ২০০০ টাকা নিয়েছিলো না হয় কাজের অগ্রগতি করবে না বলেছিলো। প্রতি টিএ বিলে ৫% এবং শ্রান্তি বিনোদন ভাতায় ৫% নেওয়া হয়েছে। না হয় বিল আটকিয়ে রেখেছিলো। এসব কাজ এখনো চলমান
It was the honorium for taking class at Nursing institution (Rangamati Govt Nursing Institute) of Rangamati. The AG office always took 10% of the honorium.
বিভিন্ন বিল ভাউচার বাবদ কমিশন দাবি করে। তাছাড়া, বদলীজনিত কারণে এলপিসি টাকা না দিলে আটকিয়ে দেয়। অবসরজনিত কারণে ই-এলপিসির জন্য টাকা দাবী করে। মোট কথা, হিসাবরক্ষণ অফিসের যেকোন কাজে তারা বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ দাবি করবেই।
সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর প্রথম বেতন তোলার সময় হিসাবরক্ষণ অফিসার চা মিষ্টি খাওয়ার জন্য ২০০০ টাকা চায়। আমি দিতে বাধ্য হই। নাহলে বেতন পেতাম না।
হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে কোন সরকারি বিল তুলতে ন্যূনতম ফাইভ পার্সেন্ট ঘুষ তাদেরকে দিতে হয়। এটা সারা দেশের সব হিসাবরক্ষণ অফিসেই হয়।
বিল পাশের জন্য টাকা দাবি করা হয়ে এবং দিতে বাধ্য হই।
নতুন চাকরির পে ফিক্সেশন করতে গেলে আমার কাছ থেকে ১০০০(এক হাজার) টাকা নেয়। আমাকে বলছে এই টাকা ঐ অফিসের সবাইকে দিতে হবে কিছু অংশ।
বেতন নির্ধারণের জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হবে না হলে হবেনা ব্যস্ত আছি। শুধু ঐ হিসাবে রক্ষণ অফিস নয়, রাজশাহী, বগুড়া, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও হিসাব রক্ষণ অফিসে ঘুস দিতে হয়েছে এলপিসি আনার জন্য। প্রতি স্টেশনে ২০০০/২৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
বেতন বিল করতে হলে অবশ্যই টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে বেতন বিল চালু করে না। এক মিনিটের কাজ মাসের পর মাস ঘুরায়।এরকম ভোগান্তির জন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। না হলে বেতন বিল পেতে অনেক বেগ পেতে হয়।
নতুন চাকরিতে যোগদানের পর বেতন চালু করতে হিসাবরক্ষণ অফিসে ঘুষ দিতে হয়েছিল । এছাড়াও ভ্রমণ ভাতা বিল তোলার জন্যও তাদের ঘুষ দিতে হয় ।
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।বাবার চাকরি শেখ তাই পেনশন এ গেছে।পেনশনের টাকা তোলা এবং মাসিক পেনশন চালু করতে চরফ্যাশন উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস এর অডিটর — ১০০০০০ টাকা চাচ্ছে। নাহলে কাজ করবে না